আজ-  ,
basic-bank পরিক্ষা মূলক সম্প্রচার...
ADD
সংবাদ শিরোনাম :
«» স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল গুহ আর নেই। «» সৈয়দপুর উপজেলা আ’লীগের “স্বপ্নের পদ্মা সেতু” উদ্বোধন ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত। «» ভারতে মহানবীর (সা:) অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। «» সৈয়দপুরে স্কুল শিক্ষককে ফাঁসাতে গিয়ে বোতলাগাড়ির মিলন এখন জেল হাজতে। «» সৈয়দপুর ফাইলেরিয়া হাসপাতাল পরিচালনায় নতুন কমিটি ঘোষনা। «» সৈয়দপুরে আ’লীগ সভাপতির নেতৃত্বে সাংবাদিক হককে গ্রেফতার ও বহিষ্কারের দাবীতে প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে সাংবাদিক মোতালেব প্রহৃতের ঘটনায় আ’লীগের প্রতিবাদ মিছিল। «» সৈয়দপুরে কামারপুকুর ইউনিয়ন আ’লীগের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন। «» সৈয়দপুরে আ’লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি কতৃক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন। «» সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান বিশেষ পুরষ্কারে ভূষিত।

ফয়েজ আহমেদ’র ছোট গল্প”ঘৃণা”।

বিগত পাঁচ বছর পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন রেজা মাহমুদ। চাকুরী করেন বেসরকারী একটি ফার্মে । নিজ শহরে বৃদ্ধ বাবা-মা ও তিন ভাই আছেন। প্রতিবছর একবার নিজ শহরে আসেন রেজা। দু’একদিন পরিবারের সাথে থাকেন। আবার ফিরে যান ঢাকায়। এবার সিঙ্গাপুরের একটি  মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে চাকুরীর অফার পেয়েছেন রেজা মাহমুদ। সিভি জমা দিলেই চাকুরীটা তার হবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিভি জমা দিতে হবে। এর পর শুধু পাসপোর্ট-আর ভিসা। ব্যস, সিঙ্গাপুরে উড়াল দিবেন রেজা মাহমুদ।

সিভি তৈরী করে ফেলেছেন রেজা। কাগজ-পত্রও সব আছে। শুধু নাগরিকত্বের সনদ ও চারিত্রিক প্রশংসা পত্র সংগ্রহে নেই তার। রেজা ছোট ভাই তাহমিদকে ফোন দেন। বলেন,একটা নাগরিকত্বের সনদ ও চারিত্রিক প্রশাংসা পত্র সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতে। পরে রেজা মাহমুদ সিদ্ধান্ত নেন,সিঙ্গাপুর যাওয়ার আগে বাবা-মায়ের সাথে একবার দেখা করবেন। তাই অফিস ছুটি নিয়ে বিকালের ফ্লাইটে আসেন নিজ শহরে। বাবা-মা সহ ভাইদের খবরটা জানান। তারা রেজার সিঙ্গাপুরে চাকুরীর পাওয়ার খবরে খুব খুশী হন।
পৌর মেয়রের কার্যালয়ে বসে আছে রেজা। মেয়র মহোদয় এখনও আসেননি। মেয়রের সহকারী জানান, স্যার দশ মিনিটের মধ্যেই অফিসে ঢুকবেন। কি আর করা। বসে বসে পেপার পড়ছেন রেজা। প্রায় মিনিট বিশেক পড়ে অফিসে আসেন,মেয়র সাহেব। সাথে একজন মোটা লোক। লোকটাকে চেনা চেনা লাগছে রেজার। হ্যা, এইতো সেই লোক। যে রেলের কোয়াটার ও জমি দখল করে হয়েছেন কোটিপতি। রেলের জমিতে তুলেছেন, বেশ ক’টি বহুতল ভবন। দু’দকে মামলাও আছে তার। রেজা মাহমুদ পত্রিকায় সব খবর পড়েছেন।
মেয়র মহোদয়ের সাথে এমন একজন রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুন্ঠনকারী লোককে দেখে ঘাবড়ে যান রেজা। ভাবেন,এটা কি করে সম্ভব ? পৌর পিতার সাথে এমন একজন লোকের চলাফেরা মোটেই শোভনীয় নয়। তাছাড়া এমন একটি লোকের জন্য তার শহরের সম্মান বিনষ্ট হয়েছে। ভূমি খেকো ওই লোকটি মেয়র মহোদয়ের হাতে একটি বহুতল ভবনের  নকশা তুলে দেন। মেয়র মহোদয় ওই নকশায় স্বাক্ষর করেন। রেজা খেয়াল করেন,নকশাটি রেল ভূ-সম্পতিতে করা হয়েছে।
মেয়র মহোদয় নকশা অনুমোদন করে,তুলে দেন লোকটির হাতে। রেজা মাহমুদ বিস্মিত হন, একজন মেয়রের এমন অনৈতিক, দেশ বিরোধী কর্মকান্ড দেখে।  রেজা’র ভাবনায় আসে না, মেয়র মহোদয় কি করে এমন বিধিবহিভূত নকশা অনুমোদন দিলেন ?  এমন কাজে তো মেয়র সাহেবের বাধা দেয়ার কথা। রেলের এ্যালোটমেন্ট আছে কি না দেখার কথা ? মেয়র তো সরকারের একটা অংশ। অথচ তিনি দখল কাজ উসকে দিলেন।
লোকটি চলে যাওয়ার পর রেজার দিকে চোঁখ পড়ে মেয়র সাহেবের। তিনি রেজা মাহমুদকে জিজ্ঞেস করেন,আপনার কি কাজ? রেজা হাতের কাগজ দুটো এগিয়ে দেন। মেয়র সাহেব কাগজ দু’টোতে চোঁখ বুলিয়ে স্বাক্ষর করেন। এসময় রেজা মাহমুদ খেয়াল করেন,মেয়র সাহেব তার কলেজের সিনিয়র ভাই। তারা একই কলেজে পড়া-শুনা করেছেন। একটি অখ্যাত ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। রেজা মাহমুদ ভালভাবেই মেয়র সাহেবকে চিনতে পারেন।
রেজা মাহমুদের মনে পড়ে কলেজের একটি কেলেংকারীর কথা। ওই সময় সকল ছাত্র-ছাত্রী ফুঁসে উঠেছিলেন। লাগাতর আন্দোলনে ক্যাম্পাস অচল হয়ে গিয়েছিল। যার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল, ইনি সেই সিনিয়র ভাই। মেয়র মোজাহারুল ইসলাম মোজা সাহেব। রেজা’র মনে আছে,ওই আন্দোলনের কারনে মোজা’কে পুলিশ আটক করেছিল। পাঠিয়েছিল জেল হাজতে। মোজা প্রায় ছ’মাস হাজতে ছিল। পরে জামিনে মুক্ত হন। রেজা ভাবতে পারেন না,সেই মোজা আজ মেয়র,পৌর পিতার আসনে সমাসীন।
রেজার মনে আছে,একটি মেয়েকে ফুসলিয়ে কলেজের ছাদে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানী করেন মোজা। এ ঘটনার পর মোজার আরও অনেক নারী কেলেংকারীর ঘটনা সামনে আসে। পুলিশ বাধ্য হন মোজাকে গ্রেফতার করতে। রেজা মাহমুদ শুনেছেন,শ্লীলতানীর শিকার মেয়েটি পরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। ওই মৃৃত্যুর নেপথ্যে ছিলেন মোজা। এমন খবর পুরো শহরে চাউর হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় মোজা হাজতে থাকায় বেঁচে গেছেন। তবে সবার ধারণা,মোজা’র নির্দেশে তার সাঙ্গ- পাঙ্গরা ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।  ঘাতক গাড়িটি ধরা না পরায়, রহস্যই থেকে যায় দূর্ঘটনার কারন।
রেজা মাহমুদ নাগরিকত্বের সনদ ও চারিত্রিক প্রশংসা পত্র নিয়ে ফিরে আসেন বাড়ি। কাগজ দু’টো বারবার উল্টে-পাল্টে দেখেন। মনের মধ্যে একটা ইগো কাজ করতে থাকে। সে মনে মনে ভাবেন,যার নিজের চরিত্র কলুষিত,কালিমায় ভরা, সেই দিচ্ছেন, চারিত্রিক প্রশংসা পত্র। সই করছেন, নাগরিকত্বের সনদে।  বিষয়টি কোন ভাবে মেনে নিতে পারে না রেজা মাহমুদ। তার কাছে মনে হয়,এমন একজন কলুষিত মানুষের নিকট নাগরিকত্ব ও চরিত্রের সার্টিফিকেট নেয়া শোভনীয় নয়।
রেজা’র শুধু কলেজের ওই কেলেংকারীর কথা মনে পড়ে। তার চোঁখের সামনে ভেসে ওঠে ছাত্র-ছাত্রীদের সেই দুর্বার গণ আন্দলনের চিত্র। রেজা মাহমুদ ভাবেন,এটা কি ভাবে সম্ভব ? মোজা মেয়র হন কি ভাবে ? মাথা কাজ করে না তার । মনটা ভীষন অস্থির হয়ে ওঠে। এই শহরে আর এক মহুর্ত থাকার ইচ্ছে করে না রেজার।মানষিক অস্থিরতা নিয়ে বাবা-মায়ের নিকট বিদায় নেন রেজা। রওয়ানা দেন, ঢাকার উদ্দেশ্য।
রেজা বিভিন্ন জনের নিকট খোজ নিয়ে জানতে পারেন,অশুভ রাজনীতি চর্চা কাজে লাগিয়ে  কালো টাকা ও পেশী শক্তির জোড়ে  মোজা মেয়রের আসন হাসিল করেছেন। এখন নাগরিকত্ব সনদসহ চারিত্রিক প্রশংসা পত্র ইস্যু করছেন। রেজা জানেন,এটা এখন মোজা’র রাষ্ট্র প্রদত্ত দায়িত্ব। তিনি পদাধীকার বলে পৌরবাসী সকলের চারিত্রিক সার্টিফিকেট সই করবেন। এটাই সাংবিধানিক নিয়ম।।
রেজার মনে মেয়র মোজা’র জন্য এক প্রকার ঘৃণা কাজ করে । চরিত্রহীন,কলুষিত একজন মেয়রের স্বাক্ষর করা নাগরিকত্ব সনদ ও চারিত্রিক প্রশংসা পত্র দিয়ে চাকুরী করতে তার রুচিতে বাধে। রেজা মাহমুদ সিদ্ধান্ত নেন,চাকুরী যদি না হয়,না হউক। তবুও সে মেয়র মোজা স্বাক্ষরিত নাগরিকত্ব সনদ ও চারিত্রিক প্রশংসা পত্র ব্যবহার করবেন না। অবশেষে, রেজা মাহমুদ মেয়র মোজা স্বাক্ষরিত ওই নাগরিকত্বের সনদ ও চারিত্রিক প্রশংসা পত্র রাগ,দুঃখ,ঘৃণায় আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন।
Related Posts
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ঈদ কালেকশন”।
অফিসে ঢোকার সাথেই সোহাগের হাতে এক'শো জনের নামের তালিকা ধরিয়ে দেন সভাপতি বীর বাহাদুর। বলেন,আগামী বুধবার থেকে কালেকশন শুরু করতে হবে। ঈদের বেশী দেরী নেই। আর বিলম্ব করা যাবেনা। সভাপতি ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প””তিরস্কার”।
বৃদ্ধা শ্বাশুড়ী আর ছয় মাসের শিশু পুত্র নিয়ে খুব খাদ্য সংকটে আছে রহিমা বেওয়া। বাঁচ্চাটা শরীরে আসার তিনমাস পর মারা যায় রহিমার স্বামী কুবের আলী। স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বাশুড়ী পোনা মাই ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ধোকা”।
মাস্টার্স পাশ করেও কোন চাকুরী জোগাড় করতে পারেনি তৈমুর। রাত-দিন অনেক দালালের পিছনে ঘুরেছেন। একটা চাকুরীর প্রত্যাশায়। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মধ্যখানে তার গাটের টাকা গেছে জলে। সর্বশেষ এক ...
READ MORE
“কবর পেল শাবনুর”
"কবর পেল শাবনুর"   -ফয়েজ আহমেদ।   মেয়ের সাথে ফোনে কথা বলে অঝোরে কাঁদতে থাকে আবুল হোসেন। একটি মাত্র মেয়ে তার। আর কোন ছেলে পুলে নেই। অভাবের তাড়নায় মেয়েটিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল আবুল হোসেন। মেয়েটিকে ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
শ্বাস নিতে পারছেন না আছমা বেগম। খুব কষ্ট হচ্ছে তার। মনে হচ্ছে এক্ষনেই মারা যাবেন। কয়েক দিন থেকেই তার শরীরে জ্বর চলছে।  গতকাল জ্বরটা বেশী ছিল। পাড়ার মোড় থেকে নাপা ...
READ MORE
“করোনা প্রস্হান”
"করোনা প্রস্হান" -ফয়েজ আহমেদ করোনা মহামারী,কাদছে বিশ্ব,কাদছে মানবতা ধ্বংশ অর্থনীতি,চলছে মানবতার আহাজারী, আক্রান্ত মানুষ মরছে যত্ত দেশ আর বিদেশে বিপন্ন সমাজ,খাদ্য সংকট,চলছে বিশ্ব জুড়ে।   বৈশ্বিক এমন মহামারী আগেও ছিল জানি এবার সে ধরছে চেপে, তামাম পৃথিবী লাশের মিছিল ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”জীবন নিয়ে জুয়া”।
অনেক আশা করে সরকারী চাকুরীজীবি কনে বিয়ে করেছেন তোফা। মনে তার একটাই শ্বান্তনা,এবার সংসারটা হবে। সরকারী চাকুরীজীবি বউ। অন্তত লোভ থাকবেনা। তছরুপ করবে না টাকা-পয়সা । ভাঙ্গবে না সংসার। কখনও যাবেনা ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “আজব স্বপ্ন”।
"আজব স্বপ্ন"   -ফয়েজ আহমেদ।   গ্রামের নাম কাজলীয়া। সবুজ ঘেরা সুন্দর একটি গ্রাম। যতদুর চোঁখ যায়,শুধু প্রকৃতিক সবুজ লীলা ভূমি। গ্রমের লোকজন অত্যান্ত শান্তি প্রিয়। তারা সকলে ওই গ্রামে মিলে মিশে বসবাস করেন। ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা  “যুদ্ধ চাই”
যুদ্ধ চাই" -ফয়েজ আহমেদ যুদ্ধ চাই,ভৌগলিক রেখার নয় স্বাধীনতা চাই,সেই পতাকার নয়, সংগ্রাম চাই,রুখতে,অশুভ ব্যাধি আরেকটি যুদ্ধ চাই,করতে শুদ্ধির।   যুদ্ধ চাই আনতে,শুভ রাজনীতি অফিস-আদালত হবে,মুক্ত র্দূনীতি, সামাজিক স্তরে চাই,প্রকৃত সেবা যুদ্ধ চাই মোরা,সুশাসন প্রতিষ্ঠার।   যুদ্ধ চাই,আনতে মানবতার সুদিন গাইবে সবাই,মানবিক গান ...
READ MORE
“পুর্বসুরী”
পুর্বসুরী"   ফয়েজ আহমেদ   পলাশীর প্রান্তর,একটি যুদ্ধ যুদ্ধ নয়,এক প্রহসন,চাতুরতা, মীর জাফরের প্রতারনা,লোভ দুশো বছর,পরাধীনতার গ্লানী।   ক্লাইভ চাল,বেঈমানী,স্বার্থপরতা নবাব সিরাজ,বাংলার স্বর্কীয়তা, স্বাধীনতার রক্তিম সুর্য, অস্তমিত স্বার্থক মীর জাফর, অভিপ্রায়।   যুদ্ধ হয়নি, খন্ড নাটক মঞ্চায়ন মোহন লাল,ঊর্মি চাদ কুপোকাত, সম্ভব হয়নি,বেঈমান সেনাপতি প্রতারনা,বাংলা শাসন হারায়।   পলাশী ...
READ MORE
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ঈদ কালেকশন”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প””তিরস্কার”।
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”ধোকা”।
“কবর পেল শাবনুর”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”অমানবিক মানুষ”।
“করোনা প্রস্হান”
ফয়েজ আহমেদ’র গল্প”জীবন নিয়ে জুয়া”।
ফয়েজ আহমেদ এর ছোট গল্প “আজব স্বপ্ন”।
ফয়েজ আহমেদ’র কবিতা “যুদ্ধ চাই”
“পুর্বসুরী”
Spread the love
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।