আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ধোকা”।

মাস্টার্স পাশ করেও কোন চাকুরী জোগাড় করতে পারেনি তৈমুর। রাত-দিন অনেক দালালের পিছনে ঘুরেছেন। একটা চাকুরীর প্রত্যাশায়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মধ্যখানে তার গাটের টাকা গেছে জলে। সর্বশেষ এক চেয়াম্যানকে দিয়েছিলেন পাঁচ লাখ টাকা। ঘুরেছেন এক বছর।সেখানেও খান ধোকা। গচ্ছা গেল পুরো টাকা। চেয়ারম্যান সাহেব শুধু সময় নেন। হয়নি চাকুরী । ফিরিয়ে দেননা টাকাও। চাকুরীর পিছনে ছুটে ক্লান্ত তৈমুর সিদ্ধান্ত নেন,আর নয় দেশ। এবার সে পাড়ি দিবেন বিদেশ।

বাইপাস রাস্তার ধারের, শেষ সম্বল জমিটা বেঁচে দেন তৈমুর। পাসপোর্ট-ভিসা জোগাড় করে উড়াল দেন দুবাই। কাজ নেন একটা রিসোটে। দুবাইতে ভাল মাইনে পান তৈমুর। অবসর সময়ে করেন ব্যবসা। সব মিলিয়ে মাসে মোটা ইনকাম।  এখন ফুরফুরে মেজাজে তৈমুর। এভাবে কাটে বছর। মালিক দেন বাৎসরিক ছুটি। দু’মাসের জন্য আসেন দেশে। বিয়ের জন্য খোজ করেন কনে। দুবাইয়ে থাকা পাত্র। প্রতিদিন জনা পাঁচ’ছয়েক কনের খোজ পান তৈমুর। তার বাড়ীতে এখন হরেক রকম ঘটকের মেলা।
অনেক জায়গায় মেয়ে দেখেছেন তৈমুর। কিন্তু মন ধরেনি কোথাও। অবশেষে গোড় গ্রামের একটা মেয়েকে মনে ধরে তৈমুরের। পাঁচ ভরি সোনার গহনা,অন্যান্য উপঢৌকন দিয়ে বিয়ে করেন তৈমুর। বউটা বেশ সুন্দর। একেবারে পরীর মত। নামটাও বেশ চমৎকার। পামেলা সোহাগী। লেখা-পড়াও অনেক ভাল। সরকারী কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়েন । তৈমুর বলেছেন,পামেলার লেখা-পড়া চলবে। আরো অনেকদুর পড়াবেন তৈমুর।পামেলা সোগাগীর প্রেমে হাবু-ডুবু খান তৈমুর । বউয়ের মুখ থেকে নজর যেন, ঘোরাতেই পারে না তৈমুর।
পামেলাকে নিয়ে আনন্দ, খুনসুটিতে কাটছে তৈমুরের দিন। এভাবে কেটে যায় সময়। এবার ফিরতে হবে দুবাই। তৈমুর যাওয়ার আগে পামেলার নামে কেনেন এক বিঘা ধাণি জমি। ইসলামী ব্যাংকে খুলে দেন একাউন্ট। প্রাথমিক জমা দেন, দশ লক্ষ টাকা। এখন থেকে তৈমুর দুবাইয়ের ইনকাম পামেলার একাউন্টে জমা করবেন। একাউন্টে দশ লক্ষ টাকা আর এক বিঘা জমি পেয়ে খুশীতে আটখান পামেলা। সোহাগ ভালবাসায় তৈমুরকে করেন আরও উতালা । প্রিয়তমা স্ত্রী পামেলার ভালবাসায় সিক্ত তৈমুর বলেন,পামেলা আমরা হবো পুথীবির সেরা দম্পতি।
পরম সুখ, আনন্দে  কাটে তৈমুরের দিন। এদিকে দু’মাসের ছুটি শেষের দিকে । এবার ফিরতে হবে তৈমুরকে। আজই দিবেন রওয়ানা। পামেলা তৈমুরের গলা ধরে কাঁদছেন। সে কি কান্না। সহ্য করতে পারে না তৈমুর। প্রিয়তমা স্ত্রীর কান্নায় হৃদয়টা ফেটে যায় তৈমুরের। সে পরম যত্নে পামেলাকে জড়িয়ে ধরেন। বলেন,শুধু মাত্র দুই বছর । আর হবে না কোন  কষ্ট। এবার এসে আর ফিরবে না দুবাই। তৈমুর পামেলাকে শ্বান্তনা দেন। এর পর পামেলাকে শ্বশুর বাড়ীতে দিয়ে রওয়ানা হন দুবাইয়ের পথে।
দুবাইয়ে ফিরে কাজে মন বসেনা তৈমুরের। হৃদয়ের একটা শুন্যতা গিলে খায় তৈমুরকে। মনের ভিতর শুধু আনচান করে। প্রিয়তমা পামেলা’র বিরহ কাঁদায় তৈমুরকে। যখনই সময় পান তৈমুর ফোন করেন পামেলাকে। ফোনে কথা বলেন তৈমুর। বিরহের বেদনা ভুলে থাকার চেষ্টা করেন। এভাবে গড়িয়ে যায় সময়। তৈমুর বেতন ও ব্যবসার লাভের টাকা প্রতিমাসে জমা করেন পামেলার একাউন্টে। ভাবেন,দু’বছরের বেতন ও লাভের টাকা দিয়ে, দেশেই ব্যবসা করবেন তৈমুর। সময় দিবন প্রিয়তমা স্ত্রী পামেলা সোহাগীকে।
দুবাইয়ে ফেরার প্রায় দু’বছর হল তৈমুরের। আগামী মাসে ছুটি পাবেন তৈমুর। এবার তিন মাসের ছুটি। তৈমুর সিদ্ধান্ত নেয় আর নয় দুবাই। ছুটিতে গিয়ে আর ফিরবে না সে। দেখতে দেখতে ফেরার সময় ঘনিয়ে আসে তৈমুরের। পামেলাকে জানায়, সোমবার ফ্লাইট। তৈমুর পামেলাকে জিজ্ঞেস করেন,দুবাই থেকে কি আনবে তার জন্য। পামেলার জবাবে খুব খুশী হন তৈমুর। পামেলা বলেছেন,ওখান থেকে কিছুই আনতে হবে না। তুমি ফিরছ এটাই আমার পরম পাওয়া।
পামেলা আরও বলেন,কোন টাকাই তুমি খরচ করবে না। টাকা যা আছে একাউন্টে জমা করে দাও। দেশে ফিরে তোমাকে ব্যবসা করতে হবে। এখন টাকা নষ্ট করার সময় নয়। যদি কিছু কিনতে হয়, দু’জনে দেশেই কিনব একসাথে। পামেলার এমন কথায় আবেগ প্রবণ হয়ে পরেন তৈমুর। তার বউটা কত ভাল। পামেলার সাংসারিক চেতনায় বুকটা ভরে যায় তার। তৈমুর হাতে থাকা সব টাকা জমা করেন পামেলার একাউন্টে। নিজের সাথে রাখেন শুধু চলার মত খরচের টাকা। তৈমুর মনে মনে ঠিক করেন, দেশে ফিরে পামেলাকে নিয়ে ঘুরতে যাবেন কক্সবাজার।
একবুক আশা নিয়ে দেশে ফিরছেন তৈমুর।  এয়ারপোর্টে নেমে ফোন করেন পামেলাকে। কিন্তু পামেলার ফোন সুইচ স্টপ। তৈমুর ভাবেন, ফোনে বোধ হয় ব্যাটারী শেষ। সে কাল রাতে অনেকবার কথা বলেছে পামেলার সাথে। হয়ত ফোনে চার্জ দিতে ভুলে গেছে পামেলা। তৈমুর একটা প্রাইভেট গাড়ি নিয়ে রওয়ানা দেন। সোজা শ্বশুর বাড়ি। তৈমুর গাড়ী থেকে নেমে কলিং বেল চাপ দেন। বের হন একজন অপিরিচিত মানুষ। তৈমুর অবাক হন। কি ব্যাপার, ইনি আবার কে ? ভাবেন,শ্বশুর বাড়ীর আত্মীয় হবেন।কিন্তু পামেলা কোথায়? কলিং বেলের শব্দে তো পামেলার ছুটে আসার কথা।
লোকটিকে ছালাম দেন তৈমুর। লোকটি তৈমুরকে বলেন কাকে চাই ? লোকটির এমন কথা শুনে হকচকিয়ে যান তৈমুর। বলেন, এটা আমার শ্বশুর বাড়ী। লোকটি তৈমুরকে বলেন,জনাব আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে,এটা আপনার শ্বশুর বাড়ী নয়। এক বিঘা ধাণি জমিসহ বাড়িটা গত সপ্তাহে কিনেছি। এখন পরিবার নিয়ে এ বাড়িতে থাকি। লোকটির কথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে তৈমুরের মাথায়। সে চোঁখে অন্ধকার দেখতে শুরু করে। ইতিমধ্যে আরো অনেক লোক জড়ো হয়। তারাও একই কথা বলেন।
তৈমুর আবার ফোন দেন পামেলাকে। ফোনটি আবারও সুইচ অফ পান তৈমুর। উপস্থিত লোকজন তৈমুরকে বলেন,ওরা জমি-বাড়ি বিক্রয় করে চলে গেছেন। ওদের আর ফোনে পাবেন না। ওরা বাবা-মে সবাই প্রতারক। লোকজনের কথায় আরো ভেঙ্গে পড়েন তৈমুর। কথা গুলো বিশ্বাস হতে চায় না। পামেলা এমন হতে পারে না। তৈমুর এবার ফিরে আসেন নিজের বাড়িতে। ব্যগ-পত্র রেখে যান থানায় । দারোগা বাবুকে সব ঘটনা খুলে বলেন তৈমুর। দারোগা বাবু সব শুনে বলেন, আপনি একটি চক্রের প্রতারণার শিকার। আপনাকে ধোকা দেয়া হয়েছে।
দারোগা বাবুর কথায় আরো হতাশ হয়ে পরেন তৈমুর। তার মনের শেষ আশা টুকুও যেন নিভে যায়। দারোগা বাবু পামেলা ও তার পিতার ছবি দেখতে চান। মোবাইলে ছবি দেখান তৈমুর। দারোগা বাবু ছবি দেখে তৈমুরকে বলেন,আরে এরা তো একটা প্রতারক চক্রের সদস্য। এদের নামে অনেক মামলা আছে। আমরা অনেক দিন থেকে এদের খুজছি। আপনি এদের খপ্পরে পড়লেন কি ভাবে ? আর কথা বলতে পারেন না তৈমুর। দারোগা বাবুর কথা শুনে হারিয়ে ফেলেন জ্ঞান। লুটিয়ে পরেন মাটিতে।   ।
তৈমুরের চোঁখ-মুখে পানি দিয়ে জ্ঞান ফেরানো হয়েছে। এখন শুধু কপাল চাঁপড়ে কাঁদছেন তৈমুর। তার শুধু একটা কথাই মনে হচ্ছে,এত বড় ধোকা। দারোগা বাবু তৈমুরের মনের অবস্থা বুঝতে পারেন।  শ্বান্তনা দেয়ার চেষ্টা করেন। বলেন,যে ভাবে হউক পামেলা ও তার বাবাকে ধরার চেষ্টা করবেন। কিন্তু কিছুতেই শান্ত করা যাচ্ছে না তৈমুরকে। তৈমুর শুধু বিলাপ করছেন, তিন বছর কষ্টের টাকা। এখন কি করব আমি ? তৈমুরকে নিয়ে ব্যাংকে যান দারোগা বাবু। পামেলার একাউন্ট অনুসন্ধান করেন।  ব্যাংক ম্যানেজার জানান,দু’দিন আগে একাউন্টটি ক্লোজড করা হয়েছে।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
মাথা ভর্ত্তি একরাশ চিন্তা নিয়ে শহরের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয় রফিক। বাড়িতে কোন টাকা নেই। বাজার যা আছে দু'এক দিনে শেষ হয়ে যাবে। এদিকে এখন তার পকেটে আছে মাত্র পঞ্চাস টাকা। ...
READ MORE
“ভাষা”
"ভাষা"   ফয়েজ আহমেদ   বাংলা মোদের,মায়ের ভাষা বাংলা মোদের,হৃদয় আশা, বাংলা ভাষায় বলি কথা বাংলায় দেখি,স্বপ্ন আশা।   বাংলা ছিল,মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে,চাইলো ওরা, মুখে মোদের,চাইলো দিতে বসায় ওদের,নিজের ভাষা।   গর্জে উঠল,আমার ভাইরা বাংলা রবে,মোদের ভাষা, মিছিল-মিটিং,করছে তারা মানবো নাতো,ওদের কথা।   চলছে এবার,মিছিল মিটিং সামাল দেয়া,হয়েছে কঠিন, ছাত্র-জনতা,বেধেছে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “রোজা”
"রোজা" -ফয়েজ আহমেদ   নীল আকাশে উঠল ভেসে মহাখুশির চাঁদ,মুমিন সকল খাসদিলে,করবে রোজা কাল।   খাবে সেহরী,রাখবে রোজা এইতো সবার,মনের আশা পুর্ন হবে,সকল অভিলাশ।   নীল আকাশের,সোনালী চাঁদ সবার মাঝে,আনন্দ-উচ্ছ্বাস এলো খুশির,মাহে রমজান।   নীল আকাশের,বাঁকা চাঁদে সকল মুমিন,স্বপ্ন খোজে মাবুদ দিবে,এবার নিস্তার।   মাস ব্যাপি,রাখবে রোজা পড়বে নামায,করবে দোয়া সকল ...
READ MORE
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
"হাঁস বিড়ালে খাইছে" - ফয়েজ আহমেদ। (বর্তমান প্রেক্ষাপটের একটি ছোট গল্প) সেদিন ছিল সোমবার। ফকিরের হাট। সজিব হাটে গিয়ে হাস কিনবে। হাসের মাংস খুব প্রিয় সজিবের। বাজারের ব্যাগ নিয়ে মটরসাইকেল স্টার্ট দিয়ে হাটের ...
READ MORE
কবিতা “কর রহমত”
"কর রহমত"   -ফয়েজ আহমেদ।   বছর শেষে,এলো রোজা রহমত পর্বের,চলছে পালা, বাকী আর,একটা রোজা সময় আছে,ধরো রোজা।   আজকে হবে,দশটা রোজা রহমত পর্বের,শেষ রোজা, আয় তোরা, খাই সেহরী রহমত পেতে,রোজা রাখি।   বাকী রবে, বিশটা রোজা মাগফেরাত পর্ব,পরের দশটা, আল্লার দয়া, পেতে হলে মাগফেরাত রোজা,করতে হবে।   মাগফেরাত ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
শ্বাস নিতে পারছেন না আছমা বেগম। খুব কষ্ট হচ্ছে তার। মনে হচ্ছে এক্ষনেই মারা যাবেন। কয়েক দিন থেকেই তার শরীরে জ্বর চলছে।  গতকাল জ্বরটা বেশী ছিল। পাড়ার মোড় থেকে নাপা ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “কোভিড-১৯”
কোভিড-১৯"   -ফয়েজ আহমেদ   বিশ্ব এখন অচল অসাড় উৎপাদনের চাকা বেকার উন্নয়ন ধারা থমকে আছে কোভিড-১৯ ত্রাস চালাচ্ছে।   চলেনা আর গাড়ী ঘোড়া ব্যবসা-বানিজ্যে দৈনদশা মেশিন গুলো ধোয়া মোছা দোকান-পাটে নাই সওদা।   বিশ্ব বাজার সাটার ডাউন বিমান-জাহায লক ডাউন মৃত্যুর মিছিল যখন তখন বিশ্বে এখন ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর গল্প”সেকেন্দারের আনন্দ অশ্রু”।
গেল এক সপ্তাহ রিকসা নিয়ে বাইরে যেতে পারেননি সেকেন্দার।দেশে চলছে সরকার ঘোষিত লকডাউন। মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন ঠেকাতে সরকার এ লকডাউন দিয়েছেন। এদিকে ঘরে জমানো টাকা যা ছিল ফুরিয়ে গেছে। ঘরে ...
READ MORE
“করোনা প্রস্হান”
"করোনা প্রস্হান" -ফয়েজ আহমেদ করোনা মহামারী,কাদছে বিশ্ব,কাদছে মানবতা ধ্বংশ অর্থনীতি,চলছে মানবতার আহাজারী, আক্রান্ত মানুষ মরছে যত্ত দেশ আর বিদেশে বিপন্ন সমাজ,খাদ্য সংকট,চলছে বিশ্ব জুড়ে।   বৈশ্বিক এমন মহামারী আগেও ছিল জানি এবার সে ধরছে চেপে, তামাম পৃথিবী লাশের মিছিল ...
READ MORE
ছোট গল্প “নিষ্ঠুর করোনা”
"নিষ্ঠুর করোনা"   ফয়েজ আহমেদ।   দু'চোঁখ দিয়ে নিরবে গড়িয়ে পড়ছে অশ্রু। কিছুতেই থামাতে পারছেন না জোসনা বেগম। তার বুক চিড়ে বোবা কান্না বেড়িয়ে আসছে। ইচ্ছা করছে চিৎকার করে কান্না করতে। তাও পারছেন না। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প “দু’ফোটা জল”।
“ভাষা”
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “রোজা”
ছোট গল্প “হাঁস বিড়ালে খাইছে”
কবিতা “কর রহমত”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “কোভিড-১৯”
ফয়েজ আহমেদ এর গল্প”সেকেন্দারের আনন্দ অশ্রু”।
“করোনা প্রস্হান”
ছোট গল্প “নিষ্ঠুর করোনা”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।