আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

“স্বাধীনতার রুপকার”

“স্বাধীনতার রুপকার”

-ফয়েজ আহমেদ।

 

বাংলাদেশ একদিন স্বাধীন ছিলনা। ছিল পরাধীন। নাম ছিল পুর্ব পাকিস্থান। ইংরেজ শাসনের অবসানের পর ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দু’টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। একটি ভারত ও অপরটি পাকিস্থান। পাকিস্থান নামক রাষ্ট্রের দু’টি অংশ পশ্চিম পাকিস্থান ও পুর্ব পাকিস্থান। আমরা পুর্ব পাকিস্থান হয়ে যাই,পশ্চিম পাকিস্থানের একটি অংশ।

পুর্ব পাকিস্থান অংশের জনসাধারন পশ্চিম পাকিস্থানী শাসক গোষ্ঠীর দ্বারা শোষিত ও বঞ্চিত হতে থাকে। শাসনের নামে পশ্চিম পাকিস্থানী শাসক গোষ্ঠী পুর্ব পাকিস্থানের বাঙ্গালী জনসাধারনদের কে শোষন ও নির্যাতন করতে থাকে। একই রাষ্ট্র হওয়ার পরেও পুর্ব বাংলার জনসাধারনের সাথে তারা বিমাতা সুলভ আচরন করতে থাকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পশ্চিম পাকিস্থানী শাষকদের সেই বিমাতা সুলভ আচরন,শাসনের নামে শোষন-নির্যাতন রুখে দিয়ে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম দেন।
পশ্চিম পাকিস্থানী শাসক গোষ্ঠী পুর্ব বাংলার জনসাধারনকে তাদের দাসত্বে আবদ্ধ করার জন্য নানাবিদ ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তারা বাংঙ্গালীদের গোলামের জাতিতে পরিনত করে রাখতে চায়। তাই তারা পুর্ব বাংলার আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় আঘাত হানে।
পশ্চিম পাকিস্থানী শাসকচক্র জানত যে কোন জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে রাখতে হলে,গোলামের জাতিতে পরিনত করতে হলে তাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে আঘাত হানতে হবে। তাই তারা প্রথমে আমাদের মাতৃভাষা কেড়ে নিতে চাইল।১৯৫২ সালে আঘাত হানল আমাদের মায়ের ভাষায়।
পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠি ঘোষনা করল পাকিস্থানের রাষ্ট্র ভাষা হবে উদূ। বিক্ষোভে ফেটে পড়ল পুর্ব বাংলার আবাল বৃদ্ধ বনিতাসহ সর্বস্থরের জনসাধারন। বাংলার দামাল ছেলেরা রাস্তায় প্রতিবাদের ঝড় তুললো। পুর্ব বাংলার ছাত্র-শিক্ষক এক হয়ে পশ্চিমা শাসকদের এ ঘোষনা প্রত্যাহারের জন্য আল্টিমেটাম দিল।
কিন্তু পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠি তাদের সিদ্ধান্তে অনড়। তারা আবার ঘোষনা করল,বাংলা নয়,উদূই হবে পাকিস্থানের রাষ্ট্র ভাষা। পুর্ব বাংলায় প্রতিবাদের ঝড় উঠল। কোন ভাবেই উদূকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে মানবেনা তারা। শুরু হল তুমুল প্রতিবাদ মিছিল। ঢাকাসহ গোটা পুর্ব বাংলায় ছাত্র জনতার এ প্রতিবাদ আন্দোলন স্বাধীকার আন্দোলনে রুপ নিচ্ছল।
এবার ভীত হয়ে পড়ে পাকিস্থানী শাসকচক্র। তারা পুর্ব বাংলার ছাত্র জনতার এ প্রতিবাদ আন্দোলন চিরতরে বিনষ্ট করার জন্য মিছিলে হামলা করার নির্দেশ দেন। ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী পশ্চিমা পেটোয়া বাহিনী পুলিশ ছাত্রদের শান্তিপুর্ন মিছিলে এলোপাতারী গুলি ছোরা শুরু করে। পুলিশের গুলিতে নিহত হন,রফিক,জব্বার,ছালাম,সফিউরসহ আরো নাম জানা অনেকে। আন্দোলন আরো বেগবান হতে থাকে। পশ্চিমা শাসকচক্র পুর্ব বাংলার ছাত্র জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে ‘রাষ্ট্র ভাষা’র” প্রশ্নে নমনীয় হয়।তারা পরে বাংলা ভাষার দাবী মেনে নিতে বাধ্য হন।
ভাষার প্রশ্নে নমনীয় পাকিস্থানী শাসকচক্র এবার আরো বেপরোয়া ভাবে পুর্ব বাংলার জনসাধারনের উপর শোষন অত্যাচার বহুগুন বাড়িয়ে দেয়।তারা পুর্ব বাংলার অর্থনীতি ধ্বংশ করতে নানাবিধ ষড়যন্ত্র করতে থাকে। পুর্ব বাংলার অর্থনীতি ধ্বংশ করতে তারা চালায় নারকীয় রাজনীতি।
পুর্ব বাংলার জনসাধারনের উপর পশ্চিমা শাষক গোষ্ঠির নারকীয় ষড়যন্ত্র নস্যাত করতে ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুর্ব বাংলার জনগনের মুক্তির জন্য ছয়দফা কর্মসুচী ঘোষনা করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা বাঙ্গালীর মেঘনা কাটায় পরিনত হয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফার পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন গড়ার জন্য নিজেই গোটা দেশে সফর করেন। পুর্ব বাংলায় ছয় দফা বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বিশাল গন আন্দোলন গড়ে ওঠে।
ছয়দফা আন্দোলন পুর্ব বাংলার স্বাধীকার আন্দোলনে রপ নেয়। পশ্চিমা শাসকচক্র এবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিদায় দেয়ার জন্য নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে আগরতলা মামলা রুজ্জু করেন এবং ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করেন। ফুসে ওঠে ছাত্রসমাজ। তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের প্রদত্ত ছয় দফাসহ নিজেদের ১১ দফা মোট ১৭ দফা নিয়ে উত্তাল আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পশ্চিমা শাসকচক্র আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্বু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন। বঙ্গবন্ধু জেল থেকে মুক্তির পর ছাত্র-জনতাকে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত ভাবে চালিয়ে যেতে থাকেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আন্দোলনে নতজানু পশ্চিমা শাসকচক্র পাকিস্থানের সাধারন নির্বাচনের ঘোষনা দেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্বাচনের প্রস্ততি গ্রহন করেন। পুর্ব পাকিস্থানের ১৬৭ টি আসনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। অপরদিকে পশ্চিমা শাসক চক্রের সমর্থিত পিপলস পার্টি পশ্চিম পাকিস্থানে ৮৮ টি আসনে জয়লাভ করে।
এ নির্বাচনে আঞ্চলিকতা ব্যাপক প্রাধ্যন্য পায়। আওয়ামী লীগ পশ্চিম পাকিস্থানে এবং পিপলস পার্টি পুর্ব পাকিস্থানে একটি আসনেও জয়লাভ করতে পারেনি। পুর্ব ও পশ্চিম পাকিস্থানের জনগোষ্ঠির আঞ্চলিকতার টান এ নির্বাচনে ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। পরিষ্কার হয়ে যায় এ দুই অঞ্চলের জনসাধারনের দৃষ্টি ভঙ্গি।
পশ্চিমা শাসক চক্র আওয়ামী লীগ তথা বঙ্গবন্ধুর হাতে পাকিস্থানের শাসন ভার তুলে দিতে গড়িমসি শুরু করে। তারা নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। অনিদিষ্ট কালের জন্য জাতীয় অধিবেশন বন্ধ ঘোষনা করেন। পুর্ব বাংলার মানুষ আবার ফুসে ওঠে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পুর্ব বাংলার জনসাধারন বুঝতে পারে তারা আওয়ামী লীগ তথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে ক্ষমতা অর্পন করবেন না। তাই এবার স্বাধীকার আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহন করে আওয়ামী লীগ তথা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিয় অধিবেশন বন্ধ ঘোষনার প্রতিবাদে ঢাকার সোওয়ারদী উদ্যনে সমাবেশের ডাক দেন। ওই সমাবেশে লক্ষ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষন প্রদান করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই দিন পশ্চিমা  শাসক চক্রদের উদ্দেশ্য চাঁরটি দফা ঘোষনা করেন। যার মধ্য উল্লেখযোগ্য ছিল নির্বাচিত জনপ্রতিনধির হাতে শাসন ভার অর্পন করতে হবে। ২রা মার্চ থেকে সমস্ত গুলি বর্ষনের তদন্ত করে বিচার করতে হবে। সমস্ত সামরিক সদস্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
বঙ্গবন্ধু সেদিন তার ভাষনে আরও বলেন,এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু জানতেন,তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে। তাই তিনি ওই ভাষনে আরও বলেন,আমি যদি হুকুম দিতে নাও পারি তোমরা তোমাদের যা কিছু আছে তা দিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চের ভাষনে আরও বলেছিলেন,তোমরা ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব তবুও এ দেশকে স্বাধীন করে ছাড়ব,ইনশাআল্লাহ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওই ভাষন উপস্থিত লক্ষ লক্ষ জনতা মুহুমুহু করতালিতে বরন করে নেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন জনতাকে আরও বলেন,আজ থেকে খাজনা ট্যাক্স সব বন্ধ। পুর্ব বাংলা থেকে একটি টাকাও পশ্চিম পাকিস্থানে যাবেনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেদিনই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন করে দেন। পরর্তীতে বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ই মার্চের ভাষন ইউনেস্কো কতৃক শ্রেষ্ঠ ভাষন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
৭ই মার্চ থেকে পুর্ব বাংলায় পাকিস্থানী শাসন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা কার্যকর করে পুর্ব বাংলার আপামর জনসাধারন। বাংলার স্বাধীনতা কার্যত সেদিন থেকে কার্যকর শুরু হয়। পুর্ব বাংলায় পশ্চিমা শাসন অপসারিত হওয়ায় এবং বঙ্গবন্ধুর মৌখিক নির্দেশনায় পুর্ব বাংলা পরিচালিত হওয়ায় ভীত হয়ে পড়ে পশ্চিমা শাসকচক্র।তারা এবার নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেন।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আপোষের জন্য আলোচনার প্রস্তাব দেন।
১০ মার্চ ঢাকায় আলোচনা শুরু হয়। আলোচনার নামে চলে প্রহসন। সময় কাটানোর ফন্দি ফিকির। এক দিকে চলে আলোচনা অন্য দিকে পশ্চিমারা দেশে তাদের শক্তি বৃদ্ধি শুরু করে। গোপনে সৈন্য,অস্ত্র আর গোলা-বারুদ নিয়ে আসে পুর্ব বাংলায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও পুর্ব বাংলার জনসাধারনকে উচিত শিক্ষা দেয়ার জন্য। সৈন্য,অস্ত্র,গোলা-বারুদ আসা শেষ হলে ২৪ মার্চ গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।
২৫ মার্চ মধ্যে রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। নিয়ে যাওয়া হয় করাচিতে। এদিকে পুর্ব বাংলার মানুষকে উচিত শিক্ষা দিতে রাতের কালো আধারে ঘুমন্ত মানুষের উপর শুরু করা হয় র্নিবিচারে গুলি বর্ষন। সে রাতে হাজার হাজার মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পুর্বে বিশেষ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার চুড়ান্ত ঘোষনা দেন। যা কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সরাসরি ঘোষনা করা হয়। শুরু হয় বাংলার মুক্তির সংগ্রাম।স্বাধীনতার সংগ্রাম।
পরের ইতিহাস,ন’মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। দু’লক্ষ মা-বোনের সম্ব্রমহানী। ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ। আমরা পাই লাল সবুজের রক্তিম  পতাকা। অর্জিত হয় বাংলার স্বাধীনতা।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ঈদ কালেকশন”।
অফিসে ঢোকার সাথেই সোহাগের হাতে এক'শো জনের নামের তালিকা ধরিয়ে দেন সভাপতি বীর বাহাদুর। বলেন,আগামী বুধবার থেকে কালেকশন শুরু করতে হবে। ঈদের বেশী দেরী নেই। আর বিলম্ব করা যাবেনা। সভাপতি ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ছকিনার স্বপ্ন ভঙ্গ”।
গ্রামে গঞ্জে ভিক্ষা করেন ছকিনা বেওয়া। বয়স তার ষাট পেরিয়েছে অনেক আগেই। স্বামীও মারা যাওয়ার প্রায় পনের বছর। হয়নি কোন বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা।দুই ছেলের সংসারে বউদের নাকানি-চুবানি খেয়েও ভালই ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “ভীটে পেল নন্দ”।
ভীটে মাটি নেই নন্দ লালের। অন্য মানুষের পুকুর পাড়ের এক কোনে ঝুপড়ি ঘর তুলে বসবাস করেন নন্দ। স্ত্রী ও তিন কন্যাকে নিয়ে গাদাগাদি করে অস্থাস্থ্যকর এক জীবন পার করছে সে। গত ...
READ MORE
“ভাষা”
"ভাষা"   ফয়েজ আহমেদ   বাংলা মোদের,মায়ের ভাষা বাংলা মোদের,হৃদয় আশা, বাংলা ভাষায় বলি কথা বাংলায় দেখি,স্বপ্ন আশা।   বাংলা ছিল,মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে,চাইলো ওরা, মুখে মোদের,চাইলো দিতে বসায় ওদের,নিজের ভাষা।   গর্জে উঠল,আমার ভাইরা বাংলা রবে,মোদের ভাষা, মিছিল-মিটিং,করছে তারা মানবো নাতো,ওদের কথা।   চলছে এবার,মিছিল মিটিং সামাল দেয়া,হয়েছে কঠিন, ছাত্র-জনতা,বেধেছে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা  “যুদ্ধ চাই”
যুদ্ধ চাই" -ফয়েজ আহমেদ যুদ্ধ চাই,ভৌগলিক রেখার নয় স্বাধীনতা চাই,সেই পতাকার নয়, সংগ্রাম চাই,রুখতে,অশুভ ব্যাধি আরেকটি যুদ্ধ চাই,করতে শুদ্ধির।   যুদ্ধ চাই আনতে,শুভ রাজনীতি অফিস-আদালত হবে,মুক্ত র্দূনীতি, সামাজিক স্তরে চাই,প্রকৃত সেবা যুদ্ধ চাই মোরা,সুশাসন প্রতিষ্ঠার।   যুদ্ধ চাই,আনতে মানবতার সুদিন গাইবে সবাই,মানবিক গান ...
READ MORE
“কবর পেল শাবনুর”
"কবর পেল শাবনুর"   -ফয়েজ আহমেদ।   মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে অঝোরে কাঁদতে থাকে আবুল হোসেন। একটি মাত্র মেয়ে তার। আর কোন ছেলে পুলে নেই। অভাবের তাড়নায় মেয়েটিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল আবুল হোসেন। মেয়েটিকে ...
READ MORE
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
"হাঁস বিড়ালে খাইছে" - ফয়েজ আহমেদ। (বর্তমান প্রেক্ষাপটের একটি ছোট গল্প) সেদিন ছিল সোমবার। ফকিরের হাট। সজিব হাটে গিয়ে হাস কিনবে। হাসের মাংস খুব প্রিয় সজিবের। বাজারের ব্যাগ নিয়ে মটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে হাটের ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “মানবতা’।
"মানবতা"   -ফয়েজ আহমেদ।     রাস্তায় একটা জটলা দেখা যাচ্ছে।এগিয়ে যায় সুমন। একটা লোক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। মনে হয় অজ্ঞান হয়ে গেছে। একজন বলে,লোকটা অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছিল। অজ্ঞান পার্টি আবার কি। জানেনা ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “ভালবাসি হয়নি বলা”।
"ভালবাসি হয়নি বলা" -ফয়েজ আহমেদ।   জবা তলায় বসে বাদাম খাচ্ছে রিপন।সে একাই বসে আছে।কিছুক্ষন আগে তার সহপাঠীরা চলে গেছে। আজ কলেজে আর কোন ক্লাস নেই। বাদাম খাওয়া শেষে রিপনও চলে যাবে। রিপনের ...
READ MORE
“আমি বাঙ্গালী”
"আমি বাঙ্গালী" -ফয়েজ আহমেদ   আমি বাঙ্গালী,বীর আমি,মহাবীর দুঃসাহসী নির্ভীক,মৃত্যুন্জয় আমি, ভয়,সেটা আবার কি?জানা নেইতো আমি বঙ্গবন্বুর জ্বালাময়ী ভাষন,কবিতা।   ৭মার্চের ঐতিহাসিক ডাক,নির্ভয়তা আমি আষাঢ়ের বজ্রপাত,আমি কঠিন বজ্রশক্তি, দুচোঁখে যুদ্ধের নেশা,আমি স্বাধীনতাকামী বিজয় ছিনিয়ে নেয়া, রক্তিম হতিহাস আমি।   মনে নেই একাত্তর,আমি তার ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ঈদ কালেকশন”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ছকিনার স্বপ্ন ভঙ্গ”।
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “ভীটে পেল নন্দ”।
“ভাষা”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “যুদ্ধ চাই”
“কবর পেল শাবনুর”
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “মানবতা’।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “ভালবাসি হয়নি বলা”।
“আমি বাঙ্গালী”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।