আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”কাকলীর আত্মহনন”।

কলঙ্কে ভরা জীবনটা আর বয়ে বেড়ানোর ইচ্ছে নেই কাকলীর। কাকলী কোন দিনও ভাবেনি তার জীবনে লাগবে কলঙ্কীনি দাগ। কলঙ্কীনি দাগ লাগার মত কেন কাজ করেনি কাকলী। সে একজনকে বিশ্বাস করেছিল। বেসেছিল ভাল । পরে বিধি মোতাবেক বিয়ে করেছেন। বিয়ের পর হয়েছে মেলা-মেশা। স্বামী-স্ত্রীর এ মেলা-মেশায় কোন কলঙ্ক নেই। অন্তত এটাই জানেন কাকলী। সামাজিক নিয়মের কোন ব্যতয় ঘটেনি, তাদের মেলা-মেশায়। তার পরেও কাকলী কলঙ্কীনি। কিন্তু কেন ? কি দোষ ছিল কাকলীর ?

আর দশ’টা মেয়ের মত সামাজিক সব প্রথা মেনে, পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছিল কাকলীর। স্বামী-স্ত্রী খুব ভালই ছিল। স্বামী,শ্বশুর-শ্বাশুড়ী সবাইকে নিয়ে সুখেই কাটছিল কাকলীর জীবন। সুখের যেন অন্ত নেই। এরই মধ্যে তার শরীরে নতুন মেহমানের আর্বিভাব ঘটে। আরও আদর-ভালোবাসা বেড়ে যায় কাকলী’র। এক সময় তার কোল জুড়ে আসে ফুটফুটে একটি পুত্র সন্তান। কাকলী’র নবাগত পুত্র সন্তানকে নিয়ে পুরো পরিবার আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন।
এভাবে সুখ আর শান্তিতে কেটে যায় আরো চাঁর বছর। হঠাৎই গোটা পৃথিবীকে আক্রমন করেন মরন ব্যাধি কোভিট-১৯। পুরো পৃথিবী এ রোগে থমকে যায়। মৃত্যু আর সংক্রমনের রেকর্ড বাড়তেই থাকে। দিশেহারা হয়ে পড়েন পৃথিবীর সকল শাসক ও জনসাধারণ। দেশে দেশে সংক্রমন ও মুত্যু বাড়তেই থাকে। একদিন এ মরণ রোগে আক্রান্ত হন কাকলীর স্বামী রতন। কাকলীর জীবনে নেমে আসে অন্ধকারের কালো মেঘ। পরিবারের একমাত্র ঊপার্জনক্ষম ব্যক্তি সর্বনাশা এ মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ায় ভেঙ্গে পরেন কাকলীসহ পুরো পরিবার।
কাকলী আশা করেছিল স্বামী রতন সুস্থ্য হয়ে ফিরবেন বাসায়। আবারও জীবন ভরে ওঠবে সুখ আর আনন্দে। কিন্তু কাকলীর কপালে হয়ত সুখ লেখা নেই। ঢাকা করোনা হসপিটাল থেকে জানানো হয়,রতন মারা গেছেন। স্বাস্থ্য বিধি মেনে রতনের মরদেহ দাফন করা হয়। স্বামীর মৃত্যুতে কাকলীর জীবনে নেমে আসে গাঢ় অন্ধকার। কাকলী এখন কি করবেন ?  চাঁর বছরের ছোট শিশু পুত্র নিরবকে কিভাবে মানুষ করবেন কাকলী ? দিন-রাত কান্নায় চোঁখের নিচে কালি পরে কাকলীর।
আজ রতনের মৃত্যুর পাঁচ দিন। বিছানায় শুয়ে কাঁদছেন কাকলী। এমন সময় বাড়িতে আসেন ছমির উদ্দিন। ছমির উদ্দিন রতনের বন্ধু। আগেও কয়েক বার এসেছিল ছমির। কাকলী চোঁখ মুছে বাহিরে আসেন। ছমির উদ্দিন বন্ধু’র অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।  বলেন,ভাবি রতনের জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করবেন। এভাবে আর কাঁদবেন না। মৃত্যুর উপর কারো হাত নেই। সব ঠিক হয়ে যাবে। উপরে আল্লাহ্ আছেন। তিনি সব দেখছেন। ছমির আরো বলেন, ভাবি চিন্তা করবেন না । আমি আপনাদের পাশে আছি। ছমির কাকলীকে শ্বান্তনা দেয়ার চেষ্টা করেন।
এখান থেকেই শুরু। ভাল ভাল কথা বলে কাকলীর মোবাইল নম্বর নেন ছমির। সময়-অসময়ে ফোনে কথা বলেন। স্বামীর বন্ধু,তাই কাকলীও কথা বলেন। এভাবেই চলছিল। ছমির এখন প্রায় কাকলীকে ফোন করেন। কাকলীও কথা বলেন। একদিন কথা বলার সময, কাকলী’র লেখা-পড়া কতদুর জানতে চান ছমির উদ্দিন। কাকলী মাস্টার্স করেছেন শুনে ছমির সরকারী চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দেন। ছমিরের কথায় কাকলী দুর্বল হয়ে পরেন। কাকলী ভাবেন,একটা সরকারী চাকুরী হলে ছেলেটাকে  মানুষ করতে পারবেন।
কাকলী-আর ছমির উদ্দিনের ফোনালাপ এখন অনেক বেড়ে গেছে। ছমিরের মধুমাখা কথায় একটা মোহে পরেছেন কাকলী। এখন ছমির ফোন করতে দেরী করলে, কাকলী হতাশায় ভোগেন। এভাবেই চলছিল কাকলী আর ছমিরের ফোনালাপ। এরি মধ্যে ছমির উদ্দিন কাকলীকে সিভি নিয়ে আসতে বলেন। আরো বলেন,স্বাস্থ্য বিভাগে অফিস সহকারী পদে লোক নেয়া হচ্ছে । সে কথা বলেছে।  চাকুরীটা কাকলীর হবে। তবে দ্রুত সিভি জমা দিতে হবে। ছমির উদ্দিনের এমন কথায় খুশী হন কাকলী। ফাইল পত্র ঘেটে কাগজ-পত্র বের করেন। পরে সিভি নিয়ে ছমির উদ্দিনের অফিসের উদ্দেশ্য রওয়ানা হন।
ছমির উদ্দিনের অফসিটা বেশ পরিপাটি । একটা আভিজাত্যর ভাব আছে। হ্যান্ড ব্যাগ থেকে সিভি বের করেন কাকলী । দেন ছমিরের হাতে। ছমির উদ্দিন সিভিটা ভাল করে দেখেন।  পরে কাকলীর ভূ্য়সী প্রশংসা করে,বলেন,ভাবি আপনার চাকুরীটা ফাইনাল। তবে এ চাকুরীতে অভিজ্ঞতা লাগে। আপনার লিখিত, ভাইভা পরীক্ষা  হতে একটু দেরী হবে । আপাতত আপনি আমার অফিসে কাজ করবেন । এতে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়বে।  আপনাকে মাসে টিএ/ডিএসহ বারো হাজার টাকা দেব। ছমির উদ্দিনের প্রস্তাবে রাজি হন কাকলী। ছমির উদ্দিন কাকলীর হাতে এক মাসের অগ্রীম বেতন ধরিয়ে দেন। পরে কাকলীকে একটি হোটেলে লাঞ্চ করান ছমির উদ্দিন।
ছমির উদ্দিনের অফিসে কাজ করার আজ দশ দিন হল কাকলীর। এই দশ দিনের প্রতিদিন কাকলীকে নিয়ে দুপুরে এক সাথে লাঞ্চ করেছেন ছমির উদ্দিন। এই দশ দিনে ছমির উদ্দিন কাকলী’র আরো কাছাকাছি আসার চেষ্টা করেছেন। কথার ফাকে অনেক বার বলেছেন, আপত্তিকর কথা । তার পরেও কোন প্রতিবাদ করেননি, কাকলী। কারন ছমিরের অফিসে কাজ করেন কাকলী । তাছাড়া সরকারী চাকুরীটাও তার প্রয়োজন। তাই ছমিরের অনেক কথাই না বোঝার ভাণ করে চুপ থাকেন কাকলী।
আজ কাকলী আর ছমির উদ্দিন লাঞ্চ শেষে অফিসে বসে কথা বলছেন। অফিসে আর অন্য কেউ নেই। ছমির কাকলীকে বলেন,ভাবি আমি বিয়ে করতে চাই। অনেক মেয়ে দেখেছি। পছন্দ হয়নি। কোথাও আপনার মত সুন্দর মেয়ে পাইনি। তাছাড়া আপনার একটা ছেলে আছে। তাকে মানুষ করতে হবে। তাই আপনাকে বিয়ে করতে চাই। আপনার আর বাঁচ্চার দায়িত্ব নিতে চাই। ছমির উদ্দিন এবার কাকলীর দু’হাত জড়িয়ে ধরেন । বলেন,বিয়ে করে আপাতত গোপন রাখব। আপনার সরকারী চাকুরী হওয়ার পর বিয়ের বিষয়টা জানাব। ছমির উদ্দিন আরও বলেন,ভাবি আপনি রাজি থাকলে,  আজই রেজিষ্ট্রি ও মোহর সম্পন্ন করতে চাই।
ছমির উদ্দিনের কথায় গভীর ভাবনায় পরেন কাকলী। কোন উত্তর দিতে পারেন না। এসময় ছমির উদ্দিন কাকলীকে জড়িয়ে ধরেন। গালে ও ঠোটে কিস করেন। ছমিরের আকস্মিক আলিঙ্গনে শিহরিত হয় কাকলীর গোটা শরীর। কাকলী প্রতিবাদ করতে চায়। কিন্তু ছমির বুকের সাথে আরো জোরে চেপে ধরেন কাকলীর দেহ।  বলেন,প্রিজ কাকলী, তুমি না বলিও না। ছমির উদ্দিন আরও বলেন, শুধু মাত্র তোমার আর তোমার ছেলের কথা চিন্তা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ছমির উদ্দিনের প্রস্তাবের কোন জবাব দেয়ার সাহস হয়না কাকলীর। আবারও চুপ করে থাকেন । ছমির উদ্দিন কাকলীকে আরো গভীর আলিঙ্গন করেন। বলেন,আমি তোমাকে আজই বিয়ে করতে চাই। ছমির উদ্দিন জোর করে মটরসাইকেলে তুলে নেন কাকলীকে । নিয়ে আসেন কাজি অফিস।কাজী অফিসে রেজিষ্ট্রি মোহর সম্পন্ন করেন। কাজী সাহেব, কাকলীকে বলেন,এখন ছমির তোমার বৈধ স্বামী। ছমির উদ্দিন,কাকলীকে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে যান। সেখানে কাকলীর সাথে বাসর সম্পন্ন করেন।
কাকলী আর ছমির উদ্দিন এখন স্বামী-স্ত্রী। তারা প্রায়ই বিভন্ন জায়গায় মিলিত হন । ছমির উদ্দিন বলেছেন, কাকলীর সরকারি চাকুরী হওয়ার পর বিয়ের ঘোষনা দিবেন। সকলের জ্ঞাতসারে  করবেন, চুটিয়ে সংসার । এদিকে দু’মাস গড়িয়ে যায়। কাকলীর সরকারী চাকুরী পরীক্ষার কোন কাগজ-পত্র আসেনা। তাগিদ দেন কাকলী। কিন্তু ছমিরের কোন জোস্ দেখতে পাননা।এদিকে বিয়ের পর থেকে বেতনও দিচ্ছেন না, ছমির উদ্দিন। সব কিছু কাকলীর নিকট কেমন যেন ধোয়াশা মনে হয়।
এভাবে যায় আরও দু’মাস। সন্দেহ বাড়তে থাকে কাকলীর। হঠাৎ কাকলী জানতে পারেন,ছমির উদ্দিনের আগের সংসার আছে। ওই সংসারে আছে ছেলে-মেয়েও। তাছাড়া ছমিরের স্বভাব-চরিত্র ভাল নয়। আরো অনেক নারীর সর্বনাশ করছেন ছমির উদ্দিন। খবরটা জেনে কাকলীর মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরে। মনটা বিশ্বাস করতে চায়না, ছমির উদ্দিন এত খারাপ ! সরলতার সুযোগ নিয়ে করেছেন বিশ্বাস ভঙ্গ, প্রতারনা। কাকলী ভাবেন, সত্য গোপন করে কেন তাকে বিয়ে করল ছমির উদ্দিন। সে কি ক্ষতি করেছিল ছমিরের। কাকলী এবার গোপনে খোজ-খবর নেন। হ্যা  ঠিকই শুনেছেন কাকলী।
কাকলী আজ খুব সকালে অফিসে আসেন। মনটা খুব খারাপ। ছমির কাকলী’র  কি হয়েছে, জানতে চান। কাকলী এবার ছমির উদ্দিনকে বলেন,তোমার স্ত্রী-সন্তান আছে। তুমি আমাকে বিয়ে করলে কেন? আমার সাথে প্রতারণা করলে কেন ? ছমির বুঝতে পারেন, কাকলী সব জেনে গেছে। আর মিথ্যা বলে লাভ হবেনা। তাই কাকলীকে বলেন,ওই সংসারে আমি সুখী নই। তাই তোমাকে বিয়ে করেছি। কাকলী এবার ক্ষেপে যান। ছমির উদ্দিন কাকলীকে বোঝাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু কাকলী সাফ জানিয়ে দেন,এই সম্পর্কে সে,আর থাকবে না। কাল থেকে অফিসেও আসবেন না।  ছমিরকে সে তালাক দেবেন।
কাকলীর মুখে তালাকের কথা শুনে রেগে যান ছমির উদ্দিন। সে কাকলী বলেন,আমার সাথে তুমি সম্পর্ক রাখতে বাধ্য। নইলে আমি তোমার-আমার গোপন মিলনের সব ধারন করা ছবি,ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেব। ছমিরের কথায় কাকলী বুঝতে পারেন,সে ছমিরের প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন। ছমির উদ্দিন কাকলীকে বলেন,বেশী বাড়াবাড়ি করলে, তোমার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন সব বলে দিব। প্রয়োজনে আপত্তিকর ওই ছবি,ভিডিও দেখাবো।
কাকলী ভগ্ন মন নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা কাউকে জানাতে পারেনা কাকলী। এ লজ্জার কথা কাকে বলবে কাকলী ?  মনে মনে দগ্ধ হতে থাকে কাকলী। হঠাৎ তার মনে হয়, বিয়ের কাবিন নামা’র কথা। কাকলী কাবিনের নকল সংগ্রহের জন্য কাজি অফিসে রওয়ানা হন। কাজি মুহিতের নিকট বিয়ের নকল চান । কিন্তু কাজির কথা শুনে, হতবাক হন কাকলী। কাজি সাহেব বলেন,আপনাদের তো বিয়ে হয়নি। আমি শুনেছি, ছমির উদ্দিন আমার অফিসে নকল কিছু কাগজ-পত্রে আপনার স্বাক্ষর নিয়েছিল। ওই সময় আমি অফিসে ছিলাম না।  আর এমন কাজে সহযোগিতা করায় আমার সহকারী মারুফকে আমি বের করে দিয়েছি। কাকলী এবার পরিষ্কার বুঝতে পারেন,ছমির উদ্দীন তার উদ্দীন বিয়ের নামে তার দেহ ভোগ করছেন। সাজিয়েছেন বিয়ের নাটক।
কাকলী আর ভাবতে পারেন না। ছমির উদ্দিন তার সাথে এমন প্রতারণা করেছেন। কাকলী এবার ছমির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এদিকে ছমির উদ্দিন বার বার হুমকি দিচ্ছেন। বলছেন, ফাঁস করে দিবেন সব। আপত্তিকর ছবি-ভিডিও দেবেন নেটে। এদিকে ছমিরের জন্য কোথাও যেতে পারছেন না কাকলী। প্রতিনিয়ত তাকে করছেন হ্যারেজ । ইতিমধ্যে কাকলীর অনেক পরিচিত জনের কাছে বলেছেন,আপত্তিকর কথা। সব জেনেছে কাকলী। কিন্তু সে কি করবে ? এছাড়া এ সমস্ত কথা,ছবি, ভিডিও যদি পরিবার বা শ্বশুর বাড়ির লোকজন জেনে যান। তাহলে কি করবেন কাকলী। কি করে মুখ দেখাবে সে ।
কাকলী আর ভাবতে পারেনা। সে ছমিরের প্রতারনার  জালে জড়িয়ে গেছে। মান-সম্মান নিয়ে আর বাঁচতে পারবেনা কাকলী । এবার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন, কাকলী। সে ছমিরের লালসার শিকার  আর হবেনা। এমন নষ্ট কলঙ্কীনি জীবন রাখবে না কাকলী। ছমির উদ্দিনের সাথে নষ্ট সম্পর্ক না রাখলে, কাকলীর সম্মান নিলামে তুলবে ছমির উদ্দিন। কাকলী সিদ্ধান্ত নেন, জীবনের অসময়ে নেয়া ভুলের প্রায়াশ্চিত করবেন। এই কলঙ্কীনি জীবন আর বয়ে বেড়াবেন না । তাই আত্মহননের উদেশ্য স্লিপিং পিলের ওভার ডোজ করেন কাকলী।  নিস্তেজ শরীরটা এলিয়ে দেন বিছানায়।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ এর রম্য রচনা “তেল হাওয়া”
তেল হাওয়া" (একটি ছোট রম্য রচনা) মিলে সরিষা তেল নাই কথাটা শুনে একটা হোচট খায় সজিব। সে ভাবে করোনা প্রর্দুভাবের কারনে মানুষের আয়-রোজগার কমে গেছে। হাট-বাজারে মানুষ কম আসছে। এখনতো সব ধরনের ...
READ MORE
কবিতা “কর রহমত”
"কর রহমত"   -ফয়েজ আহমেদ।   বছর শেষে,এলো রোজা রহমত পর্বের,চলছে পালা, বাকী আর,একটা রোজা সময় আছে,ধরো রোজা।   আজকে হবে,দশটা রোজা রহমত পর্বের,শেষ রোজা, আয় তোরা, খাই সেহরী রহমত পেতে,রোজা রাখি।   বাকী রবে, বিশটা রোজা মাগফেরাত পর্ব,পরের দশটা, আল্লার দয়া, পেতে হলে মাগফেরাত রোজা,করতে হবে।   মাগফেরাত ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
মাথা ভর্ত্তি একরাশ চিন্তা নিয়ে শহরের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয় রফিক। বাড়িতে কোন টাকা নেই। বাজার যা আছে দু'এক দিনে শেষ হয়ে যাবে। এদিকে এখন তার পকেটে আছে মাত্র পঞ্চাস টাকা। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ছকিনার স্বপ্ন ভঙ্গ”।
গ্রামে গঞ্জে ভিক্ষা করেন ছকিনা বেওয়া। বয়স তার ষাট পেরিয়েছে অনেক আগেই। স্বামীও মারা যাওয়ার প্রায় পনের বছর। হয়নি কোন বয়স্ক কিংবা বিধবা ভাতা।দুই ছেলের সংসারে বউদের নাকানি-চুবানি খেয়েও ভালই ...
READ MORE
ছোট গল্প “মেয়েটাকে ভাল রেখ”
"মেয়টাকে ভাল রেখ"   -ফয়েজ আহমেদ।   রাত দু'টো বাজে। হাইওয়ে ডিউটি চলছে। হঠাৎ ফোনটা বেজে ওঠল। এত রাতে কে ফোন করছে। আরিফ পকেট থেকে ফোনটা বের করে। বাড়ী থেকে ফোন। স্ত্রী মাজেদা করেছে।এত রাতে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
শ্বাস নিতে পারছেন না আছমা বেগম। খুব কষ্ট হচ্ছে তার। মনে হচ্ছে এক্ষনেই মারা যাবেন। কয়েক দিন থেকেই তার শরীরে জ্বর চলছে।  গতকাল জ্বরটা বেশী ছিল। পাড়ার মোড় থেকে নাপা ...
READ MORE
“করোনা ভাইরাস”
"করোনা" -ফয়েজ আহমেদ   করোনা,তুমিতো ভালা না দুরত্ব এনেছ সমাজ পরিবারে মায়ের সন্তান নিয়েছ কেড়ে স্ত্রী করেছ পর স্বামীর কাছে পিতাও অসহায় তোমার দ্বায়ে।   করোনা,তুমিতো ভালা না বিশ্ব কাবু,এও তোমার যাদু বিশ্ব অর্থনীতি ভেঙ্গেছ তুমি বিশ্ব নেতাদের করেছ কাবু তুমি কি যাবে ...
READ MORE
“জাগ্রত স্বপ্ন”
"জাগ্রত স্বপ্ন" -ফয়েজ আহমেদ   তোমার স্মৃতি উকি দেয়, হৃদয় আয়নায় ভোলা যায় না,মনের গহীনে চাপা কষ্ট, যতবার চেষ্টা করি,ভুলব তোমার স্মৃতি জাগ্রত স্বপ্নে,সামনে এসে দাড়াও তুমি।   তোমার স্মৃতিগুলো কষ্ট দেয়,অবিরত সুখ-স্মৃতির দিনগুলো,আজ বেদনাময়, কষ্টের কঠিন আঘাত,জর্জরিত হাহাকার স্মৃতির বেড়াজালে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প “রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা”
"রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা"   ( করোনা কালের একটি ছোট গল্প )   -ফয়েজ আহমেদ।   রহিমুদ্দিনের চোঁখ দিয়ে নিরবে পানি ঝড়ছে। একটা বোবা কান্না তার বুক চিড়ে বেরিয়ে আসতে চায়। কিন্তু সে কাদতে পারছেনা। রাত ৩ টা ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা  “যুদ্ধ চাই”
যুদ্ধ চাই" -ফয়েজ আহমেদ যুদ্ধ চাই,ভৌগলিক রেখার নয় স্বাধীনতা চাই,সেই পতাকার নয়, সংগ্রাম চাই,রুখতে,অশুভ ব্যাধি আরেকটি যুদ্ধ চাই,করতে শুদ্ধির।   যুদ্ধ চাই আনতে,শুভ রাজনীতি অফিস-আদালত হবে,মুক্ত র্দূনীতি, সামাজিক স্তরে চাই,প্রকৃত সেবা যুদ্ধ চাই মোরা,সুশাসন প্রতিষ্ঠার।   যুদ্ধ চাই,আনতে মানবতার সুদিন গাইবে সবাই,মানবিক গান ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর রম্য রচনা “তেল হাওয়া”
কবিতা “কর রহমত”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ছকিনার স্বপ্ন ভঙ্গ”।
ছোট গল্প “মেয়েটাকে ভাল রেখ”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
“করোনা ভাইরাস”
“জাগ্রত স্বপ্ন”
ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প “রহিমুদ্দিনের কৃতজ্ঞতা”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “যুদ্ধ চাই”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।