আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :

ছোট গল্প “কুলাঙ্গার”।

“কুলাঙ্গার”

 

 

-ফয়েজ আহমেদ।

 

বাঁচ্চাটা কাঁদছে। খেতে চাচ্ছে। একটু মুড়ি ছিল তা এগিয়ে দেয় জরিনা। বাঁচ্চাটা মুড়ি খাবেনা। মুড়ির বাটি হাত দিয়ে সরিয়ে দেয়। বলে মুড়ি খাব না। সে মায়ের কাছে ভাত চায়। হাফ কেজি চাল ছিল। গতকাল তা রান্না করেছে জরিনা। দু,দিন থেকে জরিনা শুকনো মুড়ি আর পানি খেয়ে আছে। ভাত টুকু সে বাঁচ্চাটাকে খাওয়াচ্ছে। তিন বছরের বাচ্চা। সে কি আর অভাব বুঝে। ক্ষুধা লাগলে সে খেতে চাঁবে,এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু কি করে খাওয়াবে জরিনা। ঘরেতো কোন খাবার নেই। সে নিজে কি খাবে আর বাচ্চাটাকে কি খাওয়াবে। চিন্তায় মাথায় কাজ করেনা জরিনার।

 

জরিনার স্বামী আছির উদ্দীন নদীতে মাছ ধরার কাজ করে। একটি নৌকা ও জাল ভাড়া নিয়ে নদীতে প্রতিদিন মাছ ধরতে যায়। দৈনিক যা মাছ পায় তি বিক্রি করে নৌকা ও জালের ভাড়া দেয়। পরে হাতে যা থাকে তা দিয়ে কোন রকম সংসার চলে আছির উদ্দীনের। ভরা মৌষুম হলে মোটামুটি ভাল চলে। একটু ভাল মন্দ খাইতে পারে জরিনারা। আর ডাল মৌষমে খুব কষ্ট হয় তাদের। এক বেলা খেয়ে না খেয়ে কাটাতে হয় তাদের। সবচেয়ে বশী কষ্ট হয়,যখন নদীতে মাছ ধরা একেবারে বন্ধ থাকে। সরকারী ভাবে রিলিপ দেয়া হয়। সেটা অপ্রতুল। চড়া সুদে তখন কর্জ্য করে খেতে হয় তাদের।
আছির উদ্দিন শুনেছে,দেশে করোনা ভাইরাস নামের একটা ভাইরাস এসেছে। ভাইরাসটি মানুষের ছোয়াতে হয়। তাই সরকার লক ডাউন ঘোষনা করেছে। সবাইকে ঘরে থাকতে বলেছে। গরীব মানুষদের বাড়ীতে খাবার পৌছে দেবার কথাও বলেছে। ঘোষনার আজ এক সপ্তাহ হল। কিন্তু কোন খাবার পায় নাই আছির উদ্দিন। বাড়ীর চাল,ডাল সব শেষ। হাতেও কোন টাকা নাই। তাই জীবিকার তাগিদে নদীতে মাছ ধরতে যায় সে। স্ত্রী জরিনা নিষেধ করেছিল। শুনে নাই আছির উদ্দিন।
জরিনার স্বামী গত দু’দিন আগে নদীতে মাছ ধরতে গেছে। আজও ফিরেনি।এমন আগে কখনও হয়নি। তাহলে কি হল লোকটার। ভয়ে বুক কাপে জরিনার। প্রকৃতি তো ভাল আছে। তাহলে কি হল। বাড়ীতে আসছেনা কেন।  আকাশ কুসুম ভাবনায় হারিয়ে যায় জরিনা।ঘরে কোন খাবার নাই। আছির উদ্দিন দৈনিক বাজার আনে। তাই রান্না করে খায় ওরা । পুজি বলতে তাদের কিছু নাই। বলতে গেলে নিত্য আয়ে তাদের খাওয়া।
জরিনা বাঁচ্চাটাকে নিয়ে মেম্বারের বাড়ী যায়। জরিনা মেম্বার কে জানায়,তার স্বামী আছির উদ্দিন নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ফিরেনি। আজ দু’দিন স্বামীর কোন খোজ পায়নি। জরিনা মেম্ববার কে আরও বলে, তার বাড়ীতে কোন খাবার নাই।বাঁচাটা খাবারের জন্য কাঁদছে। মেম্বার খোজ -খবর নিয়ে রাতে জরিনাকে জানাবে বলে, জরিনাকে বিদায় দেয়। জরিনা পাশের বাড়ী থেকে একটু ভাত চেয়ে আনে। বাঁচ্চাটি কে খাইয়ে শুয়ে পড়ে ওরা।
জরিনা প্রতিবেশী এক জনের কাছে জেনেছে, তার স্বামীসহ বেশ কিছু লোককে চৌদ্দ দিন নদীতে থাকতে হবে। সরকার নাকি কোয়ারেন্টিন করেছে। চৌদ্দ দিনের আগে জরিনার স্বামী বাড়িতে আসতে পারবেনা। বিশ্বাস করেনি জরিনা। এমন আবার হয় নাকি। মানুষকে নদীতে থাকার রায়,কোন সরকার দেয় নাকি। তাইতো জরিনা মেম্বারের কাছে গিয়েছিল, স্বামীর খোজ পাবার জন্য।
স্বামীর চিন্তায় কোন ভাবে ঘুমাতে পারছেনা জরিনা। এদিকে ঘরে কোন খাবার নাই।
কিভাবে চলবে। চিন্তার মধ্যে এক অস্থিরতা কাজ করছে জরিনার।বাঁচ্চাটাও বাপকে খুজছে। কোন রকম সান্তনা দিয়ে রেখেছে জরিনা। চিন্তায় মগ্ন জরিনাা শুনতে পায়,কেউ তার ঘরের দরজায় টোকা দিচ্ছে। কে বলে,আওয়াজ দেয় জরিনা। দরজা থেকে মেম্বারের কন্ঠ শোনা যায়। মেম্বার মৃদ্যু স্বরে বলে, আমি সোলেমান মেম্ববার।দরজাটাা খুুুলেন।
স্বামীর খবর পাবে এই আশায়,দ্রুত দরজা খুলে দেয় জরিনা। মেম্বার জানায়,তোমার স্বামীকে নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট চৌদ্দ দিন নদীতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। চৌদ্দ দিন,না হলে তোমার স্বামী বাড়ীতে আসতে পারবেনা। নদীতে থাকবে। মেম্বারের কথা শুনে, ক্রুদ্ধ হয় জরিনা। এটা কেমন আইন। জরিনা এমন আইন মানেনা।
মেম্বার সোলায়মান,জরিনাকে বুঝায়,সরকার লকডাউন ঘোষনা করেছে। কেউ বাড়ীর বাইরে কোন কাজে যেতে পারবেনা। জরুরী কাজে যদি কেউ বাইরে যায়,তাহলে স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে হবে। তোমার স্বামী সরকারী নির্দেশনা মানে নাই। তাই যেখানে আছে,ওখানে চৌদ্দ দিন থাকতে হবে। জরিনা মেম্বারকে বলে তাহলে আমি আমার বাচ্চাটাকে নিয়ে কি ভাবে চলব। আমার ঘরে কোন খাবার নাই। আমি দু’দিন থেকে শুকনো মুড়ি আর পানি খেয়ে আছি।
জরিনার দুঃখের কথা শুনে সান্তনা দেয় মেম্বার সোলায়মান। বলে,আমি থাকতে তোমাকে কোন কষ্ট করতে হবেনা।তোমাকে আমি রিলিপ দেব। তোমার স্বামী নেইতো কি হয়েছে। আমি তো আছি। তোমার যা লাগে,আমি দেব। সুলায়মান মেম্বার জরিনাকে বলে,তুমি কাল সকালে আমার বাড়ীতে এস। তোমার যা দরকার আমি দেবানি। জরিনা খেয়াল করে মেম্বার বারবার তার শরীরের দিকে তাকাচ্ছিল। মেম্বারের চোঁখে একটা উত্তেজনা দেখতে পায় জরিনা। মেম্বারের সাথে আসা সাঙ্গপাঙ্গরা জরিনাকে বলে,তুমি কাল এস,মেম্বার সাব তোমার যা লাগে দিবে।মেম্বার যাওয়ার পর দরজা লাগিয়ে শুয়ে পড়ে জরিনা।
সকালে ঘুম থেকে উঠে বাঁচ্চাটাকে কালকের রাখা একটু বাশিভাত খাওয়ায় জরিনা। নিজে এক গ্লাস পানি খেয়ে বাচ্চাটাকে নিয়ে মেম্বারের বাড়ী যায়। মেম্বারের বাড়ীতে কেউ নেই। মেম্বার একাই বসে আছে। জরিনার মনে হয়, মেম্বার তার জন্যই অপেক্ষা করছে। মেম্বারের রাতের চেহারার কথা মনে হয় জরিনার। সে দেখেছে,রাতে মেম্বারের চোঁখ চকচক করছিল। মেম্বারের চোঁখে সে কামনার আগুন দেখেছে। জরিনা নিজেকে শক্ত করে। এমন কোন পরিস্থিতি হলে,যে কোন ভাবে নিজেকে সে রক্ষা করবে। মেম্বারের কামনার আগুনে নিজেকে সে কোন ভাবে পুড়তে দিবেনা।
মেম্বার সুলায়মান জরিনাকে বসতে বলে। জরিনাকে বিভিন্ন কথার জালে আটকাতে চায়। জরিনা বুঝতে পারে,মেম্বার সুলায়মান তার দারিদ্রতার সুযোগ নিতে চায়। কিন্তু জরিনা তাকে এ সুযোগ কিছুতেই দেবেনা। সে না খেয়ে মরবে,তবুও সে তার নারিত্ব রক্ষা করবে। জরিনা এবার মেম্বারকে বলে,আমাকে রিলিফ দেন। আমি চলে যাই। মেম্বার বলে, এত ব্যস্ত হয়োনা। তোমাকে তো রিলিফ দেয়ার জন্য আসতে বলেছি। মেম্বার এবার জরিনাকে তার ঘরে আসতে বলে। জরিনা রাজী হয়না। জরিনা বলেছে,আমি আপনার ঘরে যাব কেন। আপনি আমাকে এখানেই রিলিফ দেন।
মেম্বার সুলায়মান জরিনাকে তার ঘরে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে ফুসলাতে থাকে। কিন্তু জরিনা বলেছে,সে ঘরে যাবেনা। রিলিপ দিলে তাকে এখানেই দিতে হবে। জরিনাকে ঘরে নিতে না পেরে মাথায় আগুন ধরে যায় মেম্বার সোলায়মানের। সে এবারে জরিনার উপর বল প্রয়োগ করে। জরিনার হাত ধরে টেনে ঘরে নিয়ে যেতে চায়। জরিনার শাড়ীর আচল টানতে থাকে মেম্বার। এবার জরিনা নিজেকে শক্ত করে মেম্বার কে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে দ্রুত মেম্বার সোলায়মানের বাড়ী থেকে সে বেড়িয়ে আসে।
জরিনা বাড়িতে এসে ঘরের দরজা লাগিয়ে কাঁদতে থাকে। মেম্বার নামের কুলাঙ্গার সোলায়মানের আচরনে সে মর্মাহত। মানুষ এত কদাকার মনের হয়,ভাবতে পারেনা জরিনা। সে চিন্তা করে সরকারী রিলিপ দিতেও দেহ ভোগ করতে চায় ওই কুলাঙ্গাররা। ঘৃনায়,রাগে ফোঁস ফোঁস করতে থাকে জরিনা। সে আল্লাহকে বিচার দেয়,সোলায়মানের মত মেম্বারদের উপযুক্ত বিচারের জন্য।
জরিনা বাঁচ্চাটাকে ঘুম দিয়ে নিজেও ঘুমিয়ে পড়ে। দুপুরের পর একটা কোলাহলের শব্দে ঘুম ভেঙ্গ যায় জরিনার। বাইরে এসে দেখে অনেক লোক মেম্বার সুলায়মানের বাড়ীর দিকে দৌড়ে যাচ্ছে। একজনকে জিজ্ঞেস করলে বলে,সোলায়মান মেম্বারের বাড়ীতে পুলিশ এসেছে। ওই মেম্বার গরীব মানুষের জন্য সরকারের দেয়া পঞ্চাস বস্তা চাউল আত্মসাৎ করেছে। পুলিশ তার বাড়ী চাল উদ্ধার করেছে। সোলায়মান মেম্বারকে গ্রেফতার করছে।
উঠানে দাড়িয়ে আছে জরিনা। তার বাড়ীর সামনে দিয়ে সোলায়মান মেম্বারকে দড়ি দিয়ে বেধে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সোলায়মান মেম্বারের চোঁখে চোঁখ পড়ে জরিনার। সোলেমান মেম্বার জরিনাকে দেখে তার চোঁখ দু’টো নিচে নামিয়ে ফেলে। মাথা নিচু করে অন্য দিকে তাকিয়ে পুলিশের সাথে চলে যায় সুলায়মান মেম্বার।জরিনার ইচ্ছে করে,দোড়ে গিয়ে ওই নরপশুর মুখে থথু দেয়ার কিন্তু পারেনা
সন্ধ্যা প্রায় হয়ে আসছে। জরিনা উঠোনটা ঝাড়ু দেয়। তার শরীর আর কোন ভাবে এগোচ্ছেনা। ক্ষুধার জ্বালায় তার পেট জ্বলে যাচ্ছে। তার মনে হচ্ছে,সে এবার পড়ে যাবে। কোন ভাবে ঘরে যায় জরিনা। এক গ্লাস পানি খায়। পানি জরিনার পেটে আরো জ্বালা বাড়িয়ে দেয়। আর সহ্য করতে পারেনা জরিনা। বিছানায় গাটা এলিয়ে দেয়। এরই মধ্যে সে তার বাড়ীর উঠোনে একটা গাড়ী থামার শব্দ পায়। গাড়ীটা হর্ন দেয়। একটা লোক ডাকে। এটা আছির উদ্দিনর বাড়ী না।
জরিনা ক্ষুধার জ্বালায় জ্বলছে। বিছানা থেকে তার কোন ভাবেই উঠতে ইচ্ছে করছেনা। লোকটি আবার ডাক দেয়। বাড়ীতে কেউ আছেন। স্যার এসেছেন। একটু আসেন। এবার কোন রকমে বিছানা থেকে ুউঠে বাইরে আসে জরিনা। কয়েক জন লোক দাড়িয়ে আছে। এক জন লোক বলে আপনি আছির উদ্দিনের স্ত্রী না। জরিনা হ্যা বলে জবাব দেয়। লোকটি বলেন,এসি ল্যান্ড স্যার এসেছেন। আপনার সাথে কথা বলবেন। জরিনার পেট ক্ষুধায় জ্বলছে। সে দাড়িয়ে থাকার শক্তিও পাচ্ছেন না। এরা আসছে কথা বলতে। কি কথা তার সাথে। বিরক্ত হয় জরিনা।
এবার এসি ল্যান্ড স্যার লোকটা জরিনাকে বলেন,আপনার স্বামীকে জনস্বার্থে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। তার খাওয়া-দাওয়ার সকল ব্যবস্থা সরকার করছে। ওনার জন্য চিন্তা করবেন না। উনি ভাল আছেন। আপনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর  খাদ্য সহায়তা উপহার পাঠানো হয়েছিল। আমরা আজকে জানতে পারলাম,সেগুলো আপনাকে দেয়া হযনি। আমরা মেম্বার কে গ্রেফতার করেছি,বলে জরিনার হাতে একটি বাজারের ব্যাগ তুলে দেন।
এসি ল্যান্ড স্যার লোকটি আরও বলেন,আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। হয়ত আপনাকে কষ্ট করতে হয়েছে। দোষটা কিন্তু আপনাদের।আপনারা ভুল প্রতিনিধি নির্বাচন করেন। এসি ল্যান্ড স্যার লোকটি, জরিনার হাতে আরও একটি কার্ড দিয়ে বলেন,আরও কোন কিছুর দরকার হলে আমাদের কে ফোন করবেন। আপনার যা দরকার জানালে,আমরা পৌছে দিব,বলে গাড়ি নিয়ে চলে যান।
জরিনা ঘরে গিয়ে বাজারের ব্যাগটা খুলে দেখেন। ব্যাগে চাল,ডাল,তেল,আলু,চিড়াসহ বেশ কিছু কাচা বাজার আছে। এগুলো দিয়ে তার চৌদ্দ দিন নয়,আরো বেশী দিন যাবে।। জরিনা একটু পড়তে জানে। সে দেখে ব্যাগের গায়ে লেখা আছে,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার। কৃতজ্ঞতায় তার চোঁখ ছলছল করে ওঠে।
জরিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে কোনদিন দেখেননি। কিন্তু শুনেছেন। শেখের বেটি। শেখ মুজিবুর রহমান যেমন,মানুষকে ভালবাসত। তেমনি তার বেটি হাসিনা মানুষকে ভালবাসে। গরীবের জন্য তার মন কাঁদে। এজন্য সে জরিনার মত অনেক অনাহারীর জন্য খাদ্য সহায়তা উপহার পাঠিয়েছে। জরিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য মন থেকে দোয়া করেন।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”কাকলীর আত্মহনন”।
কলঙ্কে ভরা জীবনটা আর বয়ে বেড়ানোর ইচ্ছে নেই কাকলীর। কাকলী কোন দিনও ভাবেনি তার জীবনে লাগবে কলঙ্কীনি দাগ। কলঙ্কীনি দাগ লাগার মত কেন কাজ করেনি কাকলী। সে একজনকে বিশ্বাস করেছিল। ...
READ MORE
“করোনা প্রস্হান”
"করোনা প্রস্হান" -ফয়েজ আহমেদ করোনা মহামারী,কাদছে বিশ্ব,কাদছে মানবতা ধ্বংশ অর্থনীতি,চলছে মানবতার আহাজারী, আক্রান্ত মানুষ মরছে যত্ত দেশ আর বিদেশে বিপন্ন সমাজ,খাদ্য সংকট,চলছে বিশ্ব জুড়ে।   বৈশ্বিক এমন মহামারী আগেও ছিল জানি এবার সে ধরছে চেপে, তামাম পৃথিবী লাশের মিছিল ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর রম্য রচনা “তেল হাওয়া”
তেল হাওয়া" (একটি ছোট রম্য রচনা) মিলে সরিষা তেল নাই কথাটা শুনে একটা হোচট খায় সজিব। সে ভাবে করোনা প্রর্দুভাবের কারনে মানুষের আয়-রোজগার কমে গেছে। হাট-বাজারে মানুষ কম আসছে। এখনতো সব ধরনের ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
শুধু গ্রামে নয়,আশে পাশের আরো দশ গ্রামে আবিরের নাম প্রচার হয়ে গেছে। দশ গ্রামের লোক আজ আবিরকে আলাদা চোঁখে দেখছেন। তাকে সমীহ করছেন,ভালবেসে আবির ভাই বলে সম্বোধন করছেন। আবির আজ ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “কোভিড-১৯”
কোভিড-১৯"   -ফয়েজ আহমেদ   বিশ্ব এখন অচল অসাড় উৎপাদনের চাকা বেকার উন্নয়ন ধারা থমকে আছে কোভিড-১৯ ত্রাস চালাচ্ছে।   চলেনা আর গাড়ী ঘোড়া ব্যবসা-বানিজ্যে দৈনদশা মেশিন গুলো ধোয়া মোছা দোকান-পাটে নাই সওদা।   বিশ্ব বাজার সাটার ডাউন বিমান-জাহায লক ডাউন মৃত্যুর মিছিল যখন তখন বিশ্বে এখন ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
শ্বাস নিতে পারছেন না আছমা বেগম। খুব কষ্ট হচ্ছে তার। মনে হচ্ছে এক্ষনেই মারা যাবেন। কয়েক দিন থেকেই তার শরীরে জ্বর চলছে।  গতকাল জ্বরটা বেশী ছিল। পাড়ার মোড় থেকে নাপা ...
READ MORE
“কবর পেল শাবনুর”
"কবর পেল শাবনুর"   -ফয়েজ আহমেদ।   মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে অঝোরে কাঁদতে থাকে আবুল হোসেন। একটি মাত্র মেয়ে তার। আর কোন ছেলে পুলে নেই। অভাবের তাড়নায় মেয়েটিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল আবুল হোসেন। মেয়েটিকে ...
READ MORE
কবিতা “কর রহমত”
"কর রহমত"   -ফয়েজ আহমেদ।   বছর শেষে,এলো রোজা রহমত পর্বের,চলছে পালা, বাকী আর,একটা রোজা সময় আছে,ধরো রোজা।   আজকে হবে,দশটা রোজা রহমত পর্বের,শেষ রোজা, আয় তোরা, খাই সেহরী রহমত পেতে,রোজা রাখি।   বাকী রবে, বিশটা রোজা মাগফেরাত পর্ব,পরের দশটা, আল্লার দয়া, পেতে হলে মাগফেরাত রোজা,করতে হবে।   মাগফেরাত ...
READ MORE
“স্বাধীনতার রুপকার”
"স্বাধীনতার রুপকার" -ফয়েজ আহমেদ।   বাংলাদেশ একদিন স্বাধীন ছিলনা। ছিল পরাধীন। নাম ছিল পুর্ব পাকিস্থান। ইংরেজ শাসনের অবসানের পর ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দু'টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। একটি ভারত ও অপরটি পাকিস্থান। পাকিস্থান ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”কাকলীর আত্মহনন”।
“করোনা প্রস্হান”
ফয়েজ আহমেদ এর রম্য রচনা “তেল হাওয়া”
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “কোভিড-১৯”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
“কবর পেল শাবনুর”
কবিতা “কর রহমত”
“স্বাধীনতার রুপকার”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।