আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

ফয়েজ আহমেদ এর গল্প”সেকেন্দারের আনন্দ অশ্রু”।

গেল এক সপ্তাহ রিকসা নিয়ে বাইরে যেতে পারেননি সেকেন্দার।দেশে চলছে সরকার ঘোষিত লকডাউন। মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন ঠেকাতে সরকার এ লকডাউন দিয়েছেন। এদিকে ঘরে জমানো টাকা যা ছিল ফুরিয়ে গেছে। ঘরে আর এক কানা-কড়িও নেই। দৈনিক রিকসা চালিয়ে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করেন সেকেন্দার। স্ত্রী দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে ছোট একটি সংসার সেকেন্দারের। ছেলেটা পড়ে ক্লাস ফোরে। মেয়েটার বয়স তিন বছর। দৈনিক রিকসা চালিয়ে মহাজনের জমা দিয়ে, কোন রকমে চলে সেকেন্দারের সংসার।

 

 

 এদিকে রমজান মাস শুরু হয়েছে। স্ত্রী,ছোট ওই ছেলেসহ সেকেন্দার রোজা করছেন। গত তিন দিন হল শুধুমাত্র সেদ্ধ আলু খেয়ে আছেন সেকন্দার ও তার পরিবার। ছেলে ও মেয়েটা কোন ভাবে আলু সেদ্ধ খেতে চায়না। সেকেন্দারের বউ তহমিনা এর ওর বাড়ি থেকে একটু ভাত খুজে আনেন। তা বাচ্চা দু’টোকে খাওয়ান। বউটাও আর মানুষের বাড়িতে যেতে চায় না। লজ্জা করে।  কিন্তু কি করবেন সেকেন্দার ? তার হাতেও কোন উপায় নেই। একান্ত বাধ্য হয়ে অবুঝ দুই শিশুর জন্য অন্য’র বাড়িতে হাত পাতেন তহমিনা।
সেকেন্দার ও তার বউও আলু সেদ্ধ খেয়ে আর রোজা করতে পারছেন না। খুব কষ্ট হচ্ছে তাদের। কিন্তু কি করবেন তারা ? সেকেন্দার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে গত দিন রিকসা বের করেছিল। কিন্তু রাস্তায় কোন মানুষ নেই। খালি রিকসাই চালিয়েছেন, অনেকটা পথ। কিন্তু পাননি কোন ভাড়া। অনেক দুরেও গেছেন সেকেন্দার। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। পরে রাস্তায় টহল পুলিশের  বাধায় পরেন। বাধ্য হয়ে ক্লান্ত শরীরে ফিরে আসেন বাড়ি । শুধু পানি দিয়ে ইফতারের কাজ সারেন। সেহরীতে খান শুধু সেদ্ধ আলু।
সকালে ঘুম থেকে জেগে স্ত্রী তহমিনা কে ডাকেন সেকেন্দার।  বউটার মুখের দিকে আর তাকাতে পারেন না। বউটার মুখ শুকিয়ে ছোট হয়ে গেছে। আর সহ্য করতে পারেন না সেকেন্দার। রিকসা নিয়ে বেরিয়ে পরেন উপার্জনের আশায়। কিন্তু একি ! আজও রাস্তা মানব শুন্য। এদিক ও দিক খালি রিকসা নিয়ে ঘুরতে থাকেন। আজ তাকে উপার্জন করতেই হবে। দু’একটা ভাড়া মারতেই হবে। কিন্তু না! কোন কিনারা হয়না সেকেন্দারের। কোন দিকেও সে একটা ভাড়া জোগাড় করতে পারেন না। শরীরটাও আর চলছেনা। ক্লান্ত হয়ে পরেন সেকেন্দার। একটু জিরানোর জন্য রিকসা নিয়ে রাস্তার পাশে গাছের ছায়ায় বসে পরেন সেকেন্দার।
সেকেন্দার গাছের শীতল ছায়ায় আর কোমল বাতাসে ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ এক জনের ডাকে জেগে ওঠেন। লোকটিকে দেখে সেকেন্দারের চোঁখ উজ্বল হয়ে ওঠে। অন্তরে একটা খুশি ভাব কাজ করে । হৃদয়ে বয়ে যায় শান্তির পরশ । যাক এবার তাহলে একটা ভাড়া পাওয়া গেল। লোকটিকে নামিয়ে  কিছু চাল কিনতে পারবেন। আজ সে স্ত্রী-সন্তানকে খাওয়াতে পারবেন ভাত । ভীষন খুশিতে গদ গদ সেকেন্দার লোকটিকে বলেন,ভাই কোথায় যাবেন,বসেন। কিন্তু লোকটির প্রশ্নে আশাহত হন সেকেন্দার।
লোকটি সেকেন্দারকে বলেন, লক ডাউনে আপনি বেরিয়েছেন কেন ? আপনার তো জরিমানা হবে। লোকটির কথা শুনে ভয় পান সেকেন্দার।  সেকেন্দার লোকটিকে পুলিশ ভেবেছেন।সেকেন্দার জানে, সরকারী আইন লঙ্ঘন করলে পুলিশ জরিমানা করেন। আজ হয়ত তারও জরিমানা করবেন। কিন্তু সে জরিমানার টাকা কোথা থেকে দিবেন। তার কাছে তো কোন টাকা নেই। তাছাড়া সে নিজেই পরিবার নিয়ে আলু সেদ্ধ খেয়ে আছেন। তাই হাউ মাউ করে কেঁদে ফেলেন সেকেন্দার।
রিকসাওয়ালার আকস্মিক ক্রন্দনে হতবাক হন আগন্তক লোকটি। কাঁন্নার কারন জিজ্ঞেস করেন ? সেকেন্দার ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলেন,,স্যার আমাকে জরিমানা করবেন না।আমার কাছে কোন টাকা নেই। আমি খুব কষ্টে আছি স্যার। তাই বাধ্য হয়ে রিকসা নিয়ে বেরিয়েছি। আমার আর কোন উপায় ছিলনা। আগন্তক লোকটি বুঝতে পারেন,রিকসাওয়ালা তাকে পুলিশ ভেবেছেন। তাই জরিমানা গোনার ভয়ে কেঁদে ফেলেছেন। আগন্তুক লোকটি সেকেন্দারকে অভয় দেন। বলেন,কাঁদবেন না। আমি পুলিশ নই। আমার নাম সাদমান। আমি একজন সাংবাদিক।
সাদমান সেকেন্দারের কষ্টের সকল কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন। সেকেন্দার আরও বলেন,ভাই আমি আজকে রোজগার করতে না পারলে আবারও আলু সেদ্ধ খেয়ে রোজা করতে হবে। সেকেন্দারের কথা শুনে মুষড়ে পরেন সাদমান। তার চোঁখে পানি চলে আসে। নিজেকে সামলান সাদমান। সে সেকেন্দারকে ইফতার কিনে দেন এবং হাতে পাঁচশত টাকা দিয়ে বলেন,বাজার করে বাড়ি ফিরে যান। বিদায় বেলায় সাদমান সেকেন্দারের নাম, ঠিকানা জেনে নেন। সেকেন্দারকে সাহস দিয়ে বলেন, আপনার সাথে আমি আবারও যোগাযোগ করব।
সাংবাদিক সাদমানের দেয়া টাকা দিয়ে চাল-ডালসহ অন্যান্য বাজার করেন সেকেন্দার।  খুশি মনে ফিরেন বাড়িতে । স্ত্রী তহমিনাকে খুলে বলেন সকল ঘটনা। স্ত্রী তহমিনা একজন সাংবাদিকের এমন মানবিক কর্মকান্ডের কথা শুনে মন থেকে কৃতজ্ঞতা জানান। তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনে সাংবাদিক সাদমানের জন্য দোয়া করেন। এবং করোনা ভাইরাসের প্রকোপসহ চলমান এই লকডাউন তুলে নেয়ার জন্য মহান আল্লাহর নিকট ফরিয়াদ জানান।
সাংবাদিক সাদমানের দেয়া টাকায় বাজার করে দু’দিন থেকে খুব ভালই আছেন সেকেন্দার ও তার পরিবার। আজ সেহরীতে তারা পাঙ্গাস মাছ খেয়েছেন। সেকেন্দার গতকাল যে বাজার করেছেন,তা আরও দু’দিন যাবে।  এদিকে দু’দিনের মধ্যই সরকার লকডাউনও তুলে নিবেন, শুনেছেন সেকেন্দার। লকডাউন না থাকলে তার কোন অসুবিধা হবে না। পরিবার নিয়ে ভালভাবেই চলতে পারবেন। সেকেন্দার ভাবেন,এবার লক ডাউনের পর যতই কষ্ট হউক,ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করবেন। পরে আবারও  যদি কোন মহামারি হয়, তখন ওই সঞ্চয় দিয়ে চলতে পারবেন। সেকেন্দার আল্লাহর নিকট দোয়া করেন,দেশে যেন এমন মরন মহামারি আর না আসে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে রিকসাটি ধৌত করছেন সেকেন্দার। এমন সময় সাইরেন বাজিয়ে তার উঠোনে দাড়ায় একটি পুলিশ ভ্যান। ভয় পেয়ে যান,সেকেন্দার। ভাবেন আবার কোন বিপদে পরলেন। অজানা একটা শংকায় বুকটা কেপে ওঠে সেকেন্দারের। সে ভাবে তার তো কোন অপরাধ নেই,তাহলে পুলিশ কেন তার বাড়িতে? ভয়ে কাপতে থাকেন সেকেন্দার। একি পুলিশতো তার দিকেই আসছেন। আরও ভয় পেয়ে যান সেকেন্দার। সে আল্লাহ্কে ডাকতে থাকেন। মনে মনে বলেন,হে মাবুদ তুমি আমাকে রক্ষা কর।  তুমিতো জান,আমি কোন অপরাধ করিনি। তুমি আমাকে বাঁচাও খোদা।
পুলিশের একজন অফিসার সেকেন্দারের কাছে এসে বলেন,আপনার নাম কি সেকেন্দার? ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে শুকনো গলায় বলেন,জ্বি স্যার,আমার নাম সেকেন্দার। সেকেন্দারের শরীরের কাঁপুনি ও কাঁপা গলায় কথা বলার ধরন দেখে পুলিশ অফিসার বুঝতে পারেন,সেকেন্দার ভয় পেয়েছেন। অফিসার সেকেন্দারকে এবার অভয় দিয়ে বলেন,ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই। এসপি স্যার আমাকে পাঠিয়েছেন। অফিসারের কথা শুনে আরও ভীত হয়ে পড়েন সেকেন্দার। সেকেন্দার শুনেছেন, এসপি মানে পুলিশের অনেক বড় কর্তা। সেই এসপি সাহেব পাঠিয়েছেন !  কিন্তু কেন ? হিসেব মেলেনা সেকেন্দারের।
পুলিশ অফিসার এবার বলেন,আপনি কয়েক দিন থেকে পরিবার নিয়ে কষ্টে আছেন। সেদ্ধ আলু খেয়ে রোজা করছেন। আমাদের এসপি  বিল্পব কুমার সরকার স্যার বিষয়টি জেনেছেন। পত্রিকায় আপনার কষ্টের জীবন যাপনের সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। স্যার ওই পত্রিকা পড়েছেন। তিনি আপনার কষ্টের কথা জেনে খুবই মর্মাহত। তাই আপনার জন্য এক মাসের চাল-ডালসহ অন্যান্য সকল খরচ পাঠিয়েছেন। আমরা সে গুলো নিয়ে এসেছি। এসময় দু’জন পুলিশ সদস্য চাল-ডালসহ অন্যান্য বাজার সেকেন্দারের হাতে তুলে দেন। পুলিশ অফিসার আরও বলেন, আমরা আপনার খোজ খবর রাখব। আপনার আরো সহযোগীতা প্রয়োজন হলে,এসপি স্যার করবেন। আপনি আর কোন চিন্তা করবেন না।
এক মাসের সাংসারিক যাবতীয খরচ পেয়ে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন সেকেন্দার। সে পুলিশের এসপি মহোদয়ের এমন মানবিক কাজে যার পর নাই খুশী হন। আনন্দে তার চোঁখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে। সে ভাবতে থাকে তার মত একজন অসহায় নগন্য রিকসা চালকের জন্য এসপি স্যার বাজার পাঠিয়েছেন। কৃতজ্ঞতায় চোখ ছল ছল করে ওঠে সেকেন্দারের । তার মনে পরে ওই সাংবাদিকের কথা। সাদমান সাহেব । নিশ্চয় সাংবাদিক সাদমান তার এই অসহায়ত্বের কথা পত্রিকায় লিখেছেন। সেকেন্দার ওই সাংবাদিকের জন্য আবারো মন থেকে দোয়া করেন।
সেকেন্দার স্ত্রী তহমিনাকে ডাকেন। দেখেন, তহমিনা আড়ালে দাড়িয়ে সব শুনছেন। কাছে আসেন তহমিনা। তারা দু ‘জনে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন। তাদের চোঁখ দিয়ে আনন্দ অশ্রু ঝড়তে থাকে। তারা স্বামী স্ত্রী দু’জনে চোঁখের পানি মুছে জেলা পুলিশের এসপি বিপ্লব কুমার সরকারসহ পুলিশ বাহিনীর মঙ্গলের জন্য মহান আল্লাহর নিকট মন থেকে দোয়া করেন। আরও বলেন,হে আল্লাহ্ তুমি এমন মানবিক এসপি স্যারকে যুগ যুগ বাঁচিয়ে রেখ। সেকেন্দার ও তার স্ত্রী আল্লাহর নিকট আরও ফরিয়াদ জানান, এসপি বিপ্লব সরকারের মত মানবিক এসপি যেন দেশের সকল জেলায় হয়।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন ...
READ MORE
“পক্ষ”
"পক্ষ" -ফয়েজ আহমেদ   ঘটনাস্হল খাতামধুপুর,রাজনীতি সৈয়দপুরে এমনভাবে চলতে থাকলে,ক্ষতি সবার হবে, দুইটা পক্ষ দুই দিকে,রাজনীতি করছে জানি স্বচ্ছ রাজনীতি চাই মোরা,নয় অপরাজনীতি।   দড়ি ধরে টানাটানি,করছে দুই প্রভাবশালী সত্য মিথ্যার চলছে লড়াই,জানি সবাই জানি, দোষী কিনা যাছাই করা,নয়তো কারো ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “রোজা”
"রোজা" -ফয়েজ আহমেদ   নীল আকাশে উঠল ভেসে মহাখুশির চাঁদ,মুমিন সকল খাসদিলে,করবে রোজা কাল।   খাবে সেহরী,রাখবে রোজা এইতো সবার,মনের আশা পুর্ন হবে,সকল অভিলাশ।   নীল আকাশের,সোনালী চাঁদ সবার মাঝে,আনন্দ-উচ্ছ্বাস এলো খুশির,মাহে রমজান।   নীল আকাশের,বাঁকা চাঁদে সকল মুমিন,স্বপ্ন খোজে মাবুদ দিবে,এবার নিস্তার।   মাস ব্যাপি,রাখবে রোজা পড়বে নামায,করবে দোয়া সকল ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা  “যুদ্ধ চাই”
যুদ্ধ চাই" -ফয়েজ আহমেদ যুদ্ধ চাই,ভৌগলিক রেখার নয় স্বাধীনতা চাই,সেই পতাকার নয়, সংগ্রাম চাই,রুখতে,অশুভ ব্যাধি আরেকটি যুদ্ধ চাই,করতে শুদ্ধির।   যুদ্ধ চাই আনতে,শুভ রাজনীতি অফিস-আদালত হবে,মুক্ত র্দূনীতি, সামাজিক স্তরে চাই,প্রকৃত সেবা যুদ্ধ চাই মোরা,সুশাসন প্রতিষ্ঠার।   যুদ্ধ চাই,আনতে মানবতার সুদিন গাইবে সবাই,মানবিক গান ...
READ MORE
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
"হাঁস বিড়ালে খাইছে" - ফয়েজ আহমেদ। (বর্তমান প্রেক্ষাপটের একটি ছোট গল্প) সেদিন ছিল সোমবার। ফকিরের হাট। সজিব হাটে গিয়ে হাস কিনবে। হাসের মাংস খুব প্রিয় সজিবের। বাজারের ব্যাগ নিয়ে মটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে হাটের ...
READ MORE
“আমি বাঙ্গালী”
"আমি বাঙ্গালী" -ফয়েজ আহমেদ   আমি বাঙ্গালী,বীর আমি,মহাবীর দুঃসাহসী নির্ভীক,মৃত্যুন্জয় আমি, ভয়,সেটা আবার কি?জানা নেইতো আমি বঙ্গবন্বুর জ্বালাময়ী ভাষন,কবিতা।   ৭মার্চের ঐতিহাসিক ডাক,নির্ভয়তা আমি আষাঢ়ের বজ্রপাত,আমি কঠিন বজ্রশক্তি, দুচোঁখে যুদ্ধের নেশা,আমি স্বাধীনতাকামী বিজয় ছিনিয়ে নেয়া, রক্তিম হতিহাস আমি।   মনে নেই একাত্তর,আমি তার ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট “গল্প রেবেকার অজ্ঞামী”।
মায়ের শরীরটা ভাল নেই। অনেক ডাক্তার দেখানে হয়েছে। কিছুতেই সেরে উঠছেনা মায়ের শরীর। মায়ের শরীরের চিন্তায় ভাল নেই জিলানীর মন। সব সময় মায়ের সেরে ওঠা নিয়ে চিন্তায় মগ্ন থাকে জিলানী। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প”ঘৃণা”।
বিগত পাঁচ বছর পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন রেজা মাহমুদ। চাকুরী করেন বেসরকারী একটি ফার্মে । নিজ শহরে বৃদ্ধ বাবা-মা ও তিন ভাই আছেন। প্রতিবছর একবার নিজ শহরে আসেন রেজা। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
শুধু গ্রামে নয়,আশে পাশের আরো দশ গ্রামে আবিরের নাম প্রচার হয়ে গেছে। দশ গ্রামের লোক আজ আবিরকে আলাদা চোঁখে দেখছেন। তাকে সমীহ করছেন,ভালবেসে আবির ভাই বলে সম্বোধন করছেন। আবির আজ ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র এর গল্প “অসম প্রেম পরিনতি”
মাসুদ পার্কে বসে আছে। রীতা মাসুদকে জরুরী ভাবে এখানে আসতে বলেছে। আজ রীতা আর মাসুদের ভালবাসার পরিনতির ফায়সালা হবে।  চুড়ান্ত বোঝা-পড়া হবে।ভালবাসা নিয়ে টানপোড়েন নিষ্পতি করবে ওরা। ক'দিন থেকে রীতা ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
“পক্ষ”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “রোজা”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “যুদ্ধ চাই”
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
“আমি বাঙ্গালী”
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট “গল্প রেবেকার অজ্ঞামী”।
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প”ঘৃণা”।
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
ফয়েজ আহমেদ’র এর গল্প “অসম প্রেম পরিনতি”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।