আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :

ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।

মাথা ভর্ত্তি একরাশ চিন্তা নিয়ে শহরের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয় রফিক। বাড়িতে কোন টাকা নেই। বাজার যা আছে দু’এক দিনে শেষ হয়ে যাবে। এদিকে এখন তার পকেটে আছে মাত্র পঞ্চাস টাকা। টাকার সমস্যায় বেশ কিছু দিন মাছ-মাংস কিনেন নাই রফিক। সবজি আর ডাল-ভাজি গলা দিয়ে নামতে চায়না। এদিকে মাস্টার্সের ফরম ফিলাপের টাকা কালকের মধ্যই জমা দিতে হবে। টিউশনির টাকা পেতেও এখনও বাকী প্রায় বিশ দিন। তাই অন্তত হাজার দশেক টাকা তাকে জোগাড় করতেই হবে।

টাকার একটা ব্যবস্থা করতে শহরের দিকে রওয়ানা হন রফিক। রিকসা বা ভ্যানে গেলে দশ টাকা ভাড়া দিতে হবে। এই মহুর্তে রফিক এক টাকাও খরচ করবেন না। তাছাড়া রাস্তা-পথে পরিচিত কারো সাথে হতে পারে দেখা। খাওয়াতে হতে পারে নাস্তা বা পান। তখন কি করবেন রফিক ? না ওই শেষ সম্বল পঞ্চাস টাকা এখনই হাতছাড়া করবেন না রফিক। রফিক ভাবেন,তার এই আর্থিক কষ্ট আর বেশী দিন থাকবে না। সে চাকুরীর জন্য বন্ধু আরিফের হাতে টাকা দিয়েছেন। পাঁচ লক্ষ টাকা। নিজের শেষ সম্বল ধাণি  জমিটা রফিক বন্ধক রেখেছেন। আরিফ বলেছে,আগামী তিন মাসের মধ্যে চাকুরীটা হবে।

রফিকের মাথার চিন্তা আর যায়না। তাই দোলা পথ পেরিয়ে মহল্লা দিয়ে শহরের দিকে হাটতে থাকেন রফিক। বাড়িতে হাফ কেজি চালও নেই। কিন্তু তার পরেও মাথায় সামাজিকতা রক্ষার চিন্তা ঘুরপাক খায়। একেই বলে হয়ত মধ্যবিত্ত্ব। পেটে প্রচন্ড ক্ষুধার জ্বালা,পকেট গড়ের মাঠ কিন্তু চোখ-মুখ উজ্বলতায় ভরা। এরা শত অভাবেও লজ্জায় মুখ খুলতে পারেন না। বলা হয়না আমরা খুবই অভাবে আছি। হ্যা এরাই মধ্যবিত্ত্ব। অভাব-অন্টনে খা খা করছে সংসার কিন্তু তার পরেও সামাজিকতা রক্ষায় এরা সিদ্ধ হস্ত।
কিন্তু রফিক তো মধ্যেবিত্ত্ব নয়। সে নিম্ন মধ্যবিত্ত্ব। অনেকটা গরিব। কিন্তু তার শিক্ষা,চাল-চলন সমাজে তাকে মধ্যবিত্ত্বের সম্মান দিয়েছে। ইচ্ছে করলেই সে কারো বাড়িতে কাজে যেতে পারেন না। তাছাড়া রিকসা-ভ্যান চালানো বা মুঠের কাজ করাও সম্ভব নয়। পেটে ক্ষুধা, সংসারের শত অভাব নিয়ে এরা সামাজিকতা রক্ষায় হয় দৃঢ় প্রত্যয়ী। শত অভাবে জর্জরিত হয়েও এরা সুখের ভাণ করেন। এই শ্রেণীর কথা চিন্তা করেই মনিষিরা হয়ত বলেছেন,হয় গরীব হও,নয়তো বিত্ত্ববাণ। কখনও মধ্যবিত্ত্ব হয়োনা। মধ্যবিত্ত্ব এখন একটা অভিশাপ। কারন মধ্যবিত্ত্বদের খোজ কেউ রাখেন না।
রফিক দোলা পথ মাড়িয়ে প্রবেশ করেন শহরে ।  শহরে তার প্রতিষ্ঠিত বন্ধু আরিফের অফিসে যান। অফিসে প্রায় ঘন্টা খানেক অপেক্ষার পর বন্ধু আরিফের সাক্ষাৎ পান। রফিক বন্ধু আরিফের সাথে ভাল-মন্দ আলোচনা করেন। আরিফ বলেন,তুই চিন্তা করিস না। দ্রুত তোর চাকুরিটা হয়ে যাবে। রফিক কোন ভাবেই আরিফকে আর বলতে পারেনা তার অভাবে থাকার কথা। আরিফ চায়নিজ খাবার অর্ডার করেন। দুই বন্ধু মিলে চায়নিজ খান। খাবার মুখে তোলার সময় রফিকের কান্না আসতে চায়।বউটা তার অনেক দিন থেকে ভাল খাবার খেতে পারেন নাই। আর  আজ সে খাচ্ছে দামী চায়নিজ খাবার।
রফিক খেয়াল করে দেখেন, বন্ধু আরিফের অফিসে অনেক গুলো পলি ব্যাগে চাল-ডাল ভরা। আছে তেল পিয়াজসহ আরো নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক দ্রবাদি। রফিক কৌতুহলবশত বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেন,বন্ধু ব্যাগ গুলোতে কি আছে। বন্ধু আরিফ বলেন,এখানে দু’শো প্যাকেট ত্রান আছে। সব গুলো গরীব মানুষের মাঝে বিতরন করা হবে। তুই এসেছিস ভাল হয়েছে,পঞ্চাসটা প্যাকেট নিয়ে যা। তোর এলাকার গরীব লোকদের বিতরণ করিস।
আরিফের কথায় খুব খুশী হয় রফিক। দেশের বর্তমান আর্থিক অবস্থায় তার মত অনেকে খুব অভাব-অন্টনে আছেন। অসহায় অবস্থায় দিনাতি পার করছেন অনেক মানুষ। রফিক এবার বন্ধুকে বলেন,দোস্ত আমারও হাতের অবস্থা কিন্তু ভাল না। একটু সমস্যায় আছি। হাজার দশেক টাকা দরকার।  আগামী মাসেই  ফেরৎ দিব। সম্ভব হলে টাকাটা দে। রফিকের কথার কোন জবাব দেয়না আরিফ। অফিসের পিয়নকে ডেকে রফিককে পঞ্চাস প্যকেট ত্রান দেয়ার নির্দেশ দেন। পরে পকেট থেকে দশ হাজার টাকা বের করেন। হাসি মুখে তুলে দেন, রফিকের হাতে । রফিক টাকাসহ পঞ্চাসটি প্যাকেট নিয়ে বাড়ী ফিরে আসেন।
রফিক এলাকার অসহায় পঞ্চাস জন গরীব লোকের তালিকা করেন।  তাদের বাড়ি গিয়ে বন্ধু আরিফের দেয়া প্যাকেট বিতরণ করেন। বিতরনের তালিকা পরের দিন বন্ধুর হাতে তুলে দেন। বন্ধু আরিফ খুব খুশী হন। আরিফ নিজে খুব অভাবে রয়েছেন,তার পরেও সে বন্ধুর দেয়া গরীব মানুষের ত্রান সাহায্যর প্যাকেট নিজে গ্রহন করেননি। রফিকের মনও কাঁদে গরীব মানুষের জন্য। রফিক ভাবেন,আল্লাহর ইচ্ছা হলে,সেও একদিন গরীব মানুষের পাশে দাড়াবেন।
বিকেলে চা খেয়ে খবরের কাগজ পড়ছেন রফিক। হঠাৎ একটি খবরে তার চোঁখ আটকে যায়। একি এখানে তো আরিফের নামে সংবাদ ছাপানো হয়েছে। রফিক হেড লাইনটা আবারও পড়েন। বড় বড় অক্ষরে লেখা হয়েছে,প্রতারক আরিফ গ্রেফতার,অফিস সিলগালা। হেড লাইন পড়ে আশ্চর্য হন রফিক। ভাবেন,এটা কি করে সম্বব ?  বন্ধু আরিফ তো অনেক ভাল মানুষ। গরীবের দুঃখে যার  কাঁদে প্রাণ, সে কিভাবে প্রতারক হন। এবার খবরের গর্ভটা ভাল করে পড়েন ।খবরে আরিফের প্রতারনার সব কিছু তুলে ধরা হয়েছে। ভুক্ত ভোগীদের বক্তব্যও ছাপা হয়েছে। রফিক ভাবতে পারেন না,আরিফ এত লোকের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রায় পাঁচ কোটি টাকা।
পত্রিকার খবরটা বার বার পড়েন রফিক। বেদনায় কাতর হয়ে পরেন। দু’ চোঁখ দিয়ে অশ্রু ঝড়তে থাকে। মনের ভিতরে শুরু হয় প্রচন্ড তোলপাড়। আরিফ এত খারাপ। কই,সে তো জানতে পারনি ? আরিফ এক্সপোর্ট-ইমপোট ব্যবসা করেন। এছাড়া তার রয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে জনবল সরবরাহ ব্যবসা।তাহলে কি সবই মিথ্যা। লোক দেখানো। তাহলে কি আরিফ এগুলোর আড়ালে প্রতারনার ব্যবসা খুলে বসেছেন। আর শত যুবেকর টাকা নিয়ে হয়েছেন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি। পত্রিকায় আরো লেখা হয়েছে,আরিফ পাসপোর্ট-ভিসা ইতিমধ্যে হাসিল করেছেন। কয়েকদিনের মধ্যেই সে পুরো পরিবার নিয়ে মালয়েশিয়া পালিয়ে যেতেন।পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ বিষয়টি টের পেয়ে আটক করেছেন আরিফকে।
 আর ভাবতে পারেনা রফিক। তার শুধু মনে হয়  বেকার এই যুবকদের কি হবে ?  তারা কি আদৌ টাকা ফেরত পাবেন ?  আরিফ নিজের অবস্থার মত অন্য যুবকদের কথাও চিন্তা করেন। তারাও হয়ত ভিটে-মাটি বিক্রয় বা বন্ধক রেখে টাকা তুলে দিয়েছেন প্রতারক আরিফের হাতে।  রফিক ভাবে এখন তার কি হবে ? চলার তো কোন ব্যবস্থা নেই। চাকুরীটা হলে আস্তে-ধীরে সে বন্ধকী জমিটা ছুটায় নিত। এখন সে কি ভাবে বন্ধকী জমি বের করবে। টিউশনি করে যা পান তা দিয়ে সংসার চলাতেই হিমশিম খান রফিক। বারো মাস অভাব তার লেগেই আছে। তা হলে কি বন্ধু আরিফকে বিশ্বাস করে, মস্ত ভুল করেছেন রফিক ?
রাতে ঘুমাতে পারেননি রফিক। শুধু একাত-ওকাত করে কাটিয়েছেন গোটা রাত। রফিকের বউ বার বার জিজ্ঞেস করেছেন,কি হল তোমার। ঘুমাচ্ছ না কেন? বউকে ঘটনার কিছুই জানাননি রফিক। পেপারটাও গোপন জায়গায় রেখেছেন। বউটাকে সে কিছু জানাতে চায় না। রফিকের বউ বিষয়টি জানলে চিন্তায় পাগল হয়ে যাবেন। তাছাড়া টাকা দেয়ার সময়ও নিষেধ করছিল তার বউ  রহিমা। বলেছিল ওত গুলো টাকা। যদি চাকুরী না হয়। রফিক বউকে বুঝিয়েছে,আরিফ ভাল ছেলে,তার কাছের বন্ধু,প্রতিষ্টিত একজন ব্যবসায়ী। কিন্তু এখন এই ঘটনা জানলে কি বলবে রফিক ? সে আর ভাবতে পারেনা। তার বুক চিড়ে বোবা একটা কান্না বেরিয়ে আসতে চায়।
সকালে নাস্তা করে থানার উদ্দেশ্য রওয়ানা হন রফিক। আরিফকে তিন দিনের রিমান্ডে থানায় আনা হয়েছে। রফিক থানায় গিয়ে ওসি সাহেবের সাথে দেখা করেন। ওসি সাহেব সব ঘটনা শুনে রফিককে বলেন,আপনারা এত বোকা কেন ? এখন কিভাবে টাকা তুলবেন ?  ওসি সাহেব আরও বলেন,আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জেনেছি,ওই প্রতারক সব টাকা আগেই মালয়েশিয়া পাচার করেছেন। তিনি আরও বলেন,বিষয়টি আমরা উপর মহলকে জানিয়েছি। টাকা ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে কতটা সময় লাগবে জানিনা। আমরা আমাদের পক্ষে সব চেষ্টা করব। তবে নিশ্চিত থাকবেন,এই প্রতারককে আমরা কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করবই।
রফিকের অনুরোধে আরিফকে ওসি সাহেবের চেম্বারে আনা হয়েছে। রফিক এবার আরিফকে বলে,তুমি আমার সাথে এমন করলে কেন? আরিফ কোন জবাব না দিয়ে মাথা নিচু করে চুপ করে আছেন। রফিক এবার টাকা ফেরৎ চায়। আরিফ এবারো চুপ। রফিকের ইচ্ছে করে,আরিফের গলাটা টিপে শেষ করে দিতে।কিন্তু পারেন না,এটা থানা।  রফিক ক্রোধ নিয়ন্ত্রন করেন। ওসি সাহেব এবার আরিফকে বলেন,তুমি শেষ পর্যন্ত রফিককেও ধোকা দিলে? এটা তুমি কেন করলে,ওতো তোমার বন্ধু নাকি? কোন কথারই জবাব দেয়না আরিফ। সে শুধু মাথা নিচু করেই আছে।
আরিফের মাথা নিচু করে থাকাতেই সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যায় রফিক। ওসি সাহেব রফিককে বলেন,আপনি বাড়ি যান। আমরা প্রতারণার শিকার লিষ্টে আপনার নাম ও টাকার পরিমান উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দেব। পাচার হওয়া টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হলে, আপনি টাকা ফেরৎ পাবেন। ওসি সাহেবের কথায় শ্বান্তনা পেলেও আইনি জটিলতা কাটিয়ে কবে টাকা পাবেন জানেনা রফিক। টাকার শোকে তার অন্তরটা ফেটে যায়। চোঁখের কোণে  নিজের অজান্তেই বেরিয়ে আসে দু’ফোটা জল। রফিক আরিফের মত কুলাঙ্গার,নরাধম বন্ধু’র জন্য ঘৃণা প্রকাশ করে মলিন মনে বাড়ির দিকে রওয়ানা হন।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প “রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা”
"রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা"   ( করোনা কালের একটি ছোট গল্প )   -ফয়েজ আহমেদ।   রহিমুদ্দিনের চোঁখ দিয়ে নিরবে পানি ঝড়ছে। একটা বোবা কান্না তার বুক চিড়ে বেরিয়ে আসতে চায়। কিন্তু সে কাদতে পারছেনা। রাত ৩ টা ...
READ MORE
কবিতা “কর রহমত”
"কর রহমত"   -ফয়েজ আহমেদ।   বছর শেষে,এলো রোজা রহমত পর্বের,চলছে পালা, বাকী আর,একটা রোজা সময় আছে,ধরো রোজা।   আজকে হবে,দশটা রোজা রহমত পর্বের,শেষ রোজা, আয় তোরা, খাই সেহরী রহমত পেতে,রোজা রাখি।   বাকী রবে, বিশটা রোজা মাগফেরাত পর্ব,পরের দশটা, আল্লার দয়া, পেতে হলে মাগফেরাত রোজা,করতে হবে।   মাগফেরাত ...
READ MORE
“জাগ্রত স্বপ্ন”
"জাগ্রত স্বপ্ন" -ফয়েজ আহমেদ   তোমার স্মৃতি উকি দেয়, হৃদয় আয়নায় ভোলা যায় না,মনের গহীনে চাপা কষ্ট, যতবার চেষ্টা করি,ভুলব তোমার স্মৃতি জাগ্রত স্বপ্নে,সামনে এসে দাড়াও তুমি।   তোমার স্মৃতিগুলো কষ্ট দেয়,অবিরত সুখ-স্মৃতির দিনগুলো,আজ বেদনাময়, কষ্টের কঠিন আঘাত,জর্জরিত হাহাকার স্মৃতির বেড়াজালে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা  “যুদ্ধ চাই”
যুদ্ধ চাই" -ফয়েজ আহমেদ যুদ্ধ চাই,ভৌগলিক রেখার নয় স্বাধীনতা চাই,সেই পতাকার নয়, সংগ্রাম চাই,রুখতে,অশুভ ব্যাধি আরেকটি যুদ্ধ চাই,করতে শুদ্ধির।   যুদ্ধ চাই আনতে,শুভ রাজনীতি অফিস-আদালত হবে,মুক্ত র্দূনীতি, সামাজিক স্তরে চাই,প্রকৃত সেবা যুদ্ধ চাই মোরা,সুশাসন প্রতিষ্ঠার।   যুদ্ধ চাই,আনতে মানবতার সুদিন গাইবে সবাই,মানবিক গান ...
READ MORE
“করোনা ভাইরাস”
"করোনা" -ফয়েজ আহমেদ   করোনা,তুমিতো ভালা না দুরত্ব এনেছ সমাজ পরিবারে মায়ের সন্তান নিয়েছ কেড়ে স্ত্রী করেছ পর স্বামীর কাছে পিতাও অসহায় তোমার দ্বায়ে।   করোনা,তুমিতো ভালা না বিশ্ব কাবু,এও তোমার যাদু বিশ্ব অর্থনীতি ভেঙ্গেছ তুমি বিশ্ব নেতাদের করেছ কাবু তুমি কি যাবে ...
READ MORE
ছোট গল্প “দ্বি-চারিনী”।
"দ্বি-চারিনী"   ফয়েজ আহমেদ।   রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় একটি পরিচিত নারী কন্ঠ ভেসে আসে সাকিলের কানে। কন্ঠটা রাস্তার পাশের ওই বাড়ীটা থেকে আসছে। বাড়ীটা সাকিলের পরিচিত। আব্দুল হকের বাড়ী। সাকিলের এক কাছের ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
শুধু গ্রামে নয়,আশে পাশের আরো দশ গ্রামে আবিরের নাম প্রচার হয়ে গেছে। দশ গ্রামের লোক আজ আবিরকে আলাদা চোঁখে দেখছেন। তাকে সমীহ করছেন,ভালবেসে আবির ভাই বলে সম্বোধন করছেন। আবির আজ ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “মানবতা’।
"মানবতা"   -ফয়েজ আহমেদ।     রাস্তায় একটা জটলা দেখা যাচ্ছে।এগিয়ে যায় সুমন। একটা লোক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। মনে হয় অজ্ঞান হয়ে গেছে। একজন বলে,লোকটা অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছিল। অজ্ঞান পার্টি আবার কি। জানেনা ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন ...
READ MORE
কবিতা “বঙ্গবন্ধু” জাতির চেতনার নাম
"বঙ্গবন্ধু" জাতির চেতনার নাম   -ফয়েজ আহমেদ   বঙ্গবন্ধু,চেতনার নাম,জাগ্রত অনুভুতি বাংলার ইতিহাস,লাল সবুজের বেষ্টনি, মুক্তির মহানায়ক,জনতার হৃদয় মনি আর্দশিক মানব,জাতির আলোক রশ্মি।   বঙ্গবন্ধু, রুপকার এই বাংলা পতাকার স্বাধীনতার স্হপতি,বিজয় মালা গাথার, শোষন-বঞ্চনা, রুখতে মানব মেশিন গণআস্হা তুমি,শোষিত জাতির মহাবীর।   বঙ্গবন্ধু, পরাধীনতার ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প “রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা”
কবিতা “কর রহমত”
“জাগ্রত স্বপ্ন”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “যুদ্ধ চাই”
“করোনা ভাইরাস”
ছোট গল্প “দ্বি-চারিনী”।
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প”কদর হুজুরের কান্ড”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “মানবতা’।
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
কবিতা “বঙ্গবন্ধু” জাতির চেতনার নাম
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।