আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।

শ্বাস নিতে পারছেন না আছমা বেগম। খুব কষ্ট হচ্ছে তার। মনে হচ্ছে এক্ষনেই মারা যাবেন। কয়েক দিন থেকেই তার শরীরে জ্বর চলছে।  গতকাল জ্বরটা বেশী ছিল। পাড়ার মোড় থেকে নাপা ট্যাবলেট এনে দিয়েছিল ছেলে তহিদুল।নাপা খেয়ে জ্বর কমেনি আছমা বেগমের। আজ জ্বরটা অনেক বেড়ে গেছে। সাথে প্রচন্ড শ্বাস কষ্ট। কষ্টে কাতরাচ্ছেন আছমা বেগম। ছেলেটা বাড়িতে নেই। কাজে গেছেন। আছমা বেগমের মনে হয়, ছেলেটার সাথে আর বুঝি, দেখা হবে না। প্রচন্ড জ্বর আর শ্বাস কষ্টে কাহিল হয়ে পরেছেন আছমা বেগম।

 

গত তিন বছর আগে গত হয়েছেন আছমা বেগমের স্বামী জাহিদ হোসেন। এক বিঘে জমি আছে তার। বাড়িতে আছে দু’টো গাভী। জমি এক বিঘা কনটাক দিয়েছেন আছমা বেগম। জমি থেকে পান বছরে বারো মণ ধান। গাভীর দুধ আর ওই ধান দিয়ে চলে সংসার। একমাত্র তহিদুল ছাড়া আর কোন ছেলে পুলে নাই আছমা বেগমের। অনেকটা কষ্ট করে সংসারটা ধরে আছেন আছমা বেগম। স্বামীর মৃত্যুর পর ছেলেটার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে। গরু দু’টোর খাবার জোগারের কাজ করত ছেলেটা।
তহিদুল এখন যোগানীর কাজ করেন। পাশের বাড়ীর রাজমিস্ত্রী লতিফের সাথে। লতিফ আছমা বেগমের কষ্ট দেখে তহিদুলকে কাজে নিয়েছেন। দৈনিক তিন’শো টাকা দেন। এখন মোটা-মুটি চলে আছমা বেগমের সংসার। ছেলেটাকে কাজে যেতে দিতে চায়নি আছমা বেগম। বাঁচ্চা ছেলে। ক’বছরই বা বয়স। বড় জোর বারো কি তেরো।  এই বয়সের বাচ্চারা খেলাধুলায় মত্ত থাকে। বেড়ায় ছোটা-ছোটি করে। কিন্তু তার ছেলেটা এই বয়সে কাধে নিয়েছে,সংসারের হাল। আছমা বেগম ছেলেটার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তায় মগ্ন থাকেন । মৃত্যুর পর কে দেখবে, বাপ মরা ছেলেটাকে ?
আছমা বেগেমের শ্বাস কষ্টটা আরো বাড়তে থাকে। ছটপট করতে থাকেন আছমা বেগম।মনে হয়, এই বুঝি তিনি মারা যাবেন। আছমা বেগমের কষ্টটা আরও বাড়তে থাকে। তিনি আর কথা বলতে পারছেন না। এমন সময় কাজ থেকে ফিরে আসেন তহিদুল। দেখেন মায়ের অন্তিম অবস্থা। তহিদুল মা মা করে ডাকতে থাকেন। কি হয়েছে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু আছমা বেগম কোন কথা বলতে পারেন না। শুধু ছটপট কতে থাকেন। মায়ের এমন অবস্থায় কাঁদতে থাকে তহিদুল।
তহিদুলের কান্নার শব্দে প্রতিবেশী অনেকে আসেন তহিদুলের ঘরে। দেখেন আছমা বেগম শ্বাস নিতে পারছেন না। তহিদুলকে বলেন,কি হয়েছে ? তহিদুল জানান’ক’দিন থেকে মায়ের জ্বর। আজ শ্বাস নিতে পারছেন না। উপস্থিত সবাই বলেন,তোমার মায়ের “করনা” হয়েছে। তুমি এখনই হসপিটালে নিয়ে যাও। তোমার মাকে অক্সিজেন দিতে হবে। তহিদুল মাকে হসপিটালে নিতে প্রতিবেশীদের সাহায্য চান। কিন্তু কেউ সাহায্য করতে রাজী নন। তহিদুল ভেবে পায়না, প্রতিবেশীরা তাকে সাহায্য করছেন না কেন ?
তহিদুল একটি রিকসা ভ্যান ডাকেন । কিন্তু চালক, তহিদুলের মাকে দেখে চলে যান। এমন রোগীকে ভ্যানে তুলবেন না কেউ। এ দিকে মায়ের অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। তহিদুল সকলের নিকট অনুরোধ জানান,চান সাহায্য । কিন্তু কেউ তহিদুলকে সাহায্য করতে রাজী হন না। উল্টো সবাই তহিদুলের ঘর থেকে সটকে পরেন। এখন তহিদুল একা। মায়ের চোঁখ দিয়ে অঝোড়ে ঝড়ছে অশ্রু। ছটপট করছেন। তহিদুল আর সহ্য করতে পারে না। সে মাকে দু’হাত দিয়ে তুলে নেন পিঠে। রওয়ানা হন হসপিটালের দিকে।
প্রচন্ড জ্বর আর শ্বাষ কষ্টে কাতর আছমা বেগম সব দেখেছেন ও শুনেছেন। কষ্টে তার বুক ছিড়ে যেতে থাকে। ছেলের পিঠে চেপে যাওয়ার সময় আছমা বেগম ভাবেন,মানুষ এমন হয় ? কি এমন অসুখ তার ? স্পর্ষ করা যাবে না। জ্বর ও শ্বাস কষ্টের চেয়ে প্রতিবেশীদের নিষ্ঠুর, অমানবিক আচরনে মর্মাহত হন আছমা বেগম। ছেলের পিঠে চেপে স্বস্থি পান আছমা বেগম। মনে হয় কষ্টতা অনেক লাঘব হয়েছে । এদিকে মাকে পিঠে নিয়ে হসপিটালের দিকে ছুটছেন তহিদুল। রাস্তায় দেখা হয়, আরো অনেক চালকের । কিন্তু কেউ সাহায্য করেনি তহিদুলকে।
মেইন রাস্তার মোড় দিয়ে ছুটছেন তহিদুল। মায়ের ওজন আর বইতে পারছে না। খুব কষ্ট হচ্ছে তার ।  তবুও ছুটছেন তহিদুল। এমন সময় একটি পুলিশ ভ্যান পাশ্ব দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পান তহিদুলকে। পিঠে অসুস্থ্য মহিলা দেখে থামান গাড়ি । জানতে চান ঘটনা।সব খুলে বলেন তহিদুল। সব জেনে কয়েকজন পুলিশ সদস্য পাজাকোল করে তহিদুলের মাকে গাড়িতে তোলেন। এর পর গাড়ি ঘুরিয়ে দ্রুত রওয়ানা হন হসপিটালের দিকে।
তহিদুলের মা আছমা বেগমকে হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে। দেয়া হয়েছে অক্সিজেন। পুলিশ তহিদুলের মায়ের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করেছেন। তারা তহিদুলকে আরো বলেছেন,মায়ের চিকিৎসার সব খরচ তারা দিবেন। এসময় তহিদুলকে একজন নার্স বলেন,অক্সিজেন দেয়ার পর শ্বাস কষ্ট অনেকটা কমেছে আছমা বেগমের। এখন ভাল আছেন, আছমা বেগম। ওই নার্স আরো বলেন,আপনি বাড়িতে যান,সকালে এসে  খবর নিবেন। তহিদুল মায়ের শ্বাস কষ্ট কমার খবরে স্বস্থি পান। এবং বাড়ির দিকে রওয়ানা দেন।
তহিদুলের মনটা অস্থির হয়ে আছে। সে বাড়িতে এসে কিছুতেই ঘুমাতে পারে না। শুধু ছটপট করতে থাকে। তার একটা হিসেব কিছুতে মিলে না। সে শুধু ভাবে,প্রতিবেশীরা এমন আচরন করল কেন ? তারা মাকে হসপিটালে নিতে সহযোগীতা করল না কেন ? তারা মাকে দেখে সটকে পরল কেন ? প্রতিবেশীরা বিপদে-আপদে পাশে থাকবে। করবে সহযোগীতা। এটাই তো নিয়ম। কিন্তু এরা কেমন প্রতিবেশী ? এমন অমানবিক মানুষদের ঘৃণা করেন তহিদুল।
কই পুলিশ সদস্যরা এমন তো করেননি। তারা ঠিকই মাকে কোলে তুলে নিয়েছেন। এর পর পৌছে দিয়েছেন, হসপিটালে। অথচ তহিদুল তাদের ডাকেননি। চাননি তাদের সহযোগীতা। তাছাড়া চিকিৎসার ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন তারা। তাহলে কি পুলিশ মানুষ নয় ! নাকি প্রতিবেশীরা মানুষ নয় ! ভাবতে পারেনা তহিদুল। তার শুধু মনে হয়,এই পুলিশদের ঋণ সে কোন দিন শোধ করতে পারবে না। তহিদুল মন থেকে ওই পুলিশদের স্যালুট জানান।
তহিদুলের মা এখন অনেকটা সুস্থ্য। তার সাধারন জ্বর হয়েছিল। এলার্জির সমস্যা থাকায় শ্বাষ কষ্ট হয়েছিল মায়ের। সময় মতো হসপিটালে আনায় বেঁচে গেছেন তহিদুলের মা আছমা বেগম । আরেকটু দেরী হলে বাঁচানো যেত না। ডাক্তার আরো বলেছেন,দু’এক দিনের মধ্যে সম্পুর্ন সুস্থ্য হয়ে উঠবেন আছমা বেগম। তহিদুল মাকে নিয়ে যেতে পারবেন বাড়ি। ডাক্তারের কথা শুনে চিন্তা মুক্ত হন তহিদুল। মনে মনে কৃতজ্ঞতা জানান, ওই মানবিক পুলিশদের। আল্লাহর নিকট দোয়া করেন,পুলিশ সদস্যরা যেন ভাল থাকেন।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান বক্তার ওয়াজ-নসিহত শুনে ফরিদের মনটা খারাপ হয়ে যায়। অনেক আশা নিয়ে দশ কিলো পাড়ি দিয়ে মাহফিলে এসেছিল ফরিদ। কিন্তু এ কেমন বক্তৃতা করলেন হুজুর। ইসলামী জীবন ...
READ MORE
“ভাষা”
"ভাষা"   ফয়েজ আহমেদ   বাংলা মোদের,মায়ের ভাষা বাংলা মোদের,হৃদয় আশা, বাংলা ভাষায় বলি কথা বাংলায় দেখি,স্বপ্ন আশা।   বাংলা ছিল,মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে,চাইলো ওরা, মুখে মোদের,চাইলো দিতে বসায় ওদের,নিজের ভাষা।   গর্জে উঠল,আমার ভাইরা বাংলা রবে,মোদের ভাষা, মিছিল-মিটিং,করছে তারা মানবো নাতো,ওদের কথা।   চলছে এবার,মিছিল মিটিং সামাল দেয়া,হয়েছে কঠিন, ছাত্র-জনতা,বেধেছে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “পল্টিবাজ”।
"পল্টিবাজ"।   -- ফয়েজ আহমেদ। জামাল সাহেব সভাপতি প্রার্থী। দলের কাউন্সিল চলছে। সভাপতি পদে আরও পাঁচ জন প্রার্থী আছেন।  সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত করার জন্য ১৬৭ জন কাউন্সিলর তালিকা প্রস্তত করা আছে। কেন্দ্রীয় ও ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র এর গল্প “অসম প্রেম পরিনতি”
মাসুদ পার্কে বসে আছে। রীতা মাসুদকে জরুরী ভাবে এখানে আসতে বলেছে। আজ রীতা আর মাসুদের ভালবাসার পরিনতির ফায়সালা হবে।  চুড়ান্ত বোঝা-পড়া হবে।ভালবাসা নিয়ে টানপোড়েন নিষ্পতি করবে ওরা। ক'দিন থেকে রীতা ...
READ MORE
“স্বাধীনতার রুপকার”
"স্বাধীনতার রুপকার" -ফয়েজ আহমেদ।   বাংলাদেশ একদিন স্বাধীন ছিলনা। ছিল পরাধীন। নাম ছিল পুর্ব পাকিস্থান। ইংরেজ শাসনের অবসানের পর ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে দু'টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। একটি ভারত ও অপরটি পাকিস্থান। পাকিস্থান ...
READ MORE
“করোনা ভাইরাস”
"করোনা" -ফয়েজ আহমেদ   করোনা,তুমিতো ভালা না দুরত্ব এনেছ সমাজ পরিবারে মায়ের সন্তান নিয়েছ কেড়ে স্ত্রী করেছ পর স্বামীর কাছে পিতাও অসহায় তোমার দ্বায়ে।   করোনা,তুমিতো ভালা না বিশ্ব কাবু,এও তোমার যাদু বিশ্ব অর্থনীতি ভেঙ্গেছ তুমি বিশ্ব নেতাদের করেছ কাবু তুমি কি যাবে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা  “যুদ্ধ চাই”
যুদ্ধ চাই" -ফয়েজ আহমেদ যুদ্ধ চাই,ভৌগলিক রেখার নয় স্বাধীনতা চাই,সেই পতাকার নয়, সংগ্রাম চাই,রুখতে,অশুভ ব্যাধি আরেকটি যুদ্ধ চাই,করতে শুদ্ধির।   যুদ্ধ চাই আনতে,শুভ রাজনীতি অফিস-আদালত হবে,মুক্ত র্দূনীতি, সামাজিক স্তরে চাই,প্রকৃত সেবা যুদ্ধ চাই মোরা,সুশাসন প্রতিষ্ঠার।   যুদ্ধ চাই,আনতে মানবতার সুদিন গাইবে সবাই,মানবিক গান ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
মাথা ভর্ত্তি একরাশ চিন্তা নিয়ে শহরের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয় রফিক। বাড়িতে কোন টাকা নেই। বাজার যা আছে দু'এক দিনে শেষ হয়ে যাবে। এদিকে এখন তার পকেটে আছে মাত্র পঞ্চাস টাকা। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “ভীটে পেল নন্দ”।
ভীটে মাটি নেই নন্দ লালের। অন্য মানুষের পুকুর পাড়ের এক কোনে ঝুপড়ি ঘর তুলে বসবাস করেন নন্দ। স্ত্রী ও তিন কন্যাকে নিয়ে গাদাগাদি করে অস্থাস্থ্যকর এক জীবন পার করছে সে। গত ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “কোভিড-১৯”
কোভিড-১৯"   -ফয়েজ আহমেদ   বিশ্ব এখন অচল অসাড় উৎপাদনের চাকা বেকার উন্নয়ন ধারা থমকে আছে কোভিড-১৯ ত্রাস চালাচ্ছে।   চলেনা আর গাড়ী ঘোড়া ব্যবসা-বানিজ্যে দৈনদশা মেশিন গুলো ধোয়া মোছা দোকান-পাটে নাই সওদা।   বিশ্ব বাজার সাটার ডাউন বিমান-জাহায লক ডাউন মৃত্যুর মিছিল যখন তখন বিশ্বে এখন ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “দোযখী কাজ”।
“ভাষা”
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “পল্টিবাজ”।
ফয়েজ আহমেদ’র এর গল্প “অসম প্রেম পরিনতি”
“স্বাধীনতার রুপকার”
“করোনা ভাইরাস”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “যুদ্ধ চাই”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “ভীটে পেল নন্দ”।
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “কোভিড-১৯”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।