আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :

ফয়েজ আহমেদ এর ছোট “গল্প রেবেকার অজ্ঞামী”।

মায়ের শরীরটা ভাল নেই। অনেক ডাক্তার দেখানে হয়েছে। কিছুতেই সেরে উঠছেনা মায়ের শরীর। মায়ের শরীরের চিন্তায় ভাল নেই জিলানীর মন। সব সময় মায়ের সেরে ওঠা নিয়ে চিন্তায় মগ্ন থাকে জিলানী। জিলানীর বাবা নেই। বছর দু’য়েক হল তিনি গত হয়েছেন। তাই মাকে খুব যত্ন করেন জিলানী,খুব ভাল বাসেন। মায়ের কষ্ট জিলানীর বুকে তীরের মত বিদ্ধ হয়।

জিলানীর বউ রেবেকা খাতুন শ্বাশুড়ী মা আছমা বেগমকে খুব ভাল বাসেন। খুব যত্ন-আত্মি করেন শ্বাশুড়ী মায়ের। ভাল-মন্দ খাওয়া,সময় মতো ঔষধ-পত্র দেয়া,গা-গোসল করানো সব কাজ করেন রেবেকা। শ্বাশুড়ী নয় যেন নিজের মায়ের সেবা করে চলেছেন জিলানীর বউ। শহরের সব চেয়ে বড় ডাক্তার চিকিৎসা করছেন জিলানীর মায়ের।তবুও কিছুতেই সেরে উঠছেনা মায়ের অসুখ।
প্রায় ছ’মাস হল বিছানায় পরে আছেন জিলানীর মা। ডান হাত ও ডান পা কোন ভাবেই নাড়াতে পারেননা জিলানীর মা। কথাও বলতে পারেননা তিনি। অনেকে বলেছেন, মায়ের শরীরে বাতাস লেগেছে। ডাক্তার নয় ফকিরের চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু কান দেননি জিলানী। ফকিরিতে বিশ্বাস করেননা জিলানী। তাই শহরের বড় ডাক্তারের নিকট মায়ের চিকিৎসা করছেন। ডাক্তার বলেছেন, মা ভাল হয়ে যাবে,কিন্তু সময় লাগবে।
জিলানী’র মনটা আজ খুবই খারাপ। অফিসের কাজে তাকে এক সপ্তাহ কক্সবাজারে থাকতে হবে। কিন্তু অসুস্থ্য মাকে বাড়ীতে ফেলে কিছুতেই তার মনটা যেতে চাচ্ছেনা। অফিসের বসকে সে সব জানিয়েছে। কিন্তু কিছুই করার নেই। তাকেই যেতে হবে। চাকুরী বলে কথা। জিলানীর বউ অভয় দিয়ে বলেছে,তুমি যাও মায়ের জন্য তো আমি আছি। তার পরেও মন সায় দিচ্ছেনা জিলানীর। একটা অজানা শংকায় জিলানীর মনটা ভার হয়ে আছে।
জিলানী কক্সবাজার যাওয়ার আজ দু’দিন হল। এদিকে মায়ের শরীরটা একদম ভাল নেই। প্রতিবেশী অনেকে রেবেকাকে পরামর্শ দেয় জিলানীকে মায়ের শরীর খারাপের খবর দিতে। কিন্তু কিভাবে খবর দিবে সে? এমন খবর পেলেতো সে আরো চিন্তায় অস্থির হয়ে যাবে। প্রয়োজনে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে মায়ের কাছে ফিরে আসবে। কিছুতেই জিলানীকে আটকানো যাবেনা।
প্রতিবেশী হালিমা আপার কথায় শ্বাশুড়ী মাকে নিয়ে পাশ্বের গ্রামে এক ফকিরের বাড়ীতে যায় রেবেকা। হালিমা বলেছে,ওই ফকির এমন অনেক রোগীকে সুস্থ্য করে তুলেছেন। হালিমা আপা’র কথায় ভরসা করে এসেছে রেবেকা। ফকিরের বাড়ীতে অনেক লোকজনের সমাগম। রেবেকা খেয়াল করে দেখেন,তার শ্বাশুড়ী মায়ের মত আরো প্রায় ১০/১৫ জন রোগী ওই ফকিরের চিকিৎসা নিচ্ছেন। রোগীদের স্বজনদের সাথে কথা বলে রেবেকা অনেকটা নিশ্চিত হয়। তারা বলেছেন,এখানে চিকিৎসা নিয়ে তাদের রোগী এখন অনেকটা সুস্থ্য।
ফকির রহমান হুজুরের সাথে কথা বলেন,হালিমা আপা। রহমান হুজুর জানান,কুড়ি হাজার টাকা হলে তিনি রোগীকে সম্পুর্ন সুস্থ্য করে তুলবেন। আজ তাকে দিতে হবে দশ হাজার। বাকী দশ হাজার টাকা তিন দিন পরে দিতে হবে। ওই দিন তার চিকিৎসা শেষে রোগী হেটে বাড়ী যাবেন। রেবেকা শ্বাশুড়ীর সুস্থ্যতার জন্য ফকির রহমান হুজুরের কথায় রাজী হন। এছাড়া তার স্বামী জিলানী বাড়ী ফিরে দেখবেন তার মা সম্পুর্ন সুস্থ্য হয়ে হাটা-চলা করছেন। এর চেয়ে বড় পাওনা আর কি হতে পারে। রেবেকা তার স্বামী ও শ্বাশুড়ীর হাসি মাখা মুখ দেখতে চান।
রেবেকা বাড়ী থেকে আসার সময় দশ হাজার টাকা হাতে করে নিয়ে এসেছেন। জিলানী মায়ের ঔষধ-পত্র,ডাক্তারের ফি ও বিশেষ প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে ওই টাকা বাড়ীতে রেখে গেছেন। বাকী দশ হাজার টাকা রেবেকা তার গয়না বেঁচে জোগাড় করবেন। তবুও সে শ্বাশুড়ী মাকে সুস্থ্য করে তুলবেন। ফকির রহমান হুজুরের চিকিৎসা নিয়ে একে একে বিদায় নেয় সব রোগী। এবার ডাক পড়ে রেবেকার শ্বাশুড়ী মায়ের।
ফকির রহমান হুজুর রেবেকা’র শ্বাশুড়ী মাকে বাড়ীর ভিতরে নিয়ে যান। সাথে যান রেবেকা ও হালিমা আপা। বাড়ীর ভিতরে একটা গর্তে রেবেকার শ্বাশুড়ীকে নামানো হয়। রেবেকার শ্বাশুড়ীর শুধু মাত্র গলা ও মাথাটা বাইরে রেখে গর্তটা মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়া হয়। এমন কান্ড দেখে ভয়ে চিৎকার করে ওঠেন রেবেকা। শ্বান্তনা দেন হালিমা আপা। বলেন,এ হুজুরের এটাই চিকিৎসা পদ্ধতি,দেখ তোমার শ্বাশুড়ী ভাল হয়ে যাবেন। মনটা মানতে চায়না রেবেকার। তবুও শ্বাশুড়ীর সুস্থ্যতার কথা ভেবে চুপ থাকেন রেবেকা।
শ্বাশুড়ী মায়ের গোঙ্গানীর শব্দে রেবেকার মনটা ব্যাকুল হয়ে ওঠে। সে অঝোরে কাঁদতে থাকেন। প্রায় এক ঘন্টা পার হল,হালিমা আপা বলেছেন,দু’ঘন্টা তার শ্বাশুড়ীকে এভাবে গর্তে রাখা হবে। শ্বাশুড়ী মায়ের চোঁখ দিয়ে অঝোড়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। তিনি কাঁদছেন আর গোঙ্গাচ্ছেন। শক্ত মাটির চাপায় তিনি কোন ভাবেই নড়া-চড়া করতে পারছেন না।শ্বাশুড়ী মায়ের কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছে রেবেকার। কিন্তু তিনি কিছুই বলতে পারছেন না,চিকিৎসা বলে কথা।
প্রায় দু’ঘন্টা পরে মাটি সড়িয়ে তোলা হল রেবেকার শ্বাশুড়ীকে। গোসল করানোর পর ফকির এক’বোতল তেল ও এক বোতল পড়া পানি ধরিযে দিল রেবেকার হাতে। ফকির রহমান হুজুর আরো কিছু ঝাড়-ফুক দিয়ে রেবেকাকে জানাল পুর্বের ডাক্তারের ঔষধ আর কোন ভাবেই খাওয়ানো যাবে না। এই তেল দিনে তিনবার হাত-পায়ে ম্যাসেস ও মাথায় লাগাতে হবে। আর বোতলের পানি প্রতিদিন সকাল ও রাতে খাওয়াতে হবে। রেবেকা ফকির রহমান হুজুরের সব কথা শুনে শ্বাশুড়ী মাকে নিয়ে হালিমা আপাসহ বাড়ীতে ফিরে আসেন।
আজ তিন দিন হল ফকির রহমান হুজুরের তেল যত্ন করে শ্বাশুড়ী মায়ের শরীরে ম্যাসেস করছেন রেবেকা। খাওয়াচ্ছেন পড়া পানি। কিন্তু শ্বাশুড়ীর শরীর ভাল না হয়ে আরো অবনতির দিকে যাচ্ছে। হালিমা আপাকে ডেকে সব বলেন,রেবেকা। হালিমা আপা আবার শ্বান্তনা দেন। বলেন,অসুবিধা নেই,তোমার শ্বাশুড়ী ভাল হয়ে যাবেন। হালিমা আপা আরও বলেন,বাকী টাকা কি জোগাড় হয়েছে। রেবেকা হালিমা আপাকে জানান,আজ সকালে গহনা বেঁচে তিনি টাকা জোগাড় করেছেন।
হালিমা আপাকে সাথে নিয়ে আবারও শ্বাশুড়ীর চিকিৎসার জন্য ফকির রহমান হুজুরের বাড়ীতে যান রেবেকা। গহনা বিক্রির দশ হাজার টাকা তুলে দেন তার হাতে। ফকির রহমান হুজুরকে জিগান,তার শ্বাশুড়ী আজ হেটে বাড়ী যেতে পারবেনতো। রহমান হুজুর অভয় দেন,বলেন,আজ আপনার শ্বাশুড়ী অবশ্যই ভাল হয়ে যাবেন। হালিমা আপাও সাহস দেন,বলেন,দেখ আজ তোমার শ্বাশুড়ী ভাল হয়ে যাবে। ফকির রহমান হুজুর আবারো পুর্ব থেকে করে রাখা ওই গর্তে নামান রেবেকার শ্বাশুড়ীকে। তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা শক্ত করে মাটি চাপা দেন। রেবেকার শ্বাশুড়ীর শুধু মাথা বেরিয়ে থাকে মাটি থেকে।
রেবেকার শ্বাশুড়ীকে গর্তে ঢোকানোর প্রায় দেড় ঘন্টা হয়ে গেছে। ফকির রহমান হুজুর মাটি থেকে বের হয়ে থাকা মাথার সামনে বসে কি যেন আওড়াচ্ছেন আর মাঝে মধ্যে মাথা ও মুখে ফুঁ দিচ্ছেন। কখনও চোঁখে-মুখে ছিটাচ্ছেন পানি। রেবেকা খেয়াল করে দেখেন,তার শ্বাশুড়ীর চোঁখ দু’টো ও মুখ কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। চোঁখ ও মুখে নেই কোন জোত্যি। রেবেকার বুকটা মোচর দিয়ে ওঠে। হালিমা আপাকে সে শ্বাশুড়ীর এমন চেহারার কথা জিজ্ঞাসা করেন। হালিমা আপা বলেন,ভয় নেই, উনি ভাল হয়ে উঠবেন।
প্রায় দু’ঘন্টা হয়ে গেছে। ফকির রহমান হুজুর জোরে জোরে মুখ নাড়াচ্ছেন,আর ঘন ঘন রেবেকার শ্বাশুড়ীর মুখে পানি ছিটাচ্ছেন। রেবেকা ভাল করে খেয়াল করে দেখেন,তার শ্বাশুড়ীর চোঁখে- মুখে পানি পড়ার পরেও মুখ নাড়াচ্ছেননা। রেবেকা ভয় পেয়ে যান। কই কিছুক্ষন আগেও তো পানি ছেটানোর সময় তার শ্বাশুড়ী গোঙ্গাাচ্ছিল,চোঁখ-মুখ ঘোরাচ্ছিল। কিন্তু এখন কি হল? রেবেকা চিৎকার করে ওঠেন। ব্যাপারটা বুঝতে পারেন,ফকির রহমান হুজুর। তিনি রেবেকাকে বলেন,বদ হাওয়া শরীর থেকে বের হয়ে গেছে। তাই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন। চিন্তার কিছু নেই। তোমার শ্বাশুড়ী ভাল হয়ে গেছেন।
ফকির রহমান হুজুরের সাঙ্গ-পাঙ্গরা মাটি সরিয়ে তুলে আনেন রেবেকার অচেতন শ্বাশুড়ীকে। শুইয়ে দেয়া হয় একটি মাদুরের উপর। রেবেকা পাশে বসে শ্বাশুড়ীর শরীরে হাত দেন। একি,পুরো শরীরতো হিম ঠান্ডা। রেবেকা শ্বাশুড়ীর হাতের পালস্ দেখেন। নাহ্ কোন পালস্ নেই। রেবেকা চিৎকার করে ডুকরে কেঁদে ওঠেন। তার কান্নার আহাজারিতে আশে-পাশের লোকজন সমবেত হয়। এসময় ফকির রহমান হুজুর বলেন,আপনি শ্বান্ত হন,আপনার শ্বাশুড়ীর শরীর থেকে বদ হাওয়া বিদায় নিয়েছে। উনি এখন সম্পুন্ন সুস্থ্য,জ্ঞান ফিরলেই হাটা-চলা করতে পারবেন।
সমবেত লোকজন রহমান হুজুরের এমন কথার প্রতিবাদ করেন। তারা বলেন,আপনার ভন্ডামী কথা রাখেন। রোগীতো মারা গেছেন। লোকজনের এমন কথায় আরো ভেঙ্গে পড়েন রেবেকা। সে এখন শুধু হাউ-মাউ করে কাঁদছেন। রেবেকার কান্নার আওয়াজে ভারী হয়ে যায় আকাশ-বাতাস। সে শুধু বিলাপ করছে, তার স্বামীকে সে কি জবাব দিবেন। মাদুরের উপর রেবেকার শ্বাশুড়ীর মাটি মাখা নিথর দেহ পড়ে আছে। রেবেকার কান্নায় কাঁদছে সমবেত সকলে।
মহুর্তেই রেবেকার শ্বাশুড়ীর মৃত্যুর ঘটনাটি চাউর হয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশ। রেবেকা পুলিশকে সব ঘটনা খুলে বলেন। পুলিশ সাঙ্গ-পাঙ্গসহ ফকির রহমান হুজুর ও হালিমা আপাকে গ্রেফতার করেন এবং মরদেহ পোষ্টমর্টেম এর জন্য পাঠান জেলা সদরে।এদিকে খবর পেয়ে কক্সবাজার থেকে ফিরে আসেন জিলানী। সে পুলিশের কাছে সব কিছু জানতে পারেন। মায়ের জন্য জিলানীর বুকটা ফেটে যায়। সে তার বউয়ের অজ্ঞামী কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা।
Related Posts
“করোনা প্রস্হান”
"করোনা প্রস্হান" -ফয়েজ আহমেদ করোনা মহামারী,কাদছে বিশ্ব,কাদছে মানবতা ধ্বংশ অর্থনীতি,চলছে মানবতার আহাজারী, আক্রান্ত মানুষ মরছে যত্ত দেশ আর বিদেশে বিপন্ন সমাজ,খাদ্য সংকট,চলছে বিশ্ব জুড়ে।   বৈশ্বিক এমন মহামারী আগেও ছিল জানি এবার সে ধরছে চেপে, তামাম পৃথিবী লাশের মিছিল ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন ...
READ MORE
“করোনা জয়”
"করোনা জয়" -ফয়েজ আহমেদ   করোনা,ভয় নয়,দরকার সচেতনতা ধুলে হাত বারবার,ঘটবে না সর্বনাশ ভয় পেলে হবে না,থাকতে হবে ঘরে সামাজিক দুরত্ব মানব,ঘরের বাইরে এলে।   করোনা,ও কারো না,রাজাকেও ছাড়ে না। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কুপোকাত,নয় অজানা, আপনি-আমি কি,কাদছে ক্ষমতাধর ট্রাম্প বাচঁবে কি মানুষ,ঘুচবে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট একটি প্রেমের গল্প “রাজ যোটক”
"রাজ যোটক"                          -ফয়েজ আহমেদ।                (ছোট একটি প্রেমের গল্প) বিকালের ফ্লাইটে সৈয়দপুর আসছে পল্লবী। খবরটা শুনে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”বিধি বাম”।
ভালবেসে নাজমীনকে বিয়ে করেছিল তুহিন। ক'দিন আগে নাজমীন আর তুহিনের বিয়ের দশ বছর পুর্ণ হয়েছে। জাকজমক ভাবে বিয়ের দশ বছর পূর্তি করেছেন তারা।  সংসার জীবনে তাদের কোন অর্পূন্নতা নেই। শুধু ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প “রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা”
"রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা"   ( করোনা কালের একটি ছোট গল্প )   -ফয়েজ আহমেদ।   রহিমুদ্দিনের চোঁখ দিয়ে নিরবে পানি ঝড়ছে। একটা বোবা কান্না তার বুক চিড়ে বেরিয়ে আসতে চায়। কিন্তু সে কাদতে পারছেনা। রাত ৩ টা ...
READ MORE
“পক্ষ”
"পক্ষ" -ফয়েজ আহমেদ   ঘটনাস্হল খাতামধুপুর,রাজনীতি সৈয়দপুরে এমনভাবে চলতে থাকলে,ক্ষতি সবার হবে, দুইটা পক্ষ দুই দিকে,রাজনীতি করছে জানি স্বচ্ছ রাজনীতি চাই মোরা,নয় অপরাজনীতি।   দড়ি ধরে টানাটানি,করছে দুই প্রভাবশালী সত্য মিথ্যার চলছে লড়াই,জানি সবাই জানি, দোষী কিনা যাছাই করা,নয়তো কারো ...
READ MORE
“কবর পেল শাবনুর”
"কবর পেল শাবনুর"   -ফয়েজ আহমেদ।   মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে অঝোরে কাঁদতে থাকে আবুল হোসেন। একটি মাত্র মেয়ে তার। আর কোন ছেলে পুলে নেই। অভাবের তাড়নায় মেয়েটিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল আবুল হোসেন। মেয়েটিকে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প””তিরস্কার”।
বৃদ্ধা শ্বাশুড়ী আর ছয় মাসের শিশু পুত্র নিয়ে খুব খাদ্য সংকটে আছে রহিমা বেওয়া। বাঁচ্চাটা শরীরে আসার তিনমাস পর মারা যায় রহিমার স্বামী কুবের আলী। স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বাশুড়ী পোনা মাই ...
READ MORE
ছোট গল্প “কুলাঙ্গার”।
"কুলাঙ্গার"     -ফয়েজ আহমেদ।   বাঁচ্চাটা কাঁদছে। খেতে চাচ্ছে। একটু মুড়ি ছিল তা এগিয়ে দেয় জরিনা। বাঁচ্চাটা মুড়ি খাবেনা। মুড়ির বাটি হাত দিয়ে সরিয়ে দেয়। বলে মুড়ি খাব না। সে মায়ের কাছে ভাত চায়। ...
READ MORE
“করোনা প্রস্হান”
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
“করোনা জয়”
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট একটি প্রেমের গল্প “রাজ যোটক”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”বিধি বাম”।
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প “রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা”
“পক্ষ”
“কবর পেল শাবনুর”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প””তিরস্কার”।
ছোট গল্প “কুলাঙ্গার”।
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।