আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :

ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।

তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন বিধান নিয়ে হুজুর ওযাজ-নসিহত করবেন এমনটাই নিয়ম। তাছাড়া ফরিদ ইতিপুর্বে যত মাহফিলে গেছেন,সব খানেই ইসলামী জীবন বিধান,নামায,রোজা,হজ্ব,যাকাত পর্দা,হালাল-হারাম ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুনেছেন। কিন্তু আজকের মত রাজনৈতিক ও উগ্র মেজাজ নিয়ে কোন মাহফিলে বক্তাকে বক্তৃতা করতে দেখেননি। ফরিদ এই বক্তার বক্তৃতার কোন মানে খুজে পান না।

আশাহত ভঙ্গুর মন নিয়ে ফিরে আসছেন ফরিদ। তার মনটা আজ খুবই ব্যাকুল। ফরিদ দেশের ভবিষ্যত অন্ধকার দেখছেন। তার শুধু মনে হচ্ছে,আলেমদের এমন বক্তৃতা অব্যাহত থাকলে দেশটা অনেক পিছিয়ে যাবে। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা’র সৃষ্টি হবে। ফরিদ মনে মনে ভাবেন, এ দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলছেন কতিপয় আলেম। ওই আলেমগণ দেশের মঙ্গল চান না, তারা নিজেদের ইমেজ ও মুসলমানের ধর্মীয় আবেগ নিয়ে খেলতে পছন্দ করেন। ফরিদের মনে পড়ে হযরত সুহাম্মদ সাঃ এর বিদায় হজ্বের কথা। আমাদের প্রিয় নবী বিদায় হজ্বে বলেছেন,তোমরা ধর্ম নিয়ে কোন বাড়াবাড়ি করবে না। কিন্তু আমাদের কতিপয় আলেম ধর্ম নিয়ে করছেন ব্যবসা,খেলছেন ধ্বংশের খেলা।
ফরিদ ভাবেন,আজ আমাদের দেশে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনাদর্শ নিয়ে কোন আলেম চলেন না। তারা নিজেদের রচনা করা জীবনাদর্শ বাস্তবায়ন নিয়ে ব্যস্ত। তারা নিজেদের মঙ্গল রক্ষার্থে বদ্ধ পরিকর। কিন্তু কেন? ফরিদ মনে করেন,আলেমরা মুসলিম সমাজ বির্ণিমানে হবেন বদ্ধ পরিকর। কিন্তু আজকের বক্তার বক্তৃতা তো সে কথা বলেনা। বরং এই বক্তৃতা সুস্থ্য,সবল,বিবেকবান যে মানুষ শুনবেন তারাই তো ইসলামী জীবন ব্যবস্থা নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করবেন। ফরিদের মাথা আর কাজ করেনা। সে শুধু ভাবে আমাদের কতিপয় আলেম কি চায়?  তারা কি আমাদের প্রিয নবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর চেয়েও অধীক জ্ঞাণী।
ফরিদের কানে ওই বক্তার উগ্র আস্ফালন বার বার কানে প্রতিধ্বনিত হয়। আমি মানি না প্রধানমন্ত্রী, আমি মানি না রাষ্ট্রপতি। কিসের মন্ত্রী,কিসের রাষ্ট্রপতি। আমি মানি না সরকার। কিসের সরকার? ফরিদের কানে আরও প্রতিধ্বনিত হয়, ওই বক্তা বলছেন,কচুর প্রধানমন্ত্রী,কচুর রাষ্ট্রপতি। ফরিদ ভাবেন,একজন আলেম,ইসলামী বক্তা কি করে এমন বক্তৃতা করেন? তিনি জানেন না,যে দেশে বসবাস করবেন,সেই দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রীকে মাণ্য করতে হবে। সেই দেশের সরকারকে মাণ্য করতে হবে। এটা ইসলামের শিক্ষা। ইসলাম ধর্ম নিয়ে যারা পড়াশোনা করেছেন,তাদের তো এমন আস্ফালন করার কথা নয়।
 কিন্তু এই বক্তা বলছেন,তিনি মানেন না প্রধানমন্ত্রী,মানেন না রাষ্ট্রপতি। আরও বলছেন,তিনি সরকারকে মানেন না।আস্ফালন করে বলছেন, কিসের সরকার। ফরিদ ওই বক্তার উদ্দেশ্য মনে মনে বলেন,যে দেশে বসবাস করেন,যে দেশের আলো বাতাসে বেড়ে উঠেছেন,সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও সরকারকে যদি  না মানেন,তাহলে তো আপনার সেই দেশে থাকা উচিত নয়। আপনি অন্য দেশে চলে যান। ফরিদ ওই বক্তার বক্তৃতায় একটা দেশদ্রোহী মনোভাবের প্রতিচ্ছবি দেখতে পান। ফরিদ ভাবেন,অবশ্যই অজ্ঞাত কোন বড় কারনে প্রকাশ্য মাহফিলে ওই বক্তা রাষ্ট্রপতি,প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের বিরুদ্ধে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তুলছেন।
ফরিদ ভাবেন,এদেশে আগে হেমন্ত কাল আসলে গোটা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ওয়াজ-নসিহত,ইসলামী পালাগানসহ তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের উৎসব শুরু হয়। মানুষ দল বেধে সেই অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ গ্রহন করত এবং প্রাণ ভরে ইসলামী ওয়াজ-নসিহত শুনে জ্ঞান অর্জন করত। তখন ধর্মীয় ভাবাবেগ নিয়ে সকল ধর্মের ও গ্রোত্রের মানুষ একত্রে মিলে-মিশে বসবাস করত। দেশের কোথাও ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা করার ঘটনা তখন শোনা যায়নি। কিন্তু এখন কি হল? আলেমরাই আজ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলছেন। ফরিদের মনে পড়ে,এক হুজুরের বয়ানের কথা। তিনি বলেছিলেন আমাদের,আলেমদের একাংশই আগে দোযখে যাবেন। তাহলে কি সেই আলেমদের আর্বিভাব শুরু হয়ে গেছে?
ফরিদ আর ভাবতে পারেন না। তাফসিরুল কোরআন মাহফিল তার অন্তরকে আলোকিত না করে আরো মেঘাচ্ছন্ন করে দিয়েছে। সে মনের ভিতরে কোন শান্তি খুজে পাচ্ছেন না।বারবার ওই বক্তার উগ্র মেজাজের বক্তৃতা তার কান ঝালা-পালা করে দিচ্ছে। সে শুধু ভাবছে,প্রিয নবী,মহান সৃষ্টিকর্তার দোস্ত যিনি বারবার ইহুদি-নার্সারাদের আক্রমনে ক্ষত-বিক্ষত হয়েও দোয়া করতেন,হে আল্লাহ্ তুমি ওদের মাফ করে দাও। সেখানে এই বক্তা বলছেন,তোমাদের কল্লা এক কোপে কেটে ফেলা হবে। এটা কেমন ভাষন। আবার মাহফিলে উপস্থিত মুসলমানদের শপথ করাচ্ছেন,তোমরা যার যা কিছু আছে তা নিয়ে প্রস্তুত থেক। আর মানতে পারেনা ফরিদ। তার শুধু মনে হয়,এই বক্তা ইসলামী জীবনাদর্শে অভ্যস্থ নয়। তাই ভারাক্রান্ত একটা মন নিয়ে বাড়ীতে ফিরে না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন ফরিদ।
ফরিদ সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে অফিসের দিকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে ফরিদ লোক মুখে জানতে পারেন,শহরের বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ রেল ষ্টেশনে আগুন দিয়েছে কিছু বিপদগামী মুসল্লী। শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ফরিদ ঘটনা জানার চেষ্টা করেন। লোকজন ফরিদকে বলেন,গতকাল হাইস্কুল মাঠে কথিত ওই হুজুরের বক্তৃতা শুনে ফুসে উঠেছে সাধারন মুসল্লী। তারা কোন ভাবেই “মুজিব বর্ষ” নামে আমাদের দেশে ভিন্ন দেশী হিন্দু সরকার প্রধানকে আসতে দিবেন না। তাই জ্বালাও পোড়াও করে ওই হিন্দু রাষ্ট্র প্রধানের আগমন নস্যাৎ করতে মাঠে নেমেছেন। তাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ফরিদের মনে পড়ে তাই তো !  তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে ওই বক্তা উগ্র মেজাজে বজ্র কঠিন গলায় একটি ঘোষনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,প্রিয় ঈমানদার মুসলমান ভাইয়েরা আমার, আপনারা কাল থেকেই মাঠে নামবেন। আপনাদের যা আছে,তা নিয়েই ওই মুশরেক হিন্দু রাষ্ট্র প্রধানের আমাদের দেশে আসার বিরুদ্ধে সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়বেন। আর এই কাজটি হল আপনাদের ঈমান রক্ষার কাজ। রীতিমত ওই বক্তা মুসল্লীদের শপথ করিয়েছেন। আর তাই সকাল হওয়ার সাথে সাথে আমাদের ঈমানদার মুসল্লীগণ তাদের ঈমান রক্ষার কঠিন ব্রত পালন করতে জ্বালাও-পোড়াও অভিযান শুরু করে দিয়েছেন।
ফরিদ ভেবে পায়না, বার আওলীয়ার এই দেশে সাধারন মুসল্লীগণ কিভাবে ইসলাম রক্ষার নামে ইসলাম বিরোধী কাজে লিপ্ত হয়। তারা কি জানে না,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির পিতা ?  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম না হলে তো বাংলাদেশ নামক এই রাষ্ট্রটিরই জন্ম হতো না !  আর সেই “বঙ্গবন্ধুর” স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যিনি আসছেন,তাকে তো সাধুবাদ দেয়া দরকার। কারন এটিও হবে আগামী প্রজন্মের নিকট আরেকটি ইতিহাস।আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম জানবে, “মুজিব বর্ষে” শ্রদ্ধা নিবেদনে বাংলাদেশে এসেছিলেন একটি ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের প্রধান।  অথচ এমন একটি বিশাল অর্জন ধুলিসাৎ করতে আমাদের মুসল্লীগণ শুরু করলেন,ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ। হায়রে আলেম। এই কি তোদের কাজ ?  তোমরা কি জান না,ইতিপুর্বে ওই হিন্দু রাষ্ট্র প্রধান কতটি ইসলামী রাষ্ট্র সফর করেছেন?

ফরিদ আর ভাবতে পারেনা। তার মনে এক প্রকার ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। আলেম নামের ওই জালেমদের কার্যকলাপ ফরিদের মনটাকে বিষিয়ে তোলে। হৃদয়ে তার তোলপাড় শুরু হয়। এসময় তার মনের ভিতর স্বান্তনা হিসেবে ভেসে ওঠে,হ্যা তাইতো পরকালে সবার আগে আলেম নামের ওই “জালেমরাই” তো দোযখে যাবেন। আর তাই আলেম নাম ধারী কতিপয় মুনাফেক সেই “দোযখী কাজ” শুরু করে দিয়েছেন।  ফরিদ মনে মনে জাতির পিতা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,ইতিহাসের মহা নায়ক,বাংলাদেশের রুপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

Related Posts
ছোট গল্প “নিষ্ঠুর করোনা”
"নিষ্ঠুর করোনা"   ফয়েজ আহমেদ।   দু'চোঁখ দিয়ে নিরবে গড়িয়ে পড়ছে অশ্রু। কিছুতেই থামাতে পারছেন না জোসনা বেগম। তার বুক চিড়ে বোবা কান্না বেড়িয়ে আসছে। ইচ্ছা করছে চিৎকার করে কান্না করতে। তাও পারছেন না। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
শুধু গ্রামে নয়,আশে পাশের আরো দশ গ্রামে আবিরের নাম প্রচার হয়ে গেছে। দশ গ্রামের লোক আজ আবিরকে আলাদা চোঁখে দেখছেন। তাকে সমীহ করছেন,ভালবেসে আবির ভাই বলে সম্বোধন করছেন। আবির আজ ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট একটি প্রেমের গল্প “রাজ যোটক”
"রাজ যোটক"                          -ফয়েজ আহমেদ।                (ছোট একটি প্রেমের গল্প) বিকালের ফ্লাইটে সৈয়দপুর আসছে পল্লবী। খবরটা শুনে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প””তিরস্কার”।
বৃদ্ধা শ্বাশুড়ী আর ছয় মাসের শিশু পুত্র নিয়ে খুব খাদ্য সংকটে আছে রহিমা বেওয়া। বাঁচ্চাটা শরীরে আসার তিনমাস পর মারা যায় রহিমার স্বামী কুবের আলী। স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বাশুড়ী পোনা মাই ...
READ MORE
“পক্ষ”
"পক্ষ" -ফয়েজ আহমেদ   ঘটনাস্হল খাতামধুপুর,রাজনীতি সৈয়দপুরে এমনভাবে চলতে থাকলে,ক্ষতি সবার হবে, দুইটা পক্ষ দুই দিকে,রাজনীতি করছে জানি স্বচ্ছ রাজনীতি চাই মোরা,নয় অপরাজনীতি।   দড়ি ধরে টানাটানি,করছে দুই প্রভাবশালী সত্য মিথ্যার চলছে লড়াই,জানি সবাই জানি, দোষী কিনা যাছাই করা,নয়তো কারো ...
READ MORE
“নেতা”
"নেতা" -ফয়েজ আহমেদ   নেতা,তুমি করনি সেবা,করেছ অবহেলা আদর্শচূত হয়েছ তুমি,পালন করনি ওয়াদা, নীতি ভেঙ্গেছ তুমি,নৈতিকতা দিছ বলি জনতাকে দিছ ধোকা,শপথ ভেঙ্গে তুমি।   নেতা,পাশে রবে বলে,দুরে কেন আছ তোমার দেয়া অঙ্গীকার,ভুলে কেন গেছ, আশার বানী অনেক দিছ,ভুলে তা কি ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট “গল্প রেবেকার অজ্ঞামী”।
মায়ের শরীরটা ভাল নেই। অনেক ডাক্তার দেখানে হয়েছে। কিছুতেই সেরে উঠছেনা মায়ের শরীর। মায়ের শরীরের চিন্তায় ভাল নেই জিলানীর মন। সব সময় মায়ের সেরে ওঠা নিয়ে চিন্তায় মগ্ন থাকে জিলানী। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “ভালবাসি হয়নি বলা”।
"ভালবাসি হয়নি বলা" -ফয়েজ আহমেদ।   জবা তলায় বসে বাদাম খাচ্ছে রিপন।সে একাই বসে আছে।কিছুক্ষন আগে তার সহপাঠীরা চলে গেছে। আজ কলেজে আর কোন ক্লাস নেই। বাদাম খাওয়া শেষে রিপনও চলে যাবে। রিপনের ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ঈদ কালেকশন”।
অফিসে ঢোকার সাথেই সোহাগের হাতে এক'শো জনের নামের তালিকা ধরিয়ে দেন সভাপতি বীর বাহাদুর। বলেন,আগামী বুধবার থেকে কালেকশন শুরু করতে হবে। ঈদের বেশী দেরী নেই। আর বিলম্ব করা যাবেনা। সভাপতি ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর গল্প”সেকেন্দারের আনন্দ অশ্রু”।
গেল এক সপ্তাহ রিকসা নিয়ে বাইরে যেতে পারেননি সেকেন্দার।দেশে চলছে সরকার ঘোষিত লকডাউন। মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন ঠেকাতে সরকার এ লকডাউন দিয়েছেন। এদিকে ঘরে জমানো টাকা যা ছিল ফুরিয়ে গেছে। ঘরে ...
READ MORE
ছোট গল্প “নিষ্ঠুর করোনা”
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট একটি প্রেমের গল্প “রাজ যোটক”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প””তিরস্কার”।
“পক্ষ”
“নেতা”
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট “গল্প রেবেকার অজ্ঞামী”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “ভালবাসি হয়নি বলা”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ঈদ কালেকশন”।
ফয়েজ আহমেদ এর গল্প”সেকেন্দারের আনন্দ অশ্রু”।
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।