আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» আ’লীগ থেকে বহিষ্কৃত হেলেনা জাহাঙ্গীর গ্রেফতার। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতি মোখছেদুল মোমিনের ফ্রি অক্সিজেন সেবা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। «» সৈয়দপুরে দন্ডের টাকা পরিশোধ না করে পুলিশ কর্মকতাকে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়ের। «» সৈয়দপুরে পুলিশ কর্মকতাকে পেটালেন ভূমি দস্যুর ছেলে বখাটে আতিফ। «» ব্যাটারী চালিত রিক্সা ও ভ্যান বন্ধের সিন্ধান্ত-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। । «» দেশে কোন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার থাকবেনা-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। «» প্রবীন রাজনীতিক শমসের আলী বসুনিয়া আর নেই। «» সৈয়দপুরে চোরাই মটরসাইকেল উদ্ধার,২ জন আটক। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় কমিটি গঠন ও সংবাদ সম্মেলন। «» সৈয়দপুরে গণমানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় চির বিদায় নিলেন ডাঃ সুরত আলী বাবু।

ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।

তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন বিধান নিয়ে হুজুর ওযাজ-নসিহত করবেন এমনটাই নিয়ম। তাছাড়া ফরিদ ইতিপুর্বে যত মাহফিলে গেছেন,সব খানেই ইসলামী জীবন বিধান,নামায,রোজা,হজ্ব,যাকাত পর্দা,হালাল-হারাম ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুনেছেন। কিন্তু আজকের মত রাজনৈতিক ও উগ্র মেজাজ নিয়ে কোন মাহফিলে বক্তাকে বক্তৃতা করতে দেখেননি। ফরিদ এই বক্তার বক্তৃতার কোন মানে খুজে পান না।

আশাহত ভঙ্গুর মন নিয়ে ফিরে আসছেন ফরিদ। তার মনটা আজ খুবই ব্যাকুল। ফরিদ দেশের ভবিষ্যত অন্ধকার দেখছেন। তার শুধু মনে হচ্ছে,আলেমদের এমন বক্তৃতা অব্যাহত থাকলে দেশটা অনেক পিছিয়ে যাবে। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা’র সৃষ্টি হবে। ফরিদ মনে মনে ভাবেন, এ দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলছেন কতিপয় আলেম। ওই আলেমগণ দেশের মঙ্গল চান না, তারা নিজেদের ইমেজ ও মুসলমানের ধর্মীয় আবেগ নিয়ে খেলতে পছন্দ করেন। ফরিদের মনে পড়ে হযরত সুহাম্মদ সাঃ এর বিদায় হজ্বের কথা। আমাদের প্রিয় নবী বিদায় হজ্বে বলেছেন,তোমরা ধর্ম নিয়ে কোন বাড়াবাড়ি করবে না। কিন্তু আমাদের কতিপয় আলেম ধর্ম নিয়ে করছেন ব্যবসা,খেলছেন ধ্বংশের খেলা।
ফরিদ ভাবেন,আজ আমাদের দেশে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনাদর্শ নিয়ে কোন আলেম চলেন না। তারা নিজেদের রচনা করা জীবনাদর্শ বাস্তবায়ন নিয়ে ব্যস্ত। তারা নিজেদের মঙ্গল রক্ষার্থে বদ্ধ পরিকর। কিন্তু কেন? ফরিদ মনে করেন,আলেমরা মুসলিম সমাজ বির্ণিমানে হবেন বদ্ধ পরিকর। কিন্তু আজকের বক্তার বক্তৃতা তো সে কথা বলেনা। বরং এই বক্তৃতা সুস্থ্য,সবল,বিবেকবান যে মানুষ শুনবেন তারাই তো ইসলামী জীবন ব্যবস্থা নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করবেন। ফরিদের মাথা আর কাজ করেনা। সে শুধু ভাবে আমাদের কতিপয় আলেম কি চায়?  তারা কি আমাদের প্রিয নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর চেয়েও অধীক জ্ঞাণী।
ফরিদের কানে ওই বক্তার উগ্র আস্ফালন বার বার কানে প্রতিধ্বনিত হয়। আমি মানি না প্রধানমন্ত্রী, আমি মানি না রাষ্ট্রপতি। কিসের মন্ত্রী,কিসের রাষ্ট্রপতি। আমি মানি না সরকার। কিসের সরকার? ফরিদের কানে আরও প্রতিধ্বনিত হয়, ওই বক্তা বলছেন,কচুর প্রধানমন্ত্রী,কচুর রাষ্ট্রপতি। ফরিদ ভাবেন,একজন আলেম,ইসলামী বক্তা কি করে এমন বক্তৃতা করেন? তিনি জানেন না,যে দেশে বসবাস করবেন,সেই দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রীকে মাণ্য করতে হবে। সেই দেশের সরকারকে মাণ্য করতে হবে। এটা ইসলামের শিক্ষা। ইসলাম ধর্ম নিয়ে যারা পড়াশোনা করেছেন,তাদের তো এমন আস্ফালন করার কথা নয়।
 কিন্তু এই বক্তা বলছেন,তিনি মানেন না প্রধানমন্ত্রী,মানেন না রাষ্ট্রপতি। আরও বলছেন,তিনি সরকারকে মানেন না।আস্ফালন করে বলছেন, কিসের সরকার। ফরিদ ওই বক্তার উদ্দেশ্য মনে মনে বলেন,যে দেশে বসবাস করেন,যে দেশের আলো বাতাসে বেড়ে উঠেছেন,সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও সরকারকে যদি  না মানেন,তাহলে তো আপনার সেই দেশে থাকা উচিত নয়। আপনি অন্য দেশে চলে যান। ফরিদ ওই বক্তার বক্তৃতায় একটা দেশদ্রোহী মনোভাবের প্রতিচ্ছবি দেখতে পান। ফরিদ ভাবেন,অবশ্যই অজ্ঞাত কোন বড় কারনে প্রকাশ্য মাহফিলে ওই বক্তা রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের বিরুদ্ধে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তুলছেন।
ফরিদ ভাবেন,এদেশে আগে হেমন্ত কাল আসলে গোটা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ওয়াজ-নসিহত,ইসলামী পালাগানসহ তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের উৎসব শুরু হয়। মানুষ দল বেধে সেই অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ গ্রহন করত এবং প্রাণ ভরে ইসলামী ওয়াজ-নসিহত শুনে জ্ঞান অর্জন করত। তখন ধর্মীয় ভাবাবেগ নিয়ে সকল ধর্মের ও গ্রোত্রের মানুষ একত্রে মিলে-মিশে বসবাস করত। দেশের কোথাও ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা করার ঘটনা তখন শোনা যায়নি। কিন্তু এখন কি হল? আলেমরাই আজ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলছেন। ফরিদের মনে পড়ে,এক হুজুরের বয়ানের কথা। তিনি বলেছিলেন আমাদের,আলেমদের একাংশই আগে দোযখে যাবেন। তাহলে কি সেই আলেমদের আর্বিভাব শুরু হয়ে গেছে?
ফরিদ আর ভাবতে পারেন না। তাফসিরুল কোরআন মাহফিল তার অন্তরকে আলোকিত না করে আরো মেঘাচ্ছন্ন করে দিয়েছে। সে মনের ভিতরে কোন শান্তি খুজে পাচ্ছেন না।বারবার ওই বক্তার উগ্র মেজাজের বক্তৃতা তার কান ঝালা-পালা করে দিচ্ছে। সে শুধু ভাবছে,প্রিয নবী,মহান সৃষ্টিকর্তার দোস্ত যিনি বারবার ইহুদি-নার্সারাদের আক্রমনে ক্ষত-বিক্ষত হয়েও দোয়া করতেন,হে আল্লাহ্ তুমি ওদের মাফ করে দাও। সেখানে এই বক্তা বলছেন,তোমাদের কল্লা এক কোপে কেটে ফেলা হবে। এটা কেমন ভাষন। আবার মাহফিলে উপস্থিত মুসলমানদের শপথ করাচ্ছেন,তোমরা যার যা কিছু আছে তা নিয়ে প্রস্তুত থেক। আর মানতে পারেনা ফরিদ। তার শুধু মনে হয়,এই বক্তা ইসলামী জীবনাদর্শে অভ্যস্থ নয়। তাই ভারাক্রান্ত একটা মন নিয়ে বাড়ীতে ফিরে না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন ফরিদ।
ফরিদ সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে অফিসের দিকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে ফরিদ লোক মুখে জানতে পারেন,শহরের বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ রেল ষ্টেশনে আগুন দিয়েছে কিছু বিপদগামী মুসল্লী। শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ফরিদ ঘটনা জানার চেষ্টা করেন। লোকজন ফরিদকে বলেন,গতকাল হাইস্কুল মাঠে কথিত ওই হুজুরের বক্তৃতা শুনে ফুসে উঠেছে সাধারন মুসল্লী। তারা কোন ভাবেই “মুজিব বর্ষ” নামে আমাদের দেশে ভিন্ন দেশী হিন্দু সরকার প্রধানকে আসতে দিবেন না। তাই জ্বালাও পোড়াও করে ওই হিন্দু রাষ্ট্র প্রধানের আগমন নস্যাৎ করতে মাঠে নেমেছেন। তাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ফরিদের মনে পড়ে তাই তো !  তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে ওই বক্তা উগ্র মেজাজে বজ্র কঠিন গলায় একটি ঘোষনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,প্রিয় ঈমানদার মুসলমান ভাইয়েরা আমার, আপনারা কাল থেকেই মাঠে নামবেন। আপনাদের যা আছে,তা নিয়েই ওই মুশরেক হিন্দু রাষ্ট্র প্রধানের আমাদের দেশে আসার বিরুদ্ধে সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়বেন। আর এই কাজটি হল আপনাদের ঈমান রক্ষার কাজ। রীতিমত ওই বক্তা মুসল্লীদের শপথ করিয়েছেন। আর তাই সকাল হওয়ার সাথে সাথে আমাদের ঈমানদার মুসল্লীগণ তাদের ঈমান রক্ষার কঠিন ব্রত পালন করতে জ্বালাও-পোড়াও অভিযান শুরু করে দিয়েছেন।
ফরিদ ভেবে পায়না, বার আওলীয়ার এই দেশে সাধারন মুসল্লীগণ কিভাবে ইসলাম রক্ষার নামে ইসলাম বিরোধী কাজে লিপ্ত হয়। তারা কি জানে না,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির পিতা ?  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম না হলে তো বাংলাদেশ নামক এই রাষ্ট্রটিরই জন্ম হতো না !  আর সেই “বঙ্গবন্ধুর” স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যিনি আসছেন,তাকে তো সাধুবাদ দেয়া দরকার। কারন এটিও হবে আগামী প্রজন্মের নিকট আরেকটি ইতিহাস।আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম জানবে, “মুজিব বর্ষে” শ্রদ্ধা নিবেদনে বাংলাদেশে এসেছিলেন একটি ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের প্রধান।  অথচ এমন একটি বিশাল অর্জন ধুলিসাৎ করতে আমাদের মুসল্লীগণ শুরু করলেন,ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ। হায়রে আলেম। এই কি তোদের কাজ ?  তোমরা কি জান না,ইতিপুর্বে ওই হিন্দু রাষ্ট্র প্রধান কতটি ইসলামী রাষ্ট্র সফর করেছেন?

ফরিদ আর ভাবতে পারেনা। তার মনে এক প্রকার ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। আলেম নামের ওই জালেমদের কার্যকলাপ ফরিদের মনটাকে বিষিয়ে তোলে। হৃদয়ে তার তোলপাড় শুরু হয়। এসময় তার মনের ভিতর স্বান্তনা হিসেবে ভেসে ওঠে,হ্যা তাইতো পরকালে সবার আগে আলেম নামের ওই “জালেমরাই” তো দোযখে যাবেন। আর তাই আলেম নাম ধারী কতিপয় মুনাফেক সেই “দোযখী কাজ” শুরু করে দিয়েছেন।  ফরিদ মনে মনে জাতির পিতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,ইতিহাসের মহা নায়ক,বাংলাদেশের রুপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

Related Posts
কবিতা “বঙ্গবন্ধু” জাতির চেতনার নাম
"বঙ্গবন্ধু" জাতির চেতনার নাম   -ফয়েজ আহমেদ   বঙ্গবন্ধু,চেতনার নাম,জাগ্রত অনুভুতি বাংলার ইতিহাস,লাল সবুজের বেষ্টনি, মুক্তির মহানায়ক,জনতার হৃদয় মনি আর্দশিক মানব,জাতির আলোক রশ্মি।   বঙ্গবন্ধু, রুপকার এই বাংলা পতাকার স্বাধীনতার স্হপতি,বিজয় মালা গাথার, শোষন-বঞ্চনা, রুখতে মানব মেশিন গণআস্হা তুমি,শোষিত জাতির মহাবীর।   বঙ্গবন্ধু, পরাধীনতার ...
READ MORE
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
"হাঁস বিড়ালে খাইছে" - ফয়েজ আহমেদ। (বর্তমান প্রেক্ষাপটের একটি ছোট গল্প) সেদিন ছিল সোমবার। ফকিরের হাট। সজিব হাটে গিয়ে হাস কিনবে। হাসের মাংস খুব প্রিয় সজিবের। বাজারের ব্যাগ নিয়ে মটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে হাটের ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
শ্বাস নিতে পারছেন না আছমা বেগম। খুব কষ্ট হচ্ছে তার। মনে হচ্ছে এক্ষনেই মারা যাবেন। কয়েক দিন থেকেই তার শরীরে জ্বর চলছে।  গতকাল জ্বরটা বেশী ছিল। পাড়ার মোড় থেকে নাপা ...
READ MORE
“কবর পেল শাবনুর”
"কবর পেল শাবনুর"   -ফয়েজ আহমেদ।   মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে অঝোরে কাঁদতে থাকে আবুল হোসেন। একটি মাত্র মেয়ে তার। আর কোন ছেলে পুলে নেই। অভাবের তাড়নায় মেয়েটিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল আবুল হোসেন। মেয়েটিকে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “ভীটে পেল নন্দ”।
ভীটে মাটি নেই নন্দ লালের। অন্য মানুষের পুকুর পাড়ের এক কোনে ঝুপড়ি ঘর তুলে বসবাস করেন নন্দ। স্ত্রী ও তিন কন্যাকে নিয়ে গাদাগাদি করে অস্থাস্থ্যকর এক জীবন পার করছে সে। গত ...
READ MORE
“করোনা প্রস্হান”
"করোনা প্রস্হান" -ফয়েজ আহমেদ করোনা মহামারী,কাদছে বিশ্ব,কাদছে মানবতা ধ্বংশ অর্থনীতি,চলছে মানবতার আহাজারী, আক্রান্ত মানুষ মরছে যত্ত দেশ আর বিদেশে বিপন্ন সমাজ,খাদ্য সংকট,চলছে বিশ্ব জুড়ে।   বৈশ্বিক এমন মহামারী আগেও ছিল জানি এবার সে ধরছে চেপে, তামাম পৃথিবী লাশের মিছিল ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ছকিনার স্বপ্ন ভঙ্গ”।
গ্রামে গঞ্জে ভিক্ষা করেন ছকিনা বেওয়া। বয়স তার ষাট পেরিয়েছে অনেক আগেই। স্বামীও মারা যাওয়ার প্রায় পনের বছর। হয়নি কোন বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা।দুই ছেলের সংসারে বউদের নাকানি-চুবানি খেয়েও ভালই ...
READ MORE
“বিদ্রোহী সত্তা”
                            "বিদ্রোহী সত্তা"                               ...
READ MORE
“আমি বাঙ্গালী”
"আমি বাঙ্গালী" -ফয়েজ আহমেদ   আমি বাঙ্গালী,বীর আমি,মহাবীর দুঃসাহসী নির্ভীক,মৃত্যুন্জয় আমি, ভয়,সেটা আবার কি?জানা নেইতো আমি বঙ্গবন্বুর জ্বালাময়ী ভাষন,কবিতা।   ৭মার্চের ঐতিহাসিক ডাক,নির্ভয়তা আমি আষাঢ়ের বজ্রপাত,আমি কঠিন বজ্রশক্তি, দুচোঁখে যুদ্ধের নেশা,আমি স্বাধীনতাকামী বিজয় ছিনিয়ে নেয়া, রক্তিম হতিহাস আমি।   মনে নেই একাত্তর,আমি তার ...
READ MORE
“পক্ষ”
"পক্ষ" -ফয়েজ আহমেদ   ঘটনাস্হল খাতামধুপুর,রাজনীতি সৈয়দপুরে এমনভাবে চলতে থাকলে,ক্ষতি সবার হবে, দুইটা পক্ষ দুই দিকে,রাজনীতি করছে জানি স্বচ্ছ রাজনীতি চাই মোরা,নয় অপরাজনীতি।   দড়ি ধরে টানাটানি,করছে দুই প্রভাবশালী সত্য মিথ্যার চলছে লড়াই,জানি সবাই জানি, দোষী কিনা যাছাই করা,নয়তো কারো ...
READ MORE
কবিতা “বঙ্গবন্ধু” জাতির চেতনার নাম
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
“কবর পেল শাবনুর”
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “ভীটে পেল নন্দ”।
“করোনা প্রস্হান”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ছকিনার স্বপ্ন ভঙ্গ”।
“বিদ্রোহী সত্তা”
“আমি বাঙ্গালী”
“পক্ষ”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।