আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।

শুধু গ্রামে নয়,আশে পাশের আরো দশ গ্রামে আবিরের নাম প্রচার হয়ে গেছে। দশ গ্রামের লোক আজ আবিরকে আলাদা চোঁখে দেখছেন। তাকে সমীহ করছেন,ভালবেসে আবির ভাই বলে সম্বোধন করছেন। আবির আজ মনে মনে বেশ খুশী। তার মনে হচ্ছে, সে আজ বিশ্ব জয় করে ফেলেছেন। হুজুর নিজেই বয়ানের ফাঁকে তার নাম বলেছেন। আরো বলেছেন, হুজুর তিন দিন তার বাড়ীতে থাকবেন। কারো কোন প্রয়োজন হলে আবিরের সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন। বয়ানে তার নাম এভাবে বলায় সম্মান বেড়ে গেছে আবিরের।

 

আজকের অনুষ্ঠানে শুধু দশ গ্রাম নয়,আরো অনেক দুর দুরান্ত থেকে লোকজন বয়ান শুনতে এসেছেন। কদর হুজুর বলে কথা। গোটা দেশে এই কদর হুজুরের নাম ছড়িয়ে পড়েছে। কদর হুজুর কোথাও বয়ানে গেলে সেখানে লোকে লোকারন্য হয়ে পড়ে। মানুষকে জায়গা দিতে হিমসিম খেতে হয়। সেই কদর হুজুর আজ তার এলাকায় বয়ান দেয়ার সময় আবিরের খুব প্রশংসা করেছেন। আরো বলেছেন,হুজুর আবিরের বাড়ীতে তিন দিন যাত্রা বিরতি করবেন। সেখানেই থাকবেন আর বিশ্রাম নিবেন।

 

কদর হুজুরের বয়ানে আবিরের নামে এমন প্রশংসাায় অবিভূত হয়ে পরেন আবির। একই সাথে আবির ভাবছেন,কই কদর হুজুর আমার বাড়িতে রাত্রি যাপন করবেন,এমন কথাতো তিনি আমাকে আগে বলেননি। বয়ান অনুষ্ঠানে আসার সাথে সাথেই তো আবিরের সাথে দেখা হল কদর হুজুরের। কিন্তু তখন তিনিতো এমন কথা বলেননি, আবির আমি ক’দিন তোর বাড়িতে থাকব। তাহলে তিনি সরাসরি বয়ানে বললেন কেন? আবির ভাবছেন,যাক তখন বলেননি তো কি হয়েছে? বয়ানের সময়তো বলেছেন। তাছাড়া এমন একজন ব্যক্তি আমার বাড়ীতে থাকবেন,এটাতো অত্যান্ত খুশীর খবর।

 

ঢাকায় একটি মাদ্রাসায় পড়ার সময় কদর হুজুরের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে আবিরের। দু’জন একই সাথে চলাফেরা করেছেন অনেক দিন। এমনকি আবিরের বিয়ের বর যাত্রীও ছিলেন কদর হুজুর। পরে আবির বউ নিয়ে গ্রামে আসার পর থেকে তেমন একটা যোগাযোগ নেই। এদিকে আবির জানতে পারে,কদর হুজুর এখন দেশ সেরা,ভাল বক্তা। দেশ ব্যাপি তার নাম,যশ,খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে। সেই কদর হুজুর অনেক দিন পর তার এলাকায় এসেছেন,বয়ান করতে। খবরটা পেয়ে আবির দেখা করেছেন। বলেছেন,এই গ্রামে সে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।

 

ভোর রাতে বয়ান অনুষ্ঠান শেষ হয়। কদর হুজুরের বয়ানে প্রশংসায় ভাসছেন মানুষ। সকালের দিকে কদর হুজুরকে নিয়ে বাসায় ফিরেন আবির। হাল্কা নাস্তা করে কদর হুজুর ঘুমাতে যান। আবিরের বউ তাহেরা খুব উদার ও ভাল মনের মানুষ। সে কদর হুজুরের যত্ন-আত্তীর কোন ত্রুটি করেননি। তাছাড়া এমন একজন হুজুরের খেদমত করতে পারাও ভাগ্য’র। কদর হুজুর নিঃশ্চিন্তায় ঘুমাচ্ছেন। তিনিতো তার এক সময়ের রুমমেট বন্ধু’র বাড়ীতেই আছেন। এদিকে সকাল দশ’টার পর থেকে দলে দলে লোকজন আসছেন,কদর হুজুরের সাক্ষাৎ পেতে।

 

কদর হুজুর এলাকার লোকজনকে সাক্ষাৎ দিচ্ছেন। দলকা দল লোক কদর হুজুরের সাক্ষাৎ পেতে সকাল থেকে রাত অবধী আবিরের বাড়ীতে যাতায়াত করছেন। এদিকে আবিরের বউ তাহেরা কদর হুজুর ও তার সাক্ষাৎ প্রার্থীদের চা-নাস্তা দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলে আবিরের বাড়ীতে যেন এক জমজমাট ঈদ সমাগম লেগে আছে। আবিরের মনে তাই আনন্দ ধরেনা। তাছাড়া গ্রামের দশ সমাজ তাকে মান্যি-গন্যি করছেন। কদর হুজুর বাড়ীতে আসায় তাই নিজেকে ধন্যি মনে করছেন আবির।

 

আজ তিন দিন হল কদর হুজুর আবিরের বাড়ীতে আছেন। আজ রাতের ট্রেনে কদর হুজুর চলে যাবেন। মনটা বিষন্নতায় ভরে আছে আবিরের। এদিকে কদর হুজুর চলে যাবেন শুনে বউটারও মনটা যেন ভাল নেই। এত বড় একজন নামী-গুনি বক্তা। তিনি আবিরের বাড়ীতে তিন দিন ধরে আছেন,আর আজ চলে যাচ্ছেন,তাই এক প্রকার মায়া পড়ে গেছে বউটারও। বাড়ী থেকে রেল স্টেশন খুব বেশী দুরে নয়। তার পরেও রাত ন’টার দিকে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে পড়েন কদর হুজুর।

 

রেল স্টশনে শত শত মানুষের ভীর। কদর হুজুরের ভক্তরা এসেছেন বিদায় জানাতে। রেল স্টেশন হয়ে উঠেছে এক বিদায় অনুষ্ঠানের মহামঞ্চে। ইতিমধ্যে ট্রেন চলে এসেছে। সবাই ভারাক্রান্ত মনে কদর হুজুরকে ট্রেনে উঠিয়ে দেন।কদর হুজুরের আগন্তক সকল ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করে বাড়ীতে ফিরে আসেন আবির।তার মনে আজ যেন, এক প্রিয় বন্ধুর বেদনা বিধুর বিদায় কষ্টে ভরা। আবির বউয়ের সাথে ভাল-মন্দ কথা বলে ঘুমিয়ে পড়েন।

 

আজ প্রায় এক সপ্তাহ অতীত হল। কদর হুজুর তিন দিন আবিরের বাড়ীতে থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেছেন। কিন্তু কদর হুজুর যাওয়ার পর থেকে আবিরের বউটার সংসারে কোন মনোযোগ নেই। আবিরের সাথেও তেমন একটা কথা বলেন না। কোন কিছু জিজ্ঞেস করলে উত্তর দেন না। আবিরের মনটা অজানা একটা শংকায় কাপতে থাকে। কিন্তু কি সেই শংকা ভেবে পায়না আবির। তার শুধু মনে হয় ওমন একটা দেশ বরেন্য মানুষ তার বাড়ীতে থেকে চলে যাওয়ায় হয়তো বউটা কষ্ট পেয়েছে। কিন্তু কেন? তিনিতো আজীবন তার বাড়ীতে থাকতে আসেন নাই। তাহলে? ভেবে পায় না আবির।

 

আবির আজ ব্যবসায়ীক জরুরী কাজে শহরের বাইরে যাবেন। ফিরবেন দু’দিন পর। বউটাকে ডেকে সব খুলে বলেন আবির। বউ কোন জবাব দেয়না। মনটা খুব খারাপ হয়ে যায় আবিরের। কই তার বউটা আগেতো এমন ছিলনা। তাহলে এখন এমন হল কেন ? হিসেব মেলেনা আবিরের। কি আর করা। বউয়ের হাতে কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে বেরিয়ে পরেন আবির। যদিও আবিরের যাওয়ার কোন ইচ্ছে নেই। মনটা কোন ভাবে সায় দিচ্ছেনা। তার পরেও ব্যবসা বলে কথা। আবিরকে যেতেই হবে।

 

ব্যবসায়ীক কাজ শেষ করে দু’দিন পর বাড়ীতে ফিরে এসেছেন আবির।কিন্তু একি ? কি দেখছে আবির ? তার বাড়ীর মুল ফটকে তালা কেন? বাড়ীর দরজায়তো তালা থাকার কথা নয়। কিছুই ভেবে পায়না আবির। এমন সময় পাশের বাড়ীর খালা হাতে চাবী ধরিয়ে দিয়ে বলেন,তোর বউ বাপের বাড়ী গেছে। তোর শ্বশুড় নাকি হঠাৎ অসুস্থ্য। কথাটা বিশ্বাস হয়না আবিরের। সে আজ সকালেই তার শ্বশুড়ের সাথে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি সম্পুর্ন সুস্থ্য আছেন। কিন্তু সে পাশের বাড়ীর খালাকে বলেন ও আচ্ছা,ঠিক আছে।

 

আবির ঘরে ঢুকে দেখেন,তার বউ তাহেরা তার কাপর-পত্র সব নিয়ে গেছেন। আবিরের মনে অজানা শংকাটা আরো প্রবল হয়ে ওঠে। সে পকেট থেকে মোবাইল ফোনটা বের করে তাহেরাকে ফোন দেন। তাহেরা ফোন রিসিভ করে বলেন,কি বলবে বল। আবির বলে,তুমি আমাকে না জানিয়ে বাপের বাড়ী গেলে কেন? তাহেরা জবাবে বলেন,আমি আর তোমার সংসার করবনা,তাই চলে এসেছি। তুমি আর কখনও আমাকে ফোন করবে না। আবির তাহেরার কথার কোন মানে খুজে পায়না। সে শুধু বলে,আমার অপরাধ কি? কেন তুমি আমার সংসার করবেনা। তাহেরা জবাবে বলে,কোন অপরাধ বা দোষ-গুনের বিষয় নয়। আমি আর তোমার সংসার করবনা,ব্যাস বলে ফোনের লাইনটা কেটে দেন।

 

আবিরের বউ বিনা কারনে আবিরকে ছেড়ে চলে যাওয়ার আজ সাত দিন। আবির লোক-লজ্জার ভয়ে এখনও কাউকে কিছু বলেননি। সবাই জানে বাবা অসুস্থ্য তাই বাপের বাড়ীতে গেছেন। আবিরও ভাবছে,হয়ত কোন কারনে রাগ হয়েছে বা মনে কষ্ট পেয়েছে তাই চলে গেছে। রাগ কমলে ঠিক চলে আসবে। তাছাড়া তাদের দু’জনের মধ্যে ভালবাসারতো কোন ঘাটতি ছিলনা। তাহেরা অবশ্যই ফিরে আসবে। তাহেরা তাকে ছেড়ে কোন ভাবেই বাপের বাড়ীতে থাকতে পারবেনা। আবির মনের মধ্যে একটা শ্বান্তনা খুজেন এবয় খবর দেখার জন্য টিভিটা অন করেন।

 

আবির টিভিটা অন করতেই দেখতে পান কদর হুজুরকে। আরে এতো কদর হুজুর। লোকজন কদর হুজুরকে টানাটানি করছেন কেন ? এত বড় একজন মানুষ,দেশ বরেণ্য একজন বক্তা। তাকে টানাহেচড়া করছেন। কিছু বুঝতে পারেনা আবির। ঘটনা কি জানতে ও বুঝতে চেষ্টা করেন। এমন সময় আবির দেখতে পান,কদর হুজুরের পাশে একজন বোরকা পরিহিত মহিলা। যাকে নিয়ে তিনি একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছেন। আবির খেয়াল করে দেখেন,বোরকা পরিহিত ওই মহিলা আর কেউ নয়। এযে তাহেরা। তারই স্ত্রী।

 

একটা হোচট খান আবির। না, এ কি ভাবে সম্ভব? তার স্ত্রী তাহেরাতো বাপের বাড়ীতে গেছেন। সে কদর হুজুরের সাথে হোটলে যাবেন কি করে? এটা তাহেরা হতে পারেনা ? ঘটনাটি আরো ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করেন আবির। এমন সময় কদর হুজুর পাবলিকের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,ওই মহিলা তার বন্ধু আবিরের স্ত্রী তাহেরা। আবিরের সাথে তার তালাক হয়েছে এবং মানবিক কারনে তিনি তাহেরাকে বিয়ে করেছেন। টিভিতে কদর হুজুরের এমন কথা শুনে ঘাবড়ে যান আবির। একি শুনছেন তিনি ? কদর হুজুর এমন মিথ্যা কথা বলতে পারেন ? আবিরের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। সে শুধু ভাবতে থাকে কদর হুজুরের মত মানুষও এমন হয় ! পর স্ত্রীকে নিয়ে আবাসিক হোটেলে যান ! আবির এবার বুঝতে পারেন কেন তার বউ তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। আবির ভাবে তাহলে কদর হুজুর ওই তিন দিনে তার বউকে করায়ত্ত্ব করে ফেলেছেন।

 

আবিরের মাথা আর কাজ করেনা। সে আর শুনতে পারছেনা। টিভিটা সে বন্ধ করবে। এমন সময় আবির দেখতে পায় ওই হোটেলে পুলিশ ঢুকছেন। আবির পরবর্তী ঘটনা জানতে টিভিতে চোঁখ রাখেন,দেখেন কদর হুজুর আবারও পুলিশকে বলছেন,তাহেরা তার দ্বিতীয় স্ত্রী। মানবিক কারনে তার বন্ধু আবিরের ডিভোর্সী স্ত্রী তাহেরাকে বিবাহ করেছেন এবং বউকে নিয়ে সময় কাটাতে এই আবাসিক হোটেলে উঠেছেন। তাহেরাও পুলিশকে বলছেন,তারা স্বামী-স্ত্রী। কদর হুজুরের কান্ড দেখে এবার ঘৃনায় জ্বলে যান আবির। সে ভন্ড,ইসলাম বরোধী, মিথ্যাবাদী,মুনাফেক,বন্ধু নামের কলঙ্ক ওই কদর হুজুরকে মন থেকে ধিক্কার জানান এবং টিভিটা বন্ধ করে দেন। 

Related Posts
ফয়েজ আহমেদ’র এর গল্প “অসম প্রেম পরিনতি”
মাসুদ পার্কে বসে আছে। রীতা মাসুদকে জরুরী ভাবে এখানে আসতে বলেছে। আজ রীতা আর মাসুদের ভালবাসার পরিনতির ফায়সালা হবে।  চুড়ান্ত বোঝা-পড়া হবে।ভালবাসা নিয়ে টানপোড়েন নিষ্পতি করবে ওরা। ক'দিন থেকে রীতা ...
READ MORE
“করোনা প্রস্হান”
"করোনা প্রস্হান" -ফয়েজ আহমেদ করোনা মহামারী,কাদছে বিশ্ব,কাদছে মানবতা ধ্বংশ অর্থনীতি,চলছে মানবতার আহাজারী, আক্রান্ত মানুষ মরছে যত্ত দেশ আর বিদেশে বিপন্ন সমাজ,খাদ্য সংকট,চলছে বিশ্ব জুড়ে।   বৈশ্বিক এমন মহামারী আগেও ছিল জানি এবার সে ধরছে চেপে, তামাম পৃথিবী লাশের মিছিল ...
READ MORE
“স্বাধীনতার রুপকার”
"স্বাধীনতার রুপকার" -ফয়েজ আহমেদ।   বাংলাদেশ একদিন স্বাধীন ছিলনা। ছিল পরাধীন। নাম ছিল পুর্ব পাকিস্থান। ইংরেজ শাসনের অবসানের পর ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দু'টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। একটি ভারত ও অপরটি পাকিস্থান। পাকিস্থান ...
READ MORE
“আমি বাঙ্গালী”
"আমি বাঙ্গালী" -ফয়েজ আহমেদ   আমি বাঙ্গালী,বীর আমি,মহাবীর দুঃসাহসী নির্ভীক,মৃত্যুন্জয় আমি, ভয়,সেটা আবার কি?জানা নেইতো আমি বঙ্গবন্বুর জ্বালাময়ী ভাষন,কবিতা।   ৭মার্চের ঐতিহাসিক ডাক,নির্ভয়তা আমি আষাঢ়ের বজ্রপাত,আমি কঠিন বজ্রশক্তি, দুচোঁখে যুদ্ধের নেশা,আমি স্বাধীনতাকামী বিজয় ছিনিয়ে নেয়া, রক্তিম হতিহাস আমি।   মনে নেই একাত্তর,আমি তার ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
মাথা ভর্ত্তি একরাশ চিন্তা নিয়ে শহরের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয় রফিক। বাড়িতে কোন টাকা নেই। বাজার যা আছে দু'এক দিনে শেষ হয়ে যাবে। এদিকে এখন তার পকেটে আছে মাত্র পঞ্চাস টাকা। ...
READ MORE
“পুর্বসুরী”
পুর্বসুরী"   ফয়েজ আহমেদ   পলাশীর প্রান্তর,একটি যুদ্ধ যুদ্ধ নয়,এক প্রহসন,চাতুরতা, মীর জাফরের প্রতারনা,লোভ দুশো বছর,পরাধীনতার গ্লানী।   ক্লাইভ চাল,বেঈমানী,স্বার্থপরতা নবাব সিরাজ,বাংলার স্বর্কীয়তা, স্বাধীনতার রক্তিম সুর্য, অস্তমিত স্বার্থক মীর জাফর, অভিপ্রায়।   যুদ্ধ হয়নি, খন্ড নাটক মঞ্চায়ন মোহন লাল,ঊর্মি চাদ কুপোকাত, সম্ভব হয়নি,বেঈমান সেনাপতি প্রতারনা,বাংলা শাসন হারায়।   পলাশী ...
READ MORE
“কবর পেল শাবনুর”
"কবর পেল শাবনুর"   -ফয়েজ আহমেদ।   মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে অঝোরে কাঁদতে থাকে আবুল হোসেন। একটি মাত্র মেয়ে তার। আর কোন ছেলে পুলে নেই। অভাবের তাড়নায় মেয়েটিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল আবুল হোসেন। মেয়েটিকে ...
READ MORE
“করোনা জয়”
"করোনা জয়" -ফয়েজ আহমেদ   করোনা,ভয় নয়,দরকার সচেতনতা ধুলে হাত বারবার,ঘটবে না সর্বনাশ ভয় পেলে হবে না,থাকতে হবে ঘরে সামাজিক দুরত্ব মানব,ঘরের বাইরে এলে।   করোনা,ও কারো না,রাজাকেও ছাড়ে না। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কুপোকাত,নয় অজানা, আপনি-আমি কি,কাদছে ক্ষমতাধর ট্রাম্প বাচঁবে কি মানুষ,ঘুচবে ...
READ MORE
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
"হাঁস বিড়ালে খাইছে" - ফয়েজ আহমেদ। (বর্তমান প্রেক্ষাপটের একটি ছোট গল্প) সেদিন ছিল সোমবার। ফকিরের হাট। সজিব হাটে গিয়ে হাস কিনবে। হাসের মাংস খুব প্রিয় সজিবের। বাজারের ব্যাগ নিয়ে মটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে হাটের ...
READ MORE
“পক্ষ”
"পক্ষ" -ফয়েজ আহমেদ   ঘটনাস্হল খাতামধুপুর,রাজনীতি সৈয়দপুরে এমনভাবে চলতে থাকলে,ক্ষতি সবার হবে, দুইটা পক্ষ দুই দিকে,রাজনীতি করছে জানি স্বচ্ছ রাজনীতি চাই মোরা,নয় অপরাজনীতি।   দড়ি ধরে টানাটানি,করছে দুই প্রভাবশালী সত্য মিথ্যার চলছে লড়াই,জানি সবাই জানি, দোষী কিনা যাছাই করা,নয়তো কারো ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র এর গল্প “অসম প্রেম পরিনতি”
“করোনা প্রস্হান”
“স্বাধীনতার রুপকার”
“আমি বাঙ্গালী”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
“পুর্বসুরী”
“কবর পেল শাবনুর”
“করোনা জয়”
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
“পক্ষ”

Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।