আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :

ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “ভীটে পেল নন্দ”।

ভীটে মাটি নেই নন্দ লালের। অন্য মানুষের পুকুর পাড়ের এক কোনে ঝুপড়ি ঘর তুলে বসবাস করেন নন্দ। স্ত্রী ও তিন কন্যাকে নিয়ে গাদাগাদি করে অস্থাস্থ্যকর এক জীবন পার করছে সে। গত পাঁচ বছর থেকে এ ভাবেই আছেন নন্দ। দু’টি মেয়ের ইতিমধ্য বিয়ের বয়স হয়েছে। যৌতুক দেয়ার কোন সামর্থ না থাকায় মেয়ে দু’টির বিয়েও দিতে পারছেন না। এদিকে অনাহারে-অর্ধাহারে দেখতে তিন মেয়ে ও স্ত্রী কঙ্কালের মত হয়েছে। অথচ নন্দ’র তিন কন্যাই দেখতে সুন্দর ছিলো।

কিন্তু কি করবে নন্দ ? তার তো অবস্থার পরিবর্তন করার সামর্থ নেই। রাস্তার পাশে বসে মুচির কাজ করেন নন্দ। ওই কাজে যা আয় হয়,তা দিয়ে কোন ভাবে চলে সংসার। তাছাড়া জিনিস পত্রের যা দাম, অর্জিত আয় দিয়ে সংসার চলে না। তাই খেয়ে না খেয়েই পাঁচ সদস্য নিয়ে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন নন্দ লাল। স্ত্রী সন্তানকে নন্দ ভাল কিছু খাওয়াতে পারেন না। এনিয়ে নন্দ’র মনে অনেক কষ্ট। কিন্তু এ কষ্টের কথা কাকে বলবেন নন্দ?
নন্দ লাল ভেবে রেখেছেন,এবার পুজোয় দিন রাত এক করে কাজ করবেন। তাছাড়া পুজো’র সময় অনেক লোক সমাগম হয়। এসময় নন্দ যে আয় করবেন,তার সাথে এনজিও ঋণ নিয়ে বড় মাইয়াটার বিয়ে দিবেন। পরে আবার ঋণ শোধ করে আবার ঋণ নিয়ে মেঝো মাইয়াটারও একটা গতি করবেন। সে তো বাবা ! মেয়ের জন্য তো তাকে ভাবতেই হবে !  কন্যা দায় বলে কথা। স্ত্রী কন্যাদের কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়েন নন্দ লাল।
খুব সকালে নয়নদা’র ডাকে ঘুম ভাঙ্গে নন্দের। নন্দ লাল জিজ্ঞেস করেন,কি খবর নয়নদা। আপনি এত সকালে। আপনার কি জুতো-সেন্ডেল কালি করতে হবে? ইতিপুর্বে নয়ন অনেকবার খুব সকালে নন্দ’র কাছে জুতো-স্যান্ডেলের কাজ করেছেন। নয়ন নন্দকে বলেন, আরে না, তেমন  কোন কাজ না। আজ লোকজন আসবেন। পুকুরটা মাপ-যোগ করা হবে। আমি পুকুরটি বিক্রয় করে দিব। তোমাকে দু’এক দিনের মধ্যেই জায়গাটা খালি করে দিতে হবে।
পুকুরের মালিক নয়নদা’র কথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে নন্দ লালের মাথায়। সে তার চার দিকে অন্ধকার দেখতে পান। নন্দ’র মনে হচ্ছে,সে এখনই মাথা ঘুরে পড়ে যাবে। অনেকটা থতমত খেয়ে নন্দ বলেন,দাদা বাবু আমি দু’এক দিনের মধ্যে কোথায় যাব। আমার তো যাওয়ার কোন জায়গা নেই। নন্দ’র কথা শুনে নয়ন বলেন,তুমি কোথায় যাবে জানি না। তবে তোমাকে জায়গা খালি করতে হবে। নয়ন আরও বলেন,আমি তো আগেই বলেছিলাম,আপাতত থাক। পরে অন্য কোথাও জায়গার ব্যবস্থা করে আমার জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। নয়নের কথার কোন জবাব দেয় না নন্দ।
অনেক লোকজনসহ সার্ভেয়ার (আমিন)  নিয়ে পুকুরের জায়গাটি মাপ-যোগ করছেন নযন। এদিকে পরিবার নিয়ে অপলক চোঁখে তাকিয়ে আছেন নন্দ। আজ যে তার কিছুই করার নেই। সে তো জায়গাটির মালিক নন। অনুমতি দখল নিয়ে বসবাস করছেন নন্দ । মালিক চাইলেই তো তাকে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু কি করবেন নন্দ লাল। আজ সে একেবারেই অসহায়। তার করার আর কিছুই নেই।
মাপ-যোগ করে জায়গাটি নতুন মালিক কে বুঝিয়ে দেন নয়ন। নতুন মালিক বলেন,এই ঘড় না ভাঙ্গা পর্যন্ত জমি রেজিষ্ট্রি নিবেন না । নয়ন নতুন মালিককে  অভয় দেন,বলেন আগামী দু’এক দিনের মধ্যেই ঘড় সরিয়ে দিবেন। নয়নের এমন সিদ্ধান্তের কথায় নন্দের বুকে তোলপাড় শুরু হয়। দু’চোঁখ দিয়ে নিরবে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে তার। এদিকে  নয়ন নন্দকে ঘড় সরিয়ে নেয়ার তাগিদ দিয়ে চলে যান।
আজ কাজে যাননি নন্দ।বাড়িতেই শুয়ে আছেন। আজ কোন রান্না-বান্না হয়নি। স্ত্রী সন্তানসহ না খেয়েই আছেন নন্দ। শুধু ভাবছেন,পরিবার নিয়ে কোথায় গিয়ে দাড়াবে নন্দ, কে দিবে ঘড় তোলার জায়গা। নন্দ পরিবারের কাউকে কিছু না বলে, বেড়িয়ে আসেন। নন্দ এলাকার মেম্বার-চেয়ারম্যানসহ গণ্য-মাণ্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেন। একটা ঘড় তোলার জায়গা চান। কিন্তু নন্দ কারো কাছেই আশার কোন বাণী শুনতে পাননি। অন্তরে এক রাশ হতাশা নিয়ে বাড়িতে ফিরেন নন্দ। রাতে না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন।
আজ দু’দিন অতিবাহিত হল। নন্দ বিভিন্ন জায়গা খুজেও একটি ঘড় বসানোর জায়গা জোগাড় করতে ব্যর্থ হন। সমাজের সকল কর্তা ব্যক্তিরা নন্দকে ফিরেয়ে দিয়েছেন। এখন কি করবেন নন্দ ?  সে মনের কষ্ট চেপে রেখে নয়নের বাড়িতে যান। নয়নদাকে সে অনুরোধ করেন। অন্তত একটি মাস সময় চান। নয়ন নন্দকে সাফ জানিয়ে দেন,কোন ভাবেই সময় দেয়া সম্ভব নয়। সে কালই নন্দ’র ঘড় ভেঙ্গে দিবেন। সে কোথায় যাবে জানে না নয়ন। নয়নের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন নন্দ। স্ত্রীকে সব খুলে বলেন। স্বামী-স্ত্রী দু’জনে এ অসময়ে কোথায় যাবেন,তা ভেবে কাঁদতে থাকেন।
সকাল দশ’টা বাজে। নয়ন কাজের লোকসহ নন্দ’র বাড়িতে আসেন। কাঁদছে নন্দ ও তার পরিবার । নয়ন স্ত্রী ও কন্যাদের নিয়ে নন্দকে বেরিয়ে যেতে বলেন। এদিকে নয়নের লোক বাড়ির চৌকি-আলানা ও থালা-বাসন বাইরে বের করতে থাকেন। নন্দ ও তার পরিবার অসহায়ের মত তাকিয়ে দেখছেন। এমন সময় নন্দ’র বাড়িতে আসেন পুলিশ। পুলিশকে দেখে আরও ভয় পেয়ে যান,নন্দ।সে ভাবে,নয়ন হয়ত পুলিশ এনেছেন। এখনই তাকে ধরে থানায় নিয়ে যাবেন। নন্দ আকুতি করে পুলিশকে বলেন,স্যার আমি জায়গা ছেড়ে দিব। আমাকে শুধু এক মাসের সময় দিন। আমি এক মাসের মধ্যে নিজেই চলে যাব। দয়া করে আমাকে ধরে নিয়ে যাবেন না।
নন্দ’র আকুতি ও কান্না দেখে অভয় দেন পুলিশ অফিসার। তিনি নন্দকে বলেন,আমি আপনাকে ধরতে আসি নাই। আপনার ঘড় ভেঙ্গে দেয়ার খবর পেয়ে এসেছি। ওসি স্যার আমাকে পাঠিয়েছেন। আপনার ঘড় ভাঙ্গা হবে না। পুলিশের কথা শুনে আনন্দে চোঁখ উজ্বল হয়ে ওঠে নন্দ লালের। সে যেন প্রাণে পানি ফিরে পান। নন্দ’র স্ত্রী সন্তান আনন্দে চোঁখের পানি মুছতে থাকেন। পুলিশের এমন কথা শুনে নয়ন প্রতিবাদ করেন। সে পুলিশকে বলেন,জায়গাটা আমার। আমি নন্দকে থাকতে দিয়েছিলাম। এখন আমার প্রয়োজন, আমি ঘড় ভেঙ্গে দিব।
নয়নের কথা শুনে রেগে যান পুলিশ। তিনি নয়ন কে বলেন,এটা কি মগের মুল্লুক। আপনি জায়গা দিয়েছেন বলে, যখন তখন ঘড় ভেঙ্গে দিবেন। আপনি ঘড়ে হাত দিলে আপনাকে সাঙ্গ-পাঙ্গসহ গ্রেফতার করতে বাধ্য হবো। পুলিশ অফিসারের এমন কথায় ঘাবড়ে যান নয়ন।  কোন কথা না বলে চুপ করে থাকেন। এবার পুলিশ অফিসার নয়নকে বলেন,ওসি স্যার আপনাকে থানায় ডেকেছেন। আগে থানায় আসেন, স্যারের সাথে কথা বলেন। তার পর ঘড় ভাংবেন কি না সিদ্ধান্ত নিবেন। এর আগে ঘরে হাত দিলে আপনার বিরুদ্ধে মামলা হবে। পুলিশ অফিসার নন্দকেও থানায় আসতে বলে চলে যান।
নন্দ লাল ওসি স্যারের সাথে দেখা করেন। ওসি আবুল হাসনাত খান নন্দকে বলেন,আপনার বিষয়ে আমি সব শুনেছি। ওখানে আমার লোক আছেন। তিনি আমাকে সব বলেছেন। আমি বিষয়টি নিয়ে এসপি স্যারের সাথেও কথা বলেছি। আপনাকে ঘড় ভাংতে হবেনা। আপনি ওখানেই থাকবেন। ওসি স্যারের কথা শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন নন্দ। খুশিতে তার মনটা ভরে ওঠে। সে মন থেকে ওসি স্যার ও অজ্ঞাত ওই লোকটির জন্য,যে ওসি স্যারকে সব জানিয়েছেন তার জন্য ভগবানের নিকট প্রার্থনা করেন। ওসি সাহেব নন্দকে বলেন,আপনি নিশ্চিন্তে বাড়িতে যান। কেউ আপনার ঘড় ভাংতে পারবে না। আমরা আপনার বিষয়টি দেখছি।
এবার থানায় আসে নয়ন। ওসি সাহেব নয়নকে জিজ্ঞেস করেন,ভাই,জমি কত টাকায় বিক্রয় করছেন।নয়ন বলেন,স্যার শতক এক লক্ষ টাকা। ওসি সাহেব এবার নয়নকে বলেন,আপনার তো  অনেক সম্পত্তি। তাছাড়া নন্দকে তো আপনি জায়গা দিয়েছিলেন। এখন নন্দকে দু’তিন শতক জমি দান করা যায় না ? ওসি সাহেবের কথায় আপত্তি জানান নয়ন। নয়ন বলেন,স্যার আমি বর্তমানে আর্থিক সমস্যায় আছি। আমার পক্ষে দান করা সম্ভব নয়। তাছাড়া আমি জমি বায়না করেছি।
ওসি সাহেব নয়নের কথা শুনে কিছুক্ষন চুপ থাকেন। এর পর বলেন,আচ্ছা ঠিক আছে। আপনি দান না করলে কিছু করার নেই । তাছাড়া আপনার জমিতে কেউ জোর করে থাকতেও পারবেন না। তার চেয়ে এক কাজ করুন,ঘড়টি যে দিকে আছে,সেখানে তিন শতক জমি নন্দ’র নামে কবলা করে দেন। টাকা আমি দেব।
ওসি সাহেব এর এমন প্রস্তাবে হতবাক হন নয়ন। সে ওসি সাহেবের মুখে কি শুনছেন ?  সে তো আগে পুলিশ সম্পর্কে অন্য কিছু শুনেছেন।  আর ইনি বলছেন,জমির টাকা দিবেন !  বিশ্বাস করতে মন চায়না নয়নের। কিন্তু বিশ্বাস না করে যে উপায় নেই। কথা তো তার সাথেই হচ্ছে। নয়ন ভাবনার জগতে হারিয়ে যান।
ওসি সাহেবের কথায় সম্বিৎ ফিরে পান নয়ন। ওসি সাহেব নয়নকে বলেন,আপনার কোন ক্ষতিই হবে না । আপনাকে আমি নগদ তিন লাক্ষ টাকাই দিব। আপনি কালকেই তিন শতক জমি নন্দ’র নামে রেজিষ্ট্রি করে দিবেন। ওসি সাহেব এর এমন প্রস্তাবে না করতে পারেন না নয়ন। মানবিক বিষয়। একজন অসহায়কে জমি কিনে দিচ্ছেন পুলিশ। তার বিবেকটাও মোচড় দিয়ে ওঠে। নয়ন আর না বলতে পারেন না। সে তিন শতক জমি নন্দ’র নামে রেজিষ্ট্রি করে দেয়ার সম্মতি জানান।
ওসি সাহেবের উদ্যেগে আজ পুলিশ ফান্ডের টাকায় অসহায় নন্দ’র নামে তিন শতক জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়া হয়েছে। নন্দ ও তার পরিবার আজ বেজায় খুশি। তারা এখন মাথা গোজার ঠাই পেয়েছেন। তাদের নিজস্ব ভিটে মাটি হয়েছে। একটি আলোকিত ভবিষ্যতের দিকে এখন এগিয়ে যাবে নন্দ ও তার পরিবার । ওসি সাহেব বলেছেন, পরবর্তীতে নন্দ লালের বাড়ি পাকা করে দেয়া হবে। এছাড়া নন্দ’র মেয়ের বিয়েতেও পুলিশের পক্ষে সহযোগিতা করা হবে। নন্দ ও তার পরিবার আজ খুশিতে ভাসছেন। তারা পুলিশের এমন মানবিক কাজে মহা খুশি। নন্দ ও তার পরিবার পুলিশ বাহিনীর মঙ্গলের জন্য মন থেকে ভগবানের নিকট প্রার্থনা করেন।
Related Posts
“বিদ্রোহী সত্তা”
                            "বিদ্রোহী সত্তা"                               ...
READ MORE
“আমি বাঙ্গালী”
"আমি বাঙ্গালী" -ফয়েজ আহমেদ   আমি বাঙ্গালী,বীর আমি,মহাবীর দুঃসাহসী নির্ভীক,মৃত্যুন্জয় আমি, ভয়,সেটা আবার কি?জানা নেইতো আমি বঙ্গবন্বুর জ্বালাময়ী ভাষন,কবিতা।   ৭মার্চের ঐতিহাসিক ডাক,নির্ভয়তা আমি আষাঢ়ের বজ্রপাত,আমি কঠিন বজ্রশক্তি, দুচোঁখে যুদ্ধের নেশা,আমি স্বাধীনতাকামী বিজয় ছিনিয়ে নেয়া, রক্তিম হতিহাস আমি।   মনে নেই একাত্তর,আমি তার ...
READ MORE
“করোনা ভাইরাস”
"করোনা" -ফয়েজ আহমেদ   করোনা,তুমিতো ভালা না দুরত্ব এনেছ সমাজ পরিবারে মায়ের সন্তান নিয়েছ কেড়ে স্ত্রী করেছ পর স্বামীর কাছে পিতাও অসহায় তোমার দ্বায়ে।   করোনা,তুমিতো ভালা না বিশ্ব কাবু,এও তোমার যাদু বিশ্ব অর্থনীতি ভেঙ্গেছ তুমি বিশ্ব নেতাদের করেছ কাবু তুমি কি যাবে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”বিধি বাম”।
ভালবেসে নাজমীনকে বিয়ে করেছিল তুহিন। ক'দিন আগে নাজমীন আর তুহিনের বিয়ের দশ বছর পুর্ণ হয়েছে। জাকজমক ভাবে বিয়ের দশ বছর পূর্তি করেছেন তারা।  সংসার জীবনে তাদের কোন অর্পূন্নতা নেই। শুধু ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন ...
READ MORE
“করোনা প্রস্হান”
"করোনা প্রস্হান" -ফয়েজ আহমেদ করোনা মহামারী,কাদছে বিশ্ব,কাদছে মানবতা ধ্বংশ অর্থনীতি,চলছে মানবতার আহাজারী, আক্রান্ত মানুষ মরছে যত্ত দেশ আর বিদেশে বিপন্ন সমাজ,খাদ্য সংকট,চলছে বিশ্ব জুড়ে।   বৈশ্বিক এমন মহামারী আগেও ছিল জানি এবার সে ধরছে চেপে, তামাম পৃথিবী লাশের মিছিল ...
READ MORE
কবিতা “কর রহমত”
"কর রহমত"   -ফয়েজ আহমেদ।   বছর শেষে,এলো রোজা রহমত পর্বের,চলছে পালা, বাকী আর,একটা রোজা সময় আছে,ধরো রোজা।   আজকে হবে,দশটা রোজা রহমত পর্বের,শেষ রোজা, আয় তোরা, খাই সেহরী রহমত পেতে,রোজা রাখি।   বাকী রবে, বিশটা রোজা মাগফেরাত পর্ব,পরের দশটা, আল্লার দয়া, পেতে হলে মাগফেরাত রোজা,করতে হবে।   মাগফেরাত ...
READ MORE
“পক্ষ”
"পক্ষ" -ফয়েজ আহমেদ   ঘটনাস্হল খাতামধুপুর,রাজনীতি সৈয়দপুরে এমনভাবে চলতে থাকলে,ক্ষতি সবার হবে, দুইটা পক্ষ দুই দিকে,রাজনীতি করছে জানি স্বচ্ছ রাজনীতি চাই মোরা,নয় অপরাজনীতি।   দড়ি ধরে টানাটানি,করছে দুই প্রভাবশালী সত্য মিথ্যার চলছে লড়াই,জানি সবাই জানি, দোষী কিনা যাছাই করা,নয়তো কারো ...
READ MORE
ছোট গল্প “মেয়েটাকে ভাল রেখ”
"মেয়টাকে ভাল রেখ"   -ফয়েজ আহমেদ।   রাত দু'টো বাজে। হাইওয়ে ডিউটি চলছে। হঠাৎ ফোনটা বেজে ওঠল। এত রাতে কে ফোন করছে। আরিফ পকেট থেকে ফোনটা বের করে। বাড়ী থেকে ফোন। স্ত্রী মাজেদা করেছে।এত রাতে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর রম্য রচনা “তেল হাওয়া”
তেল হাওয়া" (একটি ছোট রম্য রচনা) মিলে সরিষা তেল নাই কথাটা শুনে একটা হোচট খায় সজিব। সে ভাবে করোনা প্রর্দুভাবের কারনে মানুষের আয়-রোজগার কমে গেছে। হাট-বাজারে মানুষ কম আসছে। এখনতো সব ধরনের ...
READ MORE
“বিদ্রোহী সত্তা”
“আমি বাঙ্গালী”
“করোনা ভাইরাস”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”বিধি বাম”।
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
“করোনা প্রস্হান”
কবিতা “কর রহমত”
“পক্ষ”
ছোট গল্প “মেয়েটাকে ভাল রেখ”
ফয়েজ আহমেদ এর রম্য রচনা “তেল হাওয়া”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।