আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ছকিনার স্বপ্ন ভঙ্গ”।

গ্রামে গঞ্জে ভিক্ষা করেন ছকিনা বেওয়া। বয়স তার ষাট পেরিয়েছে অনেক আগেই। স্বামীও মারা যাওয়ার প্রায় পনের বছর। হয়নি কোন বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা।দুই ছেলের সংসারে বউদের নাকানি-চুবানি খেয়েও ভালই ছিলেন ছকিনা বেওয়া । কিন্তু গত বছর অভাবের জ্বালায় ছেলে দু’টা ভিটে-মাটি বিক্রি করে চলে গেছে ঢাকা। বৃদ্ধ মায়ের  আর নেননি কোন খোজ। কি আর করা। অগ্যতা পেটের অন্ন যোগাতে ভিক্ষা পেশায় নাম লেখান ছকিনা বেওয়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা ভিক্ষা’র কাজে ব্যয় করেন ছকিনা। রাতে ঘুমান ছলিমুদ্দিন ভাইয়ের রান্না ঘরের এক কোণে ।

 

ছলিমুদ্দিন ভাই বেজায় ভাল লোক। তিনি ছকিনাকে আশ্রয় দিয়েছেন। হউক না রান্না ঘরের এক কোণ।তাতে কি? মাথা গোজার একটা ঠাইতো পেয়েছেন। রান্না ঘরে থাকলেও ছকিনা’র রান্না করার দরকার পরে না। দুপুর ও রাতে ছকিনা কারো না কারো বাড়ীতে খেয়ে নেন। এদিকে ভিক্ষা করে চাল ও টাকা যা পান ছলিমুদ্দিন ভাই’র নিকট জমা রাখেন। ছকিনার  হিসেব মতে টাকা হয়েছে পঞ্চাস হাজারের অধীক আর এদিকে চালও জমা হয়েছে কয়েক মণ।
ছকিনা ভাবেন,এবার ঈদে ভিক্ষার সাথে  ফিতরা ও সাহায্য মিলে ছকিনা বেশ কিছু টাকা পাবেন। ছলিমুদ্দিন ভাই বলেছেন,আর কিছু টাকা হলে দক্ষিনের জমি থেকে দুই শতক জমি ছকিনার নামে রেজিষ্ট্রি করে দিবেন। বাশ আর টিন দিয়ে গড়িয়ে দিবেন একটি ঘরও। ছলিমুদ্দিন ভাইয়ের মুখে এমন কথা শুনে খুব খুশী হন ছকিনা। মনটা তার আনন্দে ভরে যায়। ছকিনা ভাবেন, জমি আর ঘরটা করতে পারলে খুব ভালই হবে। ছেলে দু’টো ফিরে আসলে মাথা গোজার ঠাই পাবেন। তাছাড়া নিজের একটা ঘর থাকলে দৈনিক ভিক্ষা করতে যাবেনা ছকিনা বেওয়া। মাঝে মধ্য একটু বিশ্রাম নিবেন। ছলিমুদ্দিন ভাই’র রান্না ঘরে দিনে থাকার অনুমতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে দৈনিক ভিক্ষা করতে যান ছকিনা।
এবার ঈদে ভালই সাহায্য পেয়েছেন ছকিনা। ফিতরা,সাহায্য আর চাল মিলে প্রায় কুড়ি হাজার। সাথে পেয়েছেন পাঁচটি শাড়ি। ছকিনা সবই তুলে দিয়েছেন ছলিমুদ্দিন ভাই’র হাতে। ছলিমুদ্দিন ভাই বলেছেন,আগামী দু’মাসের মধ্যে ছকিনার নামে জমি ও ঘর করে দিবেন। ছলিমুদ্দিন ভাইয়ের কথায়, মনের মধ্যে একটা পরিতৃপ্তির ইমেজ আসে ছকিনার। একটা শুকনো হাসি ঠোটের কোনে খেলা করে। ছকিনার হৃদয় মানসপটে ভেসে ওঠে ছেলে দু’টোর মুখ। অনেক দিন থেকে সে ছেলেদের দেখেননি। শুনেননি তাদের মুখে মা ডাক। নাতি-নাতনীদেরও দেখতে মনটা ব্যাকুল ছকিনা বেওয়ার।
ছকিনা বেওয়া মনে মনে ভাবেন,জমি আর ঘরটা হলে এবার ভিক্ষা করা ছেড়ে দিবেন। কয়েকটা ছাগল আর মুরগি লাগাবেন। সে গুলোর পরিচর্যা করবেন। এতেই চলে যাবে ছকিনার বাকীটা জীবন। তার তো একটাই পেট। কতই বা খান ছকিনা বেওয়া। এছাড়া তিনি রাস্তার মোড়ে ভাপা ও চিতই পিঠা বেঁচবেন। এদিকে ছেলে দু’টো ফিরলে তার আর কোন চিন্তা থাকবে না। ছেলেদের সংসারে সে, যে কোন ভাবে মানিয়ে নিবেন। ভবিষ্যতের এমন পরিকল্পনা ছকিনা বেওয়ার মনে আরও সাহস জোগায়। ছকিনা ভাবেন,তার কষ্টের দিন এবার ফুরাবেই।
দু’মাস অতিবাহিত হল। ছকিনা বেওয়া এ দু’মাসে প্রায় আরো দশ হাজার টাকা জমা করেছেন ছলিমুদ্দিন ভাই’র হাতে। চালও পেয়েছেন প্রায় দুই মণ। কিন্তু ছলিমুদ্দিন ভাই কিছুই বলছেন না। ছকিনা বেওয়া’র মনটা ব্যাকুল হয়ে পরেছে। নিজের এক টুকরো জমি ও একটি ঘরই এখন তার স্বপ্ন, সাধনা। ছকিনা বেওয়া জমি আর ঘরের চিন্তা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুমের মধ্যে ছকিনা স্বপ্নে দেখেন,দুই ছেলে,ছেলের বউ আর নাতি-নাতনীদের নিয়ে নিজের বাড়িতে খুনসুটিতে মেতে আছেন ছকিনা। স্বপ্ন দেখে খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠেন ছকিনা বেওয়া। সিদ্ধান্ত নেন,আজ একটু দেরিতে বের হবেন। ছলিমুদ্দিন ভাই’র সাথে তিনি কথা বলবেন।
সকাল দশ’টা বাজে। ছকিনা বেওয়াকে এত বেলায় বাড়িতে দেখে ছলিমুদ্দিন জিজ্ঞেস করেন,কি ব্যাপার ছকিনা। তুমি আজ এখনও বাড়িতে কেন ? ছকিনা জবাব দেন,ভাই আপনার সাথে কথা বলার জন্যই দেরী করছি। ছকিনা এবার বলেন,ভাই দু’মাস তো পার হল। আমার জমি আর ঘরের কি করলেন। ছলিমুদ্দিন এবার বলেন,পাগল হয়ো না। আমি তোমার ব্যাপারটা দেখছি বলে ছকিনাকে বলেন,আমি তোমার জন্য আরো ভাল একটা চিন্তা করেছি। তুমি জমিসহ পাকা বাড়ি পাবে। ছলিমুদ্দিনের কথায় আরও খুশী হন ছকিনা। বলেন,ভাই কি ভাবে করবেন।
এবার ছকিনা বেওয়াকে ছলিমুদ্দিন বলেন,ওই পাড়ায় সরকারী ভাবে বাড়ি বানানো হচ্ছে, দেখেছ ? ছকিনা জানায়,হ্যা ভাই দেখেছি। ওখানে তো পঞ্চাস জন গরীব মানুষকে বাড়ি দেওয়া হবে। ছলিমুদ্দিন বলেন,হ্যা ওটা সরকারী আবাসন। গরীব মানুষের জন্য সরকার ওখানে দু’টো করে ঘর তৈরী করছেন। তোমাকে ওখানে বাড়ি নিয়ে দিব। চেয়ারম্যানের সাথে আমি তোমার ব্যাপারে কথা বলেছি।  তোমাকে আর বাড়ি নিয়ে চিন্তা করতে হবেনা। তবে খরচা বাবদ চেয়ারম্যান সাহেবকে আশি হাজার টাকা দিতে হবে।
ছকিনা বেওয়া শুনেছেন,দেশের প্রধানমন্ত্রী,শেখের বেটি হাসিনা বিনা  মুল্যে গরীব মানুষকে বাড়ি করে দিচ্ছেন । কিন্তু তালিকায় নাম দেয়ার জন্য চেয়ারম্যান অনেকের কাছে টাকা নিচ্ছেন। ভিক্ষা করতে গিয়ে চেয়ারম্যানের নামে এমন আরও কথা শুনেছেন ছকিনা। ছকিনা ভাবেন,নিক টাকা,তবুও তো সে দুই ঘরের একটা পাকা বাড়ি পাবেন। তার ছেলেরা ওই বাড়িতে ফিরতে পারবেন। ছকিনা এবার ছলিমুদ্দিন ভাইকে বলেন,ভাই কবে পাব বাড়ি? ছলিমুদ্দিন ছকিনাকে বলেন,দু’এক দিনের মধ্যে তোমাকে নিয়ে চেয়ারম্যান সাহেব এর বাড়িতে যাব।
ছকিনা চেয়ারম্যানের বাড়ির খুলিতে বসে আছেন। ছলিমুদ্দিন ভাই ভিতরে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলছেন। কিছুক্ষন পর ছলিমুদ্দিন ছকিনাকে ডেকে ভিতরে নিয়ে যান। চেয়ারম্যান সাহেব ছকিনাকে বলেন,ছলিমুদ্দিন ভাই আমাকে সব বলেছেন। আমি শুনেছি। আপনাকে ওই আবাসনে একটি বাড়ি দেয়া হবে। আপনি আর কোন চিন্তা করবেন না। চেয়ারম্যান আরও বলেন,মনে করুন আপনি ঘর পেয়ে গেছেন। চেয়ারম্যানের মুখে এমন কথা শুনে ভিতরটা শীতল হয় ছকিনার। মনের ভিতরে খুশীর ঝড় বয়ে যায়। ছকিনা ভাবেন এবার তার দেখা স্বপ্ন সত্য হবে। সে ছেলে-বউ,নাতী-নাতনীদের নিয়ে খুনসুটিতে মেতে উঠবেন।
আবাসনের পঞ্চাসটি ঘর গরীব মানুষদের মাঝে বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিগণ এসে ঘরের দলিল পঞ্চাস জন গরীব মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন।পঞ্চাস জনের মধ্যে নাম নেই ছকিনা বেওয়ার। ছকিনা বেওয়া সব শুনেছেন আর কেঁদেছেন।  তিনি এবার ছলিমুদ্দিন ভাইকে বলেন,ভাই আমি তো ঘর পেলাম না। আপনি এখন আমার জন্য কি করবেন? আপনি আমাকে জমি দেন আর ঘর বানিয়ে দেন। ছকিনার এমন প্রস্তাবে বিরক্ত হন ছলিমুদ্দিন। বলেন,তোমার জমানো সব টাকা চেয়ারম্যান সাহেবকে দিয়েছি। আমি তোমাকে কোথা থেকে জমি আর ঘর করে দেব?
ছলিমুদ্দিন ভাইয়ের এমন বিরক্তি ভরা জবাবে হাউ-মাউ করে কেঁদে ফেলেন ছকিনা বেওয়া। কষ্টে তার বুকটা ফেটে যেতে চায়। সে ছলিমুদ্দিনকে বলেন,ভাই আমি একটা বছর কোন বিশ্রাম করি নাই। সকাল থেকে রাত ভিক্ষা করে আপনার কাছে টাকা জমিয়েছি। আমার ভিক্ষার টাকা। আপনি এমন কথা কেন বলছেন? এবার ক্ষেপে যান ছলিমুদ্দিন। বলেন তোমার টাকা কি আমি খেয়েছি ?  সব টাকা চেয়ারম্যানকে দিয়েছি। তোমার একটা টাকাও আমার কাছে নেই। তুমি চেয়ারম্যানের কাছে টাকা ফেরৎ চাও।
ছলিমুদ্দিন ভাইয়ের এমন কথায় মুষড়ে পরেন ছকিনা বেওয়া। সে চেয়ারম্যানের কাছে কি ভাবে টাকা ফেরৎ নিবেন ? তার কি সেই ক্ষমতা আছে ? কঠিন এক কষ্টে নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় ছকিনার। সে শুনেছেন,চেয়ারম্যান অনেকের টাকা নিয়েছেন,কিন্তু কাউকেই ঘর দিতে পারেননি। সবাই টাকার জন্য ঘুরছেন। চেয়ারম্যান কারো টাকা ফেরৎ দেন নাই। আর সে তো একজন ভিক্ষুক। সে চেয়ারম্যানের কাছে কি ভাবে টাকা ফেরৎ নিবেন?  ভেবে পায় না ছকিনা। ছকিনা জেনেছে,চেয়ারম্যান নিজের প্রভাব খাটিয়ে গরীব লোকদের টাকা নিয়েছেন। তার ঘর দেয়ার ক্ষমতা নেই। ঘর দিয়েছেন,সরকারী লোক। তারা যাছাই বাছাই করে তালিকা করেছেন।
চেয়ারম্যানের কক্ষের সামনে বারান্দার এক কোনে বসে আছে ছকিনা বেওয়া। চেয়ারম্যান সাহেব এখনও আসেন নাই। চোঁখ দিয়ে নিরবে পানি পরছে ছকিনার। স্বপ্ন ভঙ্গের এক কঠিন জ্বালায় পুড়ছে ছকিনার মন। তার স্বপ্ন কি আর সত্যি হবে না। নিজের এক খন্ড জমি আর একটা ঘর কি হবেনা ছকিনা বেওয়া’র। এত কষ্টের ভিক্ষার টাকা, এভাবে শেষ হয়ে যাবে। ছকিনার কান্না দেখে একজন চৌকিদার বলেন,কি ব্যাপার বেটি,এখানে বসে কাঁদছ কেন? তুমি কিছু খাবে? কোন জবাব দেয়না ছকিনা বেওয়া। এমন সময় চেয়ারম্যান সাহেব আসেন। ছকিনাকে না দেখার ভান করে নিজের চেয়ারে গিয়ে বসেন।
ছকিনা এবার চেয়ারম্যান সাহেব এর সামনে যান। বলেন,আমি তো ঘর পাইনি। আমার টাকা ফেরৎ দেন। ছকিনার কথায় উত্তেজিত হন চেয়ারম্যান। বলেন,তোমার নাম তালিকায় দিয়েছি। সরকার তোমাকে ঘর না দিলে আমি কি করব। আর কিসের টাকা ? তুমি কি আমাকে টাকা দিয়েছ ?  ছকিনা থতমত খেয়ে বলেন,ছলিমুদ্দিন ভাই দিয়েছেন। এবার আরও রেগে যান চেয়ারম্যান।  বলেন, তাহলে তুমি এসেছ কেন ? যাও ছলিমুদ্দিন কে পাঠাও। আমি ছলিমুদ্দিনের সাথে কথা বলব।  চেয়ারম্যান এবার চৌকিদারকে ডাকেন এবং ছকিনাকে বের করে দেয়ার হুকুম দেন।
চৌকিদার ছকিনা বেওয়াকে পরিষদ থেকে বের করে দিয়েছেন। ছকিনা বেওয়া কাঁদছেন। সে বুঝে গেছে, তার ভিক্ষার টাকা তসরুপ হয়েছে। এখন কোথায় যাবে ছকিনা বেওয়া । কার কাছে দিবেন বিচার। ছকিনা বেওয়ার দেহটা অবশ হয়ে আসছে। পাঁ কোন ভাবে চলছে না।  দু’চোঁখে দেখছেন, ক্রমশ অন্ধার । পৃথিবীর সব কিছু তার কাছে মিথ্যে মনে হচ্ছে। ছলিমুদ্দিন আর চেয়ারম্যানের আচরণ তাকে আজ পৃথিবী বিমূখ করেছে।
ছেলে দু’টোর মুখ বার বার চোঁখে ভেসে ওঠছে ছকিনার। নাতী-নাতনীদের কথা খুব মনে পরছে তার । আরও মনে হচ্ছে,এখনই তিনি  মারা যাবেন। শুধু আপসোস হচ্ছে,আপনজন কারো সাথে দেখা হবে না। মনের লালিত স্বপ্ন নিজের একখন্ড জমি,একটি ঘর আর হবে না । ছলিমুদ্দিন আর চেয়ারম্যান সেই স্বপ্ন গিলে খেয়েছেন। ছকিনা ওদের মন থেকে তিরস্কার করেন। ছকিনা বেওয়া ভাবেন,তার স্বপ্ন ভঙ্গের কঠিন কষ্টের আগুনে একদিন ঠিকই জ্বলবেন, ছলিমুদ্দিন আর চেয়ারম্যান। ছকিনা বেওয়া এবার মাথা ঘুরে লুটিয়ে পড়েন মাটিতে।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা  “যুদ্ধ চাই”
যুদ্ধ চাই" -ফয়েজ আহমেদ যুদ্ধ চাই,ভৌগলিক রেখার নয় স্বাধীনতা চাই,সেই পতাকার নয়, সংগ্রাম চাই,রুখতে,অশুভ ব্যাধি আরেকটি যুদ্ধ চাই,করতে শুদ্ধির।   যুদ্ধ চাই আনতে,শুভ রাজনীতি অফিস-আদালত হবে,মুক্ত র্দূনীতি, সামাজিক স্তরে চাই,প্রকৃত সেবা যুদ্ধ চাই মোরা,সুশাসন প্রতিষ্ঠার।   যুদ্ধ চাই,আনতে মানবতার সুদিন গাইবে সবাই,মানবিক গান ...
READ MORE
“কবর পেল শাবনুর”
"কবর পেল শাবনুর"   -ফয়েজ আহমেদ।   মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে অঝোরে কাঁদতে থাকে আবুল হোসেন। একটি মাত্র মেয়ে তার। আর কোন ছেলে পুলে নেই। অভাবের তাড়নায় মেয়েটিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল আবুল হোসেন। মেয়েটিকে ...
READ MORE
“জাগ্রত স্বপ্ন”
"জাগ্রত স্বপ্ন" -ফয়েজ আহমেদ   তোমার স্মৃতি উকি দেয়, হৃদয় আয়নায় ভোলা যায় না,মনের গহীনে চাপা কষ্ট, যতবার চেষ্টা করি,ভুলব তোমার স্মৃতি জাগ্রত স্বপ্নে,সামনে এসে দাড়াও তুমি।   তোমার স্মৃতিগুলো কষ্ট দেয়,অবিরত সুখ-স্মৃতির দিনগুলো,আজ বেদনাময়, কষ্টের কঠিন আঘাত,জর্জরিত হাহাকার স্মৃতির বেড়াজালে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “রোজা”
"রোজা" -ফয়েজ আহমেদ   নীল আকাশে উঠল ভেসে মহাখুশির চাঁদ,মুমিন সকল খাসদিলে,করবে রোজা কাল।   খাবে সেহরী,রাখবে রোজা এইতো সবার,মনের আশা পুর্ন হবে,সকল অভিলাশ।   নীল আকাশের,সোনালী চাঁদ সবার মাঝে,আনন্দ-উচ্ছ্বাস এলো খুশির,মাহে রমজান।   নীল আকাশের,বাঁকা চাঁদে সকল মুমিন,স্বপ্ন খোজে মাবুদ দিবে,এবার নিস্তার।   মাস ব্যাপি,রাখবে রোজা পড়বে নামায,করবে দোয়া সকল ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “ভালবাসি হয়নি বলা”।
"ভালবাসি হয়নি বলা" -ফয়েজ আহমেদ।   জবা তলায় বসে বাদাম খাচ্ছে রিপন।সে একাই বসে আছে।কিছুক্ষন আগে তার সহপাঠীরা চলে গেছে। আজ কলেজে আর কোন ক্লাস নেই। বাদাম খাওয়া শেষে রিপনও চলে যাবে। রিপনের ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”বিধি বাম”।
ভালবেসে নাজমীনকে বিয়ে করেছিল তুহিন। ক'দিন আগে নাজমীন আর তুহিনের বিয়ের দশ বছর পুর্ণ হয়েছে। জাকজমক ভাবে বিয়ের দশ বছর পূর্তি করেছেন তারা।  সংসার জীবনে তাদের কোন অর্পূন্নতা নেই। শুধু ...
READ MORE
“নেতা”
"নেতা" -ফয়েজ আহমেদ   নেতা,তুমি করনি সেবা,করেছ অবহেলা আদর্শচূত হয়েছ তুমি,পালন করনি ওয়াদা, নীতি ভেঙ্গেছ তুমি,নৈতিকতা দিছ বলি জনতাকে দিছ ধোকা,শপথ ভেঙ্গে তুমি।   নেতা,পাশে রবে বলে,দুরে কেন আছ তোমার দেয়া অঙ্গীকার,ভুলে কেন গেছ, আশার বানী অনেক দিছ,ভুলে তা কি ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
শ্বাস নিতে পারছেন না আছমা বেগম। খুব কষ্ট হচ্ছে তার। মনে হচ্ছে এক্ষনেই মারা যাবেন। কয়েক দিন থেকেই তার শরীরে জ্বর চলছে।  গতকাল জ্বরটা বেশী ছিল। পাড়ার মোড় থেকে নাপা ...
READ MORE
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
"হাঁস বিড়ালে খাইছে" - ফয়েজ আহমেদ। (বর্তমান প্রেক্ষাপটের একটি ছোট গল্প) সেদিন ছিল সোমবার। ফকিরের হাট। সজিব হাটে গিয়ে হাস কিনবে। হাসের মাংস খুব প্রিয় সজিবের। বাজারের ব্যাগ নিয়ে মটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে হাটের ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “যুদ্ধ চাই”
“কবর পেল শাবনুর”
“জাগ্রত স্বপ্ন”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “রোজা”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “ভালবাসি হয়নি বলা”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”বিধি বাম”।
“নেতা”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।